বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণের পর ছদ্মবেশে আত্মগোপনে ছিলেন ভুয়া পুলিশ কর্মকর্তা

নাটোরে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মিজানুর রহমান (৩১) নামে পুলিশের এক ভুয়া কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গতকাল রোববার রাতে লালপুর উপজেলার গোপালপুরের দাইড়পাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ সোমবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাগাতিপাড়া উপজেলার চন্দ্রখৈর গ্রামের মৃত আফছার সরকারের ছেলে মিজানুর রহমান ফেসবুকের মাধ্যমে ভিকটিমের সঙ্গে পরিচিত হন। তিনি ফেসবুক আইডিতে পুলিশের ছবি আপলোড করে নিজেকে সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে পরিচয় দিতেন।ম্যাসেঞ্জারে কথাবার্তা বলার সময় বিশ্বাস অর্জন করে কৌশলে ভিকটিমের কিছু গোপন ছবি সংগ্রহ করে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিলে ভিকটিম রাজি হননি। একসময় গোপন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ভিকটিমের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় ও বিভিন্ন মাধ্যমে এক লাখ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।পরে ধারণকৃত গোপন ছবি ফেরত দেওয়ার কথা বলে ১২ মে ভিকটিমের বাড়িতে যান মিজানুর রহমান। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন এবং তার কাছে থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দেন।পরবর্তী সময়ে দু’দফায় ভিকটিমের কাছে থেকে আরও ৩৩ হাজার টাকা নেন। এরপরও বিভিন্ন সময় টাকা দাবি করতে থাকলে ভিকটিম বাদী হয়ে নাটোর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।ভিকটিমের এজাহার দায়েরের পর থেকে আসামি মিজানুর রহমান গ্রেপ্তার এড়াতে ছদ্মবেশ ধারণ করে প্রতিনিয়ত স্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে চলে যান। পরে র‌্যাবের বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাতে তাকে লালপুর উপজেলার গোপালপুরের দাইড়পাড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক

ধর্ষণের পর ছদ্মবেশে আত্মগোপনে ছিলেন ভুয়া পুলিশ কর্মকর্তা

প্রকাশিত সময় : ০৫:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুলাই ২০২৩

নাটোরে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মিজানুর রহমান (৩১) নামে পুলিশের এক ভুয়া কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গতকাল রোববার রাতে লালপুর উপজেলার গোপালপুরের দাইড়পাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ সোমবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাগাতিপাড়া উপজেলার চন্দ্রখৈর গ্রামের মৃত আফছার সরকারের ছেলে মিজানুর রহমান ফেসবুকের মাধ্যমে ভিকটিমের সঙ্গে পরিচিত হন। তিনি ফেসবুক আইডিতে পুলিশের ছবি আপলোড করে নিজেকে সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে পরিচয় দিতেন।ম্যাসেঞ্জারে কথাবার্তা বলার সময় বিশ্বাস অর্জন করে কৌশলে ভিকটিমের কিছু গোপন ছবি সংগ্রহ করে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিলে ভিকটিম রাজি হননি। একসময় গোপন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ভিকটিমের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় ও বিভিন্ন মাধ্যমে এক লাখ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।পরে ধারণকৃত গোপন ছবি ফেরত দেওয়ার কথা বলে ১২ মে ভিকটিমের বাড়িতে যান মিজানুর রহমান। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন এবং তার কাছে থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দেন।পরবর্তী সময়ে দু’দফায় ভিকটিমের কাছে থেকে আরও ৩৩ হাজার টাকা নেন। এরপরও বিভিন্ন সময় টাকা দাবি করতে থাকলে ভিকটিম বাদী হয়ে নাটোর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।ভিকটিমের এজাহার দায়েরের পর থেকে আসামি মিজানুর রহমান গ্রেপ্তার এড়াতে ছদ্মবেশ ধারণ করে প্রতিনিয়ত স্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে চলে যান। পরে র‌্যাবের বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাতে তাকে লালপুর উপজেলার গোপালপুরের দাইড়পাড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।