বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাদরাসা শিক্ষার্থীর শরীরে আয়রনের ছ্যাঁকা, শিক্ষক গ্রেপ্তার

কুমিল্লার হোমনায় মো. আব্দুল কাইয়ুম (১৫) নামে এক মাদরাসা শিক্ষার্থীর শরীরে গরম আয়রনের ছ্যাঁকা দেওয়ার মামলায় আতিকুল (৩৫) নামের এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে হোমনা উপজেলার চান্দের চর ইউনিয়নের নয়াকান্দি মমতাজিয়া আছমতিয়া হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মামলার দুই নম্বর আসামি। ভুক্তভোগী কাইয়ুম চান্দের চর গ্রামের প্রবাসী আব্দুল কাদিরের ছেলে। সে ওই মাদরাসায় হাফেজ বিভাগের ছাত্র। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পড়া না পাড়ায় গতকাল দুপুরে উপজোলার নয়াকান্দি মমতাজিয়া আছমতিয়া হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, আতিকুল ইসলাম ও তিন ছাত্র মিলে আব্দুল কাইয়ুমকে গরম আয়রন দিয়ে শরীরে ছ্যাঁকা দেন। এরপর কাইয়ুমের শরীর গরম পানিতে ঝলসে গেছে জানিয়ে বাড়িতে খবর দেওয়া হয়। গতকাল সন্ধ্যায় মা হাফেজা বেগম গিয়ে কাইয়ুমকে মাদরাসা থেকে নিয়ে আসেন। পরে কাইয়ুম পুরো ঘটনা পরিবারকে জানায়। এরপর পরিবারের সদস্যরা কাইয়ুমকে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। ভুক্তভোগীর মা হাফেজা বেগম পরে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। চান্দের চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বলেন, খবর পেয়ে সোমবার বিকেলে ঘটনাস্থলে যাই। যতটুকু শুনেছি ছাত্রদের সাজা দিতে গিয়ে কাইয়ুমকে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়েছে। হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন বলেন, খবর পেয়ে জড়িত এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মাদরাসা শিক্ষার্থীর শরীরে আয়রনের ছ্যাঁকা, শিক্ষক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত সময় : ০৫:৫৫:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

কুমিল্লার হোমনায় মো. আব্দুল কাইয়ুম (১৫) নামে এক মাদরাসা শিক্ষার্থীর শরীরে গরম আয়রনের ছ্যাঁকা দেওয়ার মামলায় আতিকুল (৩৫) নামের এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে হোমনা উপজেলার চান্দের চর ইউনিয়নের নয়াকান্দি মমতাজিয়া আছমতিয়া হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মামলার দুই নম্বর আসামি। ভুক্তভোগী কাইয়ুম চান্দের চর গ্রামের প্রবাসী আব্দুল কাদিরের ছেলে। সে ওই মাদরাসায় হাফেজ বিভাগের ছাত্র। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পড়া না পাড়ায় গতকাল দুপুরে উপজোলার নয়াকান্দি মমতাজিয়া আছমতিয়া হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, আতিকুল ইসলাম ও তিন ছাত্র মিলে আব্দুল কাইয়ুমকে গরম আয়রন দিয়ে শরীরে ছ্যাঁকা দেন। এরপর কাইয়ুমের শরীর গরম পানিতে ঝলসে গেছে জানিয়ে বাড়িতে খবর দেওয়া হয়। গতকাল সন্ধ্যায় মা হাফেজা বেগম গিয়ে কাইয়ুমকে মাদরাসা থেকে নিয়ে আসেন। পরে কাইয়ুম পুরো ঘটনা পরিবারকে জানায়। এরপর পরিবারের সদস্যরা কাইয়ুমকে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। ভুক্তভোগীর মা হাফেজা বেগম পরে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। চান্দের চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বলেন, খবর পেয়ে সোমবার বিকেলে ঘটনাস্থলে যাই। যতটুকু শুনেছি ছাত্রদের সাজা দিতে গিয়ে কাইয়ুমকে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়েছে। হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন বলেন, খবর পেয়ে জড়িত এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।