বগুড়ার শেরপুরে শিক্ষার্থীসহ দুইজন আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মারা যাওয়ারা হলেন- শেরপুর উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের হাপুনিয়া গ্রামের মৃত তজর আলীর স্ত্রী জুলেখা বিবি (৬০) ও শেরপুর পৌর শহরের জগন্নাথপাড়ার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সঞ্চারি পারিজাত (১৩)। তিনি শেরপুর পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ল্যাব: স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।
হাপুনিয়া গ্রামের বাসিন্দারা জানান, ৬ হাজার টাকা নিয়ে ছেলের সঙ্গে বিরোধের জেরে আজ বুধবার মা জুলেখা বিবি (৬০) গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেন।
জগন্নাথপাড়ার স্থানীয়রা জানান, গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সঞ্চারি পারিজাত ল্যাপটপে ফেসবুক দেখছিলেন। এ সময় তার বাবা কলেজ শিক্ষক নীহাররঞ্জন সরকার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড চান। সঞ্চারি পাসওয়ার্ড না দিলে তাকে তার বাবা বকাবকি করেন। এ নিয়ে অভিমান করে রাতের খাবারের পর সঞ্চারি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
পাশের বাড়ির লোকজন জানালা দিয়ে সঞ্চারিকে অনেকক্ষণ একইভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তার পরিবারকে জানায়। পরিবারের লোকজন দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে সঞ্চারির ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
শেরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবু কুমার সাহা বলেন, দুটি আত্মহত্যার ঘটনা। দুজনের লাশই ময়নাতদন্তের জন্য শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। থানায় ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে।

বগুড়া প্রতিনিধি 

























