শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘বিশ্বকাপে তামিমকে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী’

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে গত জুলাইয়ে অনেকটা অভিমান করে অবসর নেন তামিম ইকবাল। তার হঠাৎ অবসরে চমকে যায়া পুরো দেশ। সেই ঘটনার পরদিন তামিমকে গণভবনে ঢেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, তামিম যেন বিশ্বকাপে খেলে। প্রধানমন্ত্রীর সেই মনোভাব প্রকাশের পর তামিমের বিশ্বকাপ দলে থাকা নিয়ে কোনো আলোচনারই প্রয়োজন ছিল না। এমনটি বলছেন সাবেক সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। মাশরাফি বলেন, ‘তামিম পরিষ্কারভাবে বুঝেশুনে অবসরে গেছে। তারপরে কী হলো। বোর্ডের কেউ তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিল না। একপর্যায়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত জিনিসটা গড়িয়ে গেল। প্রধানমন্ত্রী তামিমকে ডেকে অনেকক্ষণ কথা বলেছেন। প্রায় দেড়–দুই ঘণ্টার মতো। এবং শেষমেশ যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চেয়েছেন তামিম যেন বিশ্বকাপে খেলে। তামিম পরে মিডিয়ায় বলেছে “প্রধানমন্ত্রী আমাকে খেলতে বলেছেন। এরপরে আর কোনো কথা নেই। আমি অবশ্যই খেলব। ”’ মাশরাফ আরও বলেন, ‘যে জিনিসটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত গড়াল, সেই জিনিস নিয়ে আমার কাছে মনে হয় না এরপরে আর আলোচনার প্রয়োজন ছিল। যদি দলের কোনো সিদ্ধান্ত হয়ে থাকে, টিম ম্যানেজমেন্ট ভারতে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিত, যেটা করার সেটা করতো। ’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

‘বিশ্বকাপে তামিমকে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী’

প্রকাশিত সময় : ১২:২৫:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে গত জুলাইয়ে অনেকটা অভিমান করে অবসর নেন তামিম ইকবাল। তার হঠাৎ অবসরে চমকে যায়া পুরো দেশ। সেই ঘটনার পরদিন তামিমকে গণভবনে ঢেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, তামিম যেন বিশ্বকাপে খেলে। প্রধানমন্ত্রীর সেই মনোভাব প্রকাশের পর তামিমের বিশ্বকাপ দলে থাকা নিয়ে কোনো আলোচনারই প্রয়োজন ছিল না। এমনটি বলছেন সাবেক সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। মাশরাফি বলেন, ‘তামিম পরিষ্কারভাবে বুঝেশুনে অবসরে গেছে। তারপরে কী হলো। বোর্ডের কেউ তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিল না। একপর্যায়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত জিনিসটা গড়িয়ে গেল। প্রধানমন্ত্রী তামিমকে ডেকে অনেকক্ষণ কথা বলেছেন। প্রায় দেড়–দুই ঘণ্টার মতো। এবং শেষমেশ যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চেয়েছেন তামিম যেন বিশ্বকাপে খেলে। তামিম পরে মিডিয়ায় বলেছে “প্রধানমন্ত্রী আমাকে খেলতে বলেছেন। এরপরে আর কোনো কথা নেই। আমি অবশ্যই খেলব। ”’ মাশরাফ আরও বলেন, ‘যে জিনিসটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত গড়াল, সেই জিনিস নিয়ে আমার কাছে মনে হয় না এরপরে আর আলোচনার প্রয়োজন ছিল। যদি দলের কোনো সিদ্ধান্ত হয়ে থাকে, টিম ম্যানেজমেন্ট ভারতে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিত, যেটা করার সেটা করতো। ’