বগুড়ার নন্দীগ্রামে একইদিনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি চলাকালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় একজন গুলিবিদ্ধ ও ৮জন আহত হয়েছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে ৩০ মিনিট ধরে চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা। এ সময় ৬০/৭০টি চেয়ার ভাঙচুর ও ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হয়। এতে বিএনপির ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রা ও সমাবেশ পন্ড হয়ে যায়। আজ শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে নন্দীগ্রাম ফিলিং স্টেশন এলাকায় বিএনপির অস্থায়ী দলীয় কার্যালয় চত্বরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভাস্থলে হামলা ও চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
আওয়ামী লীগের দাবি, একজন গুলিবিদ্ধসহ তাদের দুইজন আহত হয়েছে। বিএনপির দাবি, আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের হামলায় তাদের দলের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
আহতরা হলেন- স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মাসুদ রানা মুকুল (৪৫), ছাত্রলীগ নেতা গোলজার রহমান (২০), যুবদল নেতা আব্দুল কাইয়ুম (৩২), উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল রানা (২৬), পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুরনবী (২৪)। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আহত কয়েকজনের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন রানা দাবি করেন, মিছিল চলাকালে তাকে লক্ষ্য করে পিস্তল দিয়ে গুলি করা হয়। তাদের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শান্তি সমাবেশ চলছিল। মিছিলটি মহা সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমাবেশে যাওয়ার পথে বিএনপি নেতাকর্মীরা হামলা করে।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার দাবি করেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। পুলিশের উপস্থিতি এ হামলার ঘটনা ঘটে।
নন্দীগ্রাম থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, বাসস্ট্যান্ডে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ এবং নন্দীগ্রাম ফিলিং স্টেশন এলাকায় দলীয় কার্যালয় চত্বরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভার প্রস্তুতি চলছিল। অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল। আওয়ামী লীগের একটি মিছিল হঠাৎই বিএনপির অফিস চত্বরে প্রবেশ করলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি শান্ত করে দুই দলের নেতা-কর্মীদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।

রিপোর্টারের নাম 

























