মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরিশাল সিটি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী বিজয়ী

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে নৌকার প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৭৫২ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী হাতপাখার মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৩৪৫ ভোট। সোমবার ১২ জুন এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এর আগে, সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলে। ভোট গণনা শুরু হয় বিকেল ৫টার দিকে। ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে মাঠে মোতায়েন ছিল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। কেন্দ্র পাহারায় মোতায়েন করা হয় ১৬ থেকে ১৭ জনের ফোর্স। মাঠে ছিলেন নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়া ইসির নিজস্ব পর্যবেক্ষক টিম ঢাকায় নির্বাচন ভবনে মনিটরিং সেল থেকে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে স্থাপিত সিসি ক্যামেরায় ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেন। বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে ৭ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ১১৬ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ৪২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মেয়র পদে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস, জাকের পার্টির গোলাপ ফুল প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান বাচ্চু, টেবিল ঘড়ি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান রুপন, হাতি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আসাদুজ্জামান ও হরিণ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আলী হোসেন হাওলাদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বরিশাল সিটিতে ভোটার সংখ্যা দুই লাখ ৭৬ হাজার ২৯৮ জন। মোট ১২৬টি কেন্দ্রের ৮৯৪টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বরিশাল সিটি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী বিজয়ী

প্রকাশিত সময় : ০৯:১৮:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জুন ২০২৩

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে নৌকার প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৭৫২ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী হাতপাখার মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৩৪৫ ভোট। সোমবার ১২ জুন এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এর আগে, সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলে। ভোট গণনা শুরু হয় বিকেল ৫টার দিকে। ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে মাঠে মোতায়েন ছিল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। কেন্দ্র পাহারায় মোতায়েন করা হয় ১৬ থেকে ১৭ জনের ফোর্স। মাঠে ছিলেন নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়া ইসির নিজস্ব পর্যবেক্ষক টিম ঢাকায় নির্বাচন ভবনে মনিটরিং সেল থেকে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে স্থাপিত সিসি ক্যামেরায় ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেন। বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে ৭ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ১১৬ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ৪২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মেয়র পদে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস, জাকের পার্টির গোলাপ ফুল প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান বাচ্চু, টেবিল ঘড়ি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান রুপন, হাতি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আসাদুজ্জামান ও হরিণ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আলী হোসেন হাওলাদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বরিশাল সিটিতে ভোটার সংখ্যা দুই লাখ ৭৬ হাজার ২৯৮ জন। মোট ১২৬টি কেন্দ্রের ৮৯৪টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।