বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফেসবুকে লাইভে এসে সার্টিফিকেট পোড়ালেন ইডেন কলেজের ছাত্রী

সরকারি চাকরির বয়স শেষ হওয়ায় ২৭ বছরে অর্জিত সব অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট পুড়িয়ে ফেলেছেন রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রী মুক্তা সুলতানা। গত মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে তিনি সার্টিফিকেটগুলো পুড়িয়ে দেন। এ ঘটনার ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।   

জানা যায়, সরকারি চাকরির বয়স শেষ হওয়ায় গত ২৩ মে ক্ষোভে ফেসবুক লাইভে এসে নিজের সব অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট পুড়িয়ে ফেলেছেন মুক্তা। চাকরির বয়সসীমা অতিক্রম হয়ে যাওয়ায় এই সার্টিফিকেট আর কোনো সরকারি বা বেসরকারি চাকরির কাজে লাগবে না বলেও লাইভে দাবি করেন তিনি।  

ফেসবুক লাইভে মুক্তা বলেন, তার স্নাতকোত্তর পরীক্ষা ২০১৫ সালে হলেও ২০১৯ সালে তার সার্টিফিকেট ইস্যু হয়। এর ফলে ৪ বছর তিনি কোথাও চাকরির জন্য আবেদন করতে পারেননি। চাকরির বয়সসীমা অনুযায়ী তার আবেদনের সময়ের ৪ বছর সার্টিফিকেটের জন্য অপেক্ষা করতে করতেই ফুরিয়ে গেছে।

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির আন্দোলনে মুক্তা সুলতানা 

তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়াসহ পৃথিবীর কোথাও এই বয়সসীমা নেই। শুধু বাংলাদেশ আর পাকিস্তানে এই অবস্থা। যে সার্টিফিকেট দিয়ে সরকারি-বেসরকারি কোনো চাকরিতে আবেদন করা যায় না, সেই সার্টিফিকেট রেখে কী লাভ। ২৭ বছর পড়াশুনা করে যদি কোথাও বয়সের জন্য আবেদনই করতে না পারি তাহলে সার্টিফিকেট দিয়ে কী করব?’

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাকরির আবেদনের বয়সসীমা ৩০ থেকে ৩৫ করার জন্য ব্যানার-ফেস্টুন হাতে আন্দোলন করে আসছিলেন মুক্তা সুলতানা। আগামী ১০ জুন ফের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর আন্দোলনে যোগ দিতে সবাইকে আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ফেসবুকে লাইভে এসে সার্টিফিকেট পোড়ালেন ইডেন কলেজের ছাত্রী

প্রকাশিত সময় : ০৯:৫০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মে ২০২৩

সরকারি চাকরির বয়স শেষ হওয়ায় ২৭ বছরে অর্জিত সব অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট পুড়িয়ে ফেলেছেন রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রী মুক্তা সুলতানা। গত মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে তিনি সার্টিফিকেটগুলো পুড়িয়ে দেন। এ ঘটনার ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।   

জানা যায়, সরকারি চাকরির বয়স শেষ হওয়ায় গত ২৩ মে ক্ষোভে ফেসবুক লাইভে এসে নিজের সব অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট পুড়িয়ে ফেলেছেন মুক্তা। চাকরির বয়সসীমা অতিক্রম হয়ে যাওয়ায় এই সার্টিফিকেট আর কোনো সরকারি বা বেসরকারি চাকরির কাজে লাগবে না বলেও লাইভে দাবি করেন তিনি।  

ফেসবুক লাইভে মুক্তা বলেন, তার স্নাতকোত্তর পরীক্ষা ২০১৫ সালে হলেও ২০১৯ সালে তার সার্টিফিকেট ইস্যু হয়। এর ফলে ৪ বছর তিনি কোথাও চাকরির জন্য আবেদন করতে পারেননি। চাকরির বয়সসীমা অনুযায়ী তার আবেদনের সময়ের ৪ বছর সার্টিফিকেটের জন্য অপেক্ষা করতে করতেই ফুরিয়ে গেছে।

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির আন্দোলনে মুক্তা সুলতানা 

তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়াসহ পৃথিবীর কোথাও এই বয়সসীমা নেই। শুধু বাংলাদেশ আর পাকিস্তানে এই অবস্থা। যে সার্টিফিকেট দিয়ে সরকারি-বেসরকারি কোনো চাকরিতে আবেদন করা যায় না, সেই সার্টিফিকেট রেখে কী লাভ। ২৭ বছর পড়াশুনা করে যদি কোথাও বয়সের জন্য আবেদনই করতে না পারি তাহলে সার্টিফিকেট দিয়ে কী করব?’

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাকরির আবেদনের বয়সসীমা ৩০ থেকে ৩৫ করার জন্য ব্যানার-ফেস্টুন হাতে আন্দোলন করে আসছিলেন মুক্তা সুলতানা। আগামী ১০ জুন ফের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর আন্দোলনে যোগ দিতে সবাইকে আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।