শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘নোংরামির’ মধ্যে দলে থাকতে চাননি তামিম

টানা কয়েক মাসের কঠিন সময় পার করে নিউজিল্যান্ড সিরিজ দিয়ে ক্রিকেটে ফিরেছিলেন তামিম ইকবাল। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিংয়ের সুযোগ না হলেও দ্বিতীয় ম্যাচে খেলেছিলেন সাবলীলভাবেই। নিজের ব্যাটিং নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন তামিম। ধারণা করা হচ্ছিল বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু এর মধ্যেই ঘটে যায় নানা ঘটনা। যেটাকে ‘নোংরামি’ মনে করেছেন এই ওপেনার। আর তা থেকে দূরে থাকতেই তাকে বিশ্বকাপ দলে না রাখার অনুরোধ করেন তিনি। নানা নাটকের পর আগের দিন মঙ্গলবার রাতে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করে বিসিবি। সেই দলে শেষ পর্যন্ত রাখা হয়নি তামিমকে। তখন থেকেই নানা গুঞ্জন। নির্বাচকরা অবশ্য ইনজুরির কথা বলেছেন। তবে গতকাল বুধবার বাংলাদেশ দল দেশ ছাড়ার পর সামাজিকমাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন দেশসেরা এই ওপেনার।

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই একমাত্র ওপেনিং পজিশনেই খেলেছেন তামিম। কিন্তু এবার হুট করেই বিশ্বকাপের শুরুতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তাকে নিচের দিকে খেলাতে চায় ‘টিম ম্যানেজমেন্ট’। মূলত তাকে প্রথম ম্যাচে রাখতেই চায়নি তারা। তামিমকে ম্যানেজমেন্টের এই সব কথা জানান বিসিবির এক মুখপাত্র। আর এমন কথা শুনে ক্ষেপে যান তামিম। তবে লাইভে সেই মুখপাত্রের নাম প্রকাশ করেননি তিনি।

তবে পুরো বিষয়টা তুলে ধরেছেন তামিম, ‘৪৪ রানের ইনিংসের পর আমি একটু ব্যথা অনুভব করেছি খেলার শেষে। আসলে প্রথম ম্যাচেও আমি একটু ব্যথা অনুভব করেছি। যখন খেলা শেষ হলো তখন আমি আমার অবস্থান বললাম ফিজিওকে। ঠিক ওই সময়ে তিনজন নির্বাচক ড্রেসিংরুমে আসেন।’

‘একটা জিনিস আপনাদের আমি পরিষ্কার করতে চাই, আমি কখনো কাউকে বলিনি পাঁচটা ম্যাচের বেশি খেলব না। এই কথাটা কোনো সময় হয়নি। কাল (মঙ্গলবার) নান্নু ভাইও এই কথা নিশ্চিত করেছেন। আমি জানি না এটা কীভাবে মিডিয়াকে ফিড করা হয়েছে। আমি নান্নু ভাইকে বলেছিলাম, দেখেন আমার শরীর এরকমই থাকবে। আপনারা যখন দল নির্বাচন করবেন এই জিনিসগুলো মাথায় রেখে দল নির্বাচন করবেন।’

‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে কথাটা ফিজিওর রিপোর্টে কী ছিল। ফিজিওর রিপোর্টে বলা হয়েছে প্রথম ম্যাচের পর এমন ব্যথা হয়েছে, দ্বিতীয় ম্যাচের পর এমন ব্যথা হয়েছে। আজকের দিনের হিসেবে সে ২৬ তারিখের ম্যাচের জন্য অ্যাভেইলেবল। কিন্তু মেডিকেল বিভাগ মনে করে যদি আমি বিশ্রাম নেই, ২৭ তারিখ আমাদের ভ্রমণ ছিল। ২৯ তারিখ আমাদের একটা অনুশীলন ম্যাচ। ২ তারিখে আরেকটা। আমি যদি দ্বিতীয় অনুশীলন ম্যাচ খেলি প্রথম ম্যাচের আগে তাহলে আমি পর্যাপ্ত সময় পাব। তাহলে আমার দুই সপ্তাহর পুনর্বাসন হয়ে যাবে, সব মিলিয়ে দশ সপ্তাহ হয়ে যাবে। এটাই রিপোর্টে আছে।’

‘পাঁচ ম্যাচ, দুই ম্যাচ কোনো জায়গায় ছিল না। আমার শরীরে ব্যথা ছিল সেটা আমি অস্বীকার করছি না। সংবাদ সম্মেলনেও বলেছি। আমি ইনজুরড হইনি, ব্যথা থাকতে পারে।’

তামিম দাবি করেন, ‘এক-দুদিন পরে বোর্ডের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে একজন ফোন করলেন। তিনি বেশ সম্পৃক্ত আমাদের ক্রিকেটের সঙ্গে। উনি আমাকে ফোন করে বললেন, ‘তুমি তো বিশ্বকাপে যাবে। তোমাকে তো ম্যানেজ করে খেলতে হবে। তুমি এক কাজ কর তুমি প্রথম ম্যাচ খেল না। আফগানিস্তানের সঙ্গে।’ বললাম ভাই এটা তো এখনো ১২-১৩ দিনের পরের কথা। ১২-১৩ দিনের পর তো আমি ভালো অবস্থায় থাকব। তারপর বলল, ‘তুমি যদি খেল আমরা এরকম একটা পরিকল্পনা করছি, আলোচনা করছি তোমাকে আমরা নিচে ব্যাটিং করাব।’

‘স্বাভাবিকভাবে বুঝতে হবে আমি কোন মানসিকতা থেকে এসেছি। আমাকে যদি হুট করে এসব ধরনের কথা বলা হয়। আমার পক্ষে নেওয়া আসলে সম্ভব না। আমি ১৭ বছর ধরে এক পজিশনে ব্যাট করেছি। আমি জীবনে কোনোদিন তিন-চারে ব্যাটিং করিনি। আমি যদি তিন-চারে ব্যাট করতাম তাহলে মানিয়ে নেওয়ার মতো ছিল। আমার এরকম কোনো অভিজ্ঞতা নেই। আমি এটা ভালোভাবে নেইনি। আমি উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিলাম। আমি এটা পছন্দ করিনি। আমি মনে করেছি আমাকে জোর করে বাধা দেওয়া হয়েছে। আমি তখন, বলেছি, ‘দেখেন, আপনারা একটা কাজ করেন, আপনাদের এরকম চিন্তাধারা থাকলে আমাকে পাঠিয়েন না। আমি নোংরামির মধ্যে থাকতে চাই না।’

তামিম বলেন, ‘তারপর এই ব্যক্তির সঙ্গে আমার অনেক কথাবার্তা হয়। যেটা আমার মনে হয় না এই প্ল্যাটফর্মে বলা উচিত। এটা আমার আর তার মধ্যেই থাক। এরপর এই জিনিসটাই আমি শক্তভাবে বলেছি, যদি এমন জিনিসই হয় আমাকে দলে রাইখেন না, আমি এই নোংরামির মধ্যে থাকতে চাই না। এসব আমি মানতে পারব না।’

‘ওভারঅল আমার যেটা মনে হয়েছে, আমি জানিনা এটা ঠিক বলছি কি না, মিডিয়াকে এই সব ফিড করা… অনেকেরই অভ্যাস আছে একটা বড় জিনিস ঢাকার জন্য আরেকটা নিউজ ফিড করানো, যে সে পাঁচ ম্যাচ খেলবে তাকে কীভাবে সিলেক্ট করব। যেটা আমি বললাম এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ওই দিন তিন সিলেক্টর ছিল, ফিজিও ছিল, ট্রেইনার ছিল, আমি কী বলেছি আপনাদের কাছেই ক্লিয়ার করেছি।’

‘সবমিলিয়ে আমার মনে হয়েছে, যদি আপনি আমাকে চান তাহলে আপনি চাইবেন আমি মানসিকভাবে মুক্ত থাকি। কারণ আমি ৩-৪ মাস বাজে মাস কাটিয়ে এসেছি। এসে এখানে নতুন নতুন জিনিস বলা। আমি এটাই বলি যদি এই জিনিসটা আমাকে ভিন্নভাবে বলা হতো হয়তো আমি অন্যভাবে রিয়েক্ট করতাম, হয়তো মেনে নিতাম। কিন্তু হঠাৎ করে আপনাকে ফোন করে কেউ যদি বলে আপনি খেইলেন না, খেললেও আপনাকে নিচে খেলতে হবে। তাই আমি সন্দিহান তারা কতোটুকু সত্যি বলেছে।’

তামিম ভিডিও শেষ করেন এভাবে, ‘এর চেয়ে বেশি কিছু আর আমার বলার নাই। আপনারা ভালো থাকবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন।’ এরপর হাসতে হাসতে বলেন, ‘আর একটাই অনুরোধ করব সবাইকে, আমাকে মনে রাইখেন। ভুলে যায়েন না। ভালো থাকেন সবাই। ধন্যবাদ।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

‘নোংরামির’ মধ্যে দলে থাকতে চাননি তামিম

প্রকাশিত সময় : ১০:২০:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

টানা কয়েক মাসের কঠিন সময় পার করে নিউজিল্যান্ড সিরিজ দিয়ে ক্রিকেটে ফিরেছিলেন তামিম ইকবাল। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিংয়ের সুযোগ না হলেও দ্বিতীয় ম্যাচে খেলেছিলেন সাবলীলভাবেই। নিজের ব্যাটিং নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন তামিম। ধারণা করা হচ্ছিল বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু এর মধ্যেই ঘটে যায় নানা ঘটনা। যেটাকে ‘নোংরামি’ মনে করেছেন এই ওপেনার। আর তা থেকে দূরে থাকতেই তাকে বিশ্বকাপ দলে না রাখার অনুরোধ করেন তিনি। নানা নাটকের পর আগের দিন মঙ্গলবার রাতে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করে বিসিবি। সেই দলে শেষ পর্যন্ত রাখা হয়নি তামিমকে। তখন থেকেই নানা গুঞ্জন। নির্বাচকরা অবশ্য ইনজুরির কথা বলেছেন। তবে গতকাল বুধবার বাংলাদেশ দল দেশ ছাড়ার পর সামাজিকমাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন দেশসেরা এই ওপেনার।

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই একমাত্র ওপেনিং পজিশনেই খেলেছেন তামিম। কিন্তু এবার হুট করেই বিশ্বকাপের শুরুতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তাকে নিচের দিকে খেলাতে চায় ‘টিম ম্যানেজমেন্ট’। মূলত তাকে প্রথম ম্যাচে রাখতেই চায়নি তারা। তামিমকে ম্যানেজমেন্টের এই সব কথা জানান বিসিবির এক মুখপাত্র। আর এমন কথা শুনে ক্ষেপে যান তামিম। তবে লাইভে সেই মুখপাত্রের নাম প্রকাশ করেননি তিনি।

তবে পুরো বিষয়টা তুলে ধরেছেন তামিম, ‘৪৪ রানের ইনিংসের পর আমি একটু ব্যথা অনুভব করেছি খেলার শেষে। আসলে প্রথম ম্যাচেও আমি একটু ব্যথা অনুভব করেছি। যখন খেলা শেষ হলো তখন আমি আমার অবস্থান বললাম ফিজিওকে। ঠিক ওই সময়ে তিনজন নির্বাচক ড্রেসিংরুমে আসেন।’

‘একটা জিনিস আপনাদের আমি পরিষ্কার করতে চাই, আমি কখনো কাউকে বলিনি পাঁচটা ম্যাচের বেশি খেলব না। এই কথাটা কোনো সময় হয়নি। কাল (মঙ্গলবার) নান্নু ভাইও এই কথা নিশ্চিত করেছেন। আমি জানি না এটা কীভাবে মিডিয়াকে ফিড করা হয়েছে। আমি নান্নু ভাইকে বলেছিলাম, দেখেন আমার শরীর এরকমই থাকবে। আপনারা যখন দল নির্বাচন করবেন এই জিনিসগুলো মাথায় রেখে দল নির্বাচন করবেন।’

‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে কথাটা ফিজিওর রিপোর্টে কী ছিল। ফিজিওর রিপোর্টে বলা হয়েছে প্রথম ম্যাচের পর এমন ব্যথা হয়েছে, দ্বিতীয় ম্যাচের পর এমন ব্যথা হয়েছে। আজকের দিনের হিসেবে সে ২৬ তারিখের ম্যাচের জন্য অ্যাভেইলেবল। কিন্তু মেডিকেল বিভাগ মনে করে যদি আমি বিশ্রাম নেই, ২৭ তারিখ আমাদের ভ্রমণ ছিল। ২৯ তারিখ আমাদের একটা অনুশীলন ম্যাচ। ২ তারিখে আরেকটা। আমি যদি দ্বিতীয় অনুশীলন ম্যাচ খেলি প্রথম ম্যাচের আগে তাহলে আমি পর্যাপ্ত সময় পাব। তাহলে আমার দুই সপ্তাহর পুনর্বাসন হয়ে যাবে, সব মিলিয়ে দশ সপ্তাহ হয়ে যাবে। এটাই রিপোর্টে আছে।’

‘পাঁচ ম্যাচ, দুই ম্যাচ কোনো জায়গায় ছিল না। আমার শরীরে ব্যথা ছিল সেটা আমি অস্বীকার করছি না। সংবাদ সম্মেলনেও বলেছি। আমি ইনজুরড হইনি, ব্যথা থাকতে পারে।’

তামিম দাবি করেন, ‘এক-দুদিন পরে বোর্ডের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে একজন ফোন করলেন। তিনি বেশ সম্পৃক্ত আমাদের ক্রিকেটের সঙ্গে। উনি আমাকে ফোন করে বললেন, ‘তুমি তো বিশ্বকাপে যাবে। তোমাকে তো ম্যানেজ করে খেলতে হবে। তুমি এক কাজ কর তুমি প্রথম ম্যাচ খেল না। আফগানিস্তানের সঙ্গে।’ বললাম ভাই এটা তো এখনো ১২-১৩ দিনের পরের কথা। ১২-১৩ দিনের পর তো আমি ভালো অবস্থায় থাকব। তারপর বলল, ‘তুমি যদি খেল আমরা এরকম একটা পরিকল্পনা করছি, আলোচনা করছি তোমাকে আমরা নিচে ব্যাটিং করাব।’

‘স্বাভাবিকভাবে বুঝতে হবে আমি কোন মানসিকতা থেকে এসেছি। আমাকে যদি হুট করে এসব ধরনের কথা বলা হয়। আমার পক্ষে নেওয়া আসলে সম্ভব না। আমি ১৭ বছর ধরে এক পজিশনে ব্যাট করেছি। আমি জীবনে কোনোদিন তিন-চারে ব্যাটিং করিনি। আমি যদি তিন-চারে ব্যাট করতাম তাহলে মানিয়ে নেওয়ার মতো ছিল। আমার এরকম কোনো অভিজ্ঞতা নেই। আমি এটা ভালোভাবে নেইনি। আমি উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিলাম। আমি এটা পছন্দ করিনি। আমি মনে করেছি আমাকে জোর করে বাধা দেওয়া হয়েছে। আমি তখন, বলেছি, ‘দেখেন, আপনারা একটা কাজ করেন, আপনাদের এরকম চিন্তাধারা থাকলে আমাকে পাঠিয়েন না। আমি নোংরামির মধ্যে থাকতে চাই না।’

তামিম বলেন, ‘তারপর এই ব্যক্তির সঙ্গে আমার অনেক কথাবার্তা হয়। যেটা আমার মনে হয় না এই প্ল্যাটফর্মে বলা উচিত। এটা আমার আর তার মধ্যেই থাক। এরপর এই জিনিসটাই আমি শক্তভাবে বলেছি, যদি এমন জিনিসই হয় আমাকে দলে রাইখেন না, আমি এই নোংরামির মধ্যে থাকতে চাই না। এসব আমি মানতে পারব না।’

‘ওভারঅল আমার যেটা মনে হয়েছে, আমি জানিনা এটা ঠিক বলছি কি না, মিডিয়াকে এই সব ফিড করা… অনেকেরই অভ্যাস আছে একটা বড় জিনিস ঢাকার জন্য আরেকটা নিউজ ফিড করানো, যে সে পাঁচ ম্যাচ খেলবে তাকে কীভাবে সিলেক্ট করব। যেটা আমি বললাম এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ওই দিন তিন সিলেক্টর ছিল, ফিজিও ছিল, ট্রেইনার ছিল, আমি কী বলেছি আপনাদের কাছেই ক্লিয়ার করেছি।’

‘সবমিলিয়ে আমার মনে হয়েছে, যদি আপনি আমাকে চান তাহলে আপনি চাইবেন আমি মানসিকভাবে মুক্ত থাকি। কারণ আমি ৩-৪ মাস বাজে মাস কাটিয়ে এসেছি। এসে এখানে নতুন নতুন জিনিস বলা। আমি এটাই বলি যদি এই জিনিসটা আমাকে ভিন্নভাবে বলা হতো হয়তো আমি অন্যভাবে রিয়েক্ট করতাম, হয়তো মেনে নিতাম। কিন্তু হঠাৎ করে আপনাকে ফোন করে কেউ যদি বলে আপনি খেইলেন না, খেললেও আপনাকে নিচে খেলতে হবে। তাই আমি সন্দিহান তারা কতোটুকু সত্যি বলেছে।’

তামিম ভিডিও শেষ করেন এভাবে, ‘এর চেয়ে বেশি কিছু আর আমার বলার নাই। আপনারা ভালো থাকবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন।’ এরপর হাসতে হাসতে বলেন, ‘আর একটাই অনুরোধ করব সবাইকে, আমাকে মনে রাইখেন। ভুলে যায়েন না। ভালো থাকেন সবাই। ধন্যবাদ।’