বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতকে ২৬৬ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

এশিয়া কাপের সুপার ফোরের গ্রুপ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ দল। নিয়মরক্ষার ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ দল। ফলে ভারতের টার্গেট দাঁড়ায় ২৬৬ রান। আজ কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন তানজিদ হাসান তামিম ও লিটন দাস। ম্যাচের প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ইনিংস শুরু করেন অভিষেকে শূন্য রানে আউট হওয়া তানজিদ হাসান তামিম। নিজের দ্বিতীয় ও ম্যাচের তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই লিটনকে বোল্ড করেন মোহাম্মদ শামি। এ ম্যাচে রানের খাতা খোলার আগেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন টাইগারদের সহ অধিনায়ক। এরপর বাইশ গজে আসেন এনামুল হক বিজয়। ম্যাচের চতুর্থ ওভারের শুরুতেই শার্দুল ঠাকুরের শর্ট লেংথের বলটি পুল করতে গিয়ে বোল্ড হন তামিম। আউট হওয়ার আগে তিন বাউন্ডারিতে ১৩ রান করেন এ বাঁ-হাতি ব্যাটার। দলের হাল ধরতে ক্রিজে আসেন টাইগার দলপতি সাকিব আল হাসান। এরপরই উইকেট বিলিয়ে দেন এনামুল হক বিজয় (৪)। এ ম্যাচে দুইবার জীবন পেয়েও ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন মেহেদী মিরাজ। ম্যাচের ১৪তম ওভারের শেষ বলে অক্সারের ঘূর্ণিতে রোহিতের তালুবন্দী হন তিনি। আউট হওয়ার আগে ১৩ রান করেন এ ডানহাতি ব্যাটার। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। তবে সাকিব-হৃদয় জুটিতে চাপ সামলে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে টিম টাইগার্স। এমন সময় চাপের মুখে দারুণ ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারে ৫৫তম ফিফটি তুলে নেন সাকিব আল হাসান। খেলার ২৬তম ওভারে অক্সার প্যাটেল ছক্কা হাঁকিয়ে ফিফটি পূরণ করেছেন তিনি। তবে ফিফটির পর বেশিক্ষণ পিচে টিকে থাকতে পারেননি সাকিব। দলীয় ৩৩.১ ওভারে শার্দুল ঠাকুরের বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটা দেন সাকিব। বাংলাদেশের অধিনায়ক করেন ৮৫ বলে ৮০ রান। সাকিব আউট হলে মাঠে নামে শামীম পাটোয়ারী। তিনিও বেশিক্ষণ পিচে থিতু হতে পারেননি। জাদেজার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে হাঁটা দেন শামীম। তার উইকেটে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২০০তম উইকেটে স্পর্শ করেন জাদেজা। এরপর পর মাঠে নামেন নাসুম। ৪১.২ ওভারে দলীয় ১৯৩ রানে সপ্তম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মোহাম্মদ শামির বলে ডিপ স্কয়ারে লেগে তিলক ভর্মার হাতে ক্যাচ আউট হন হৃদয়। তিনি করেন ৮১ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৫৪ রান। শেষ দিকে দলের হাল ধরেন নাসুম। খেলেন করেন ৪৫ বলে ৪৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ একটি ইনিংস। দলীয় ৪৭.২ ওভারে প্রষিধ কৃষ্ণা বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটা দেন নাসুম। অন্যদিকে অপরপ্রান্ত আগলিয়ে রাখেন মাহাদী। নাসুম আউট হলে প্রথমবারের মাঠে নামেন অভিষিক্ত হওয়া তরুণ তানজিম হাসান সাকিব। শেষ দিকে এদুই জনের ২৭ রানের জুটিতে ২৬৬ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। এ ভারতের হয়ে তিনটি উইকেট নেন শার্দুল ঠাকুর, দুটি উইকেট নেন মোহাম্মদ শামি এবং একটি করে উইকেট নেন রবীন্দ্র জাদেজা, অক্সার প্যাটেল ও প্রষিধ কৃষ্ণা। ডেইলি-বাংলাদেশ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ভারতকে ২৬৬ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

প্রকাশিত সময় : ০৭:৫১:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

এশিয়া কাপের সুপার ফোরের গ্রুপ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ দল। নিয়মরক্ষার ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ দল। ফলে ভারতের টার্গেট দাঁড়ায় ২৬৬ রান। আজ কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন তানজিদ হাসান তামিম ও লিটন দাস। ম্যাচের প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ইনিংস শুরু করেন অভিষেকে শূন্য রানে আউট হওয়া তানজিদ হাসান তামিম। নিজের দ্বিতীয় ও ম্যাচের তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই লিটনকে বোল্ড করেন মোহাম্মদ শামি। এ ম্যাচে রানের খাতা খোলার আগেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন টাইগারদের সহ অধিনায়ক। এরপর বাইশ গজে আসেন এনামুল হক বিজয়। ম্যাচের চতুর্থ ওভারের শুরুতেই শার্দুল ঠাকুরের শর্ট লেংথের বলটি পুল করতে গিয়ে বোল্ড হন তামিম। আউট হওয়ার আগে তিন বাউন্ডারিতে ১৩ রান করেন এ বাঁ-হাতি ব্যাটার। দলের হাল ধরতে ক্রিজে আসেন টাইগার দলপতি সাকিব আল হাসান। এরপরই উইকেট বিলিয়ে দেন এনামুল হক বিজয় (৪)। এ ম্যাচে দুইবার জীবন পেয়েও ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন মেহেদী মিরাজ। ম্যাচের ১৪তম ওভারের শেষ বলে অক্সারের ঘূর্ণিতে রোহিতের তালুবন্দী হন তিনি। আউট হওয়ার আগে ১৩ রান করেন এ ডানহাতি ব্যাটার। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। তবে সাকিব-হৃদয় জুটিতে চাপ সামলে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে টিম টাইগার্স। এমন সময় চাপের মুখে দারুণ ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারে ৫৫তম ফিফটি তুলে নেন সাকিব আল হাসান। খেলার ২৬তম ওভারে অক্সার প্যাটেল ছক্কা হাঁকিয়ে ফিফটি পূরণ করেছেন তিনি। তবে ফিফটির পর বেশিক্ষণ পিচে টিকে থাকতে পারেননি সাকিব। দলীয় ৩৩.১ ওভারে শার্দুল ঠাকুরের বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটা দেন সাকিব। বাংলাদেশের অধিনায়ক করেন ৮৫ বলে ৮০ রান। সাকিব আউট হলে মাঠে নামে শামীম পাটোয়ারী। তিনিও বেশিক্ষণ পিচে থিতু হতে পারেননি। জাদেজার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে হাঁটা দেন শামীম। তার উইকেটে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২০০তম উইকেটে স্পর্শ করেন জাদেজা। এরপর পর মাঠে নামেন নাসুম। ৪১.২ ওভারে দলীয় ১৯৩ রানে সপ্তম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মোহাম্মদ শামির বলে ডিপ স্কয়ারে লেগে তিলক ভর্মার হাতে ক্যাচ আউট হন হৃদয়। তিনি করেন ৮১ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৫৪ রান। শেষ দিকে দলের হাল ধরেন নাসুম। খেলেন করেন ৪৫ বলে ৪৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ একটি ইনিংস। দলীয় ৪৭.২ ওভারে প্রষিধ কৃষ্ণা বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটা দেন নাসুম। অন্যদিকে অপরপ্রান্ত আগলিয়ে রাখেন মাহাদী। নাসুম আউট হলে প্রথমবারের মাঠে নামেন অভিষিক্ত হওয়া তরুণ তানজিম হাসান সাকিব। শেষ দিকে এদুই জনের ২৭ রানের জুটিতে ২৬৬ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। এ ভারতের হয়ে তিনটি উইকেট নেন শার্দুল ঠাকুর, দুটি উইকেট নেন মোহাম্মদ শামি এবং একটি করে উইকেট নেন রবীন্দ্র জাদেজা, অক্সার প্যাটেল ও প্রষিধ কৃষ্ণা। ডেইলি-বাংলাদেশ