বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সীমান্তে সোয়া ১০ কেজি স্বর্ণসহ চোরাকারবারীর মরদেহ উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা সীমান্তে ১০ কেজি ২৬৩ গ্রাম ওজনের ৬৮টি স্বর্ণের বারসহ মিরাজ হোসেন (২২) নামে এক স্বর্ণপাচারকারীর লাশ উদ্ধার করেছে বিজিবি। রোববার বিকেলে সীমান্তের নাস্তিপুর গ্রামে মাথাভাঙ্গা নদী থেকে স্বর্ণের বারসহ লাশটি উদ্ধার করে বিজিবি-৬ সদস্যরা। চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি)পরিচালক অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল সাঈদ মোহাম্মদ জাহিদুর স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নিহত মিরাজ হোসেন নাস্তিপুর গ্রামের ইয়াসিন আলীর ছেলে। রোববার বিকাল চারটার দিকে বিজিবি খবর পায় যে দুইজন স্বর্ণ চোরাকারবারী স্বর্ণসহ সীমান্ত খুঁটি ৮০/১ –আর কাছ দিয়ে মাথাভাঙ্গা নদী পার হয়ে ভারতে যাওয়ার প্রাক্কালে একজন চোরাকারকারী ডুবে যায় এবং অপরজন নদী থেকে উঠে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পালিয়ে গেছে। পরবর্তীতে ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল সাঈদ মোহাম্মদ জাহিদুর রহমানের সার্বিক নির্দেশনায় বারাদী সীমান্ত চৌকির কমান্ডার নায়েব সুবেদার মো. জাকির হোসেন টহলদল নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে চোরাকারবারী মিরাজ হোসেনের লাশ উদ্ধার করে। নিহতের শরীরে অভিনব কায়দায় লুকানো অবস্থায় ৬৮টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বারগুলোর ওজন ১০ কেজি ২৬৩ গ্রাম বলে জানান বিজিবি কর্মকর্তা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক

সীমান্তে সোয়া ১০ কেজি স্বর্ণসহ চোরাকারবারীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত সময় : ১১:৫২:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০২৩

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা সীমান্তে ১০ কেজি ২৬৩ গ্রাম ওজনের ৬৮টি স্বর্ণের বারসহ মিরাজ হোসেন (২২) নামে এক স্বর্ণপাচারকারীর লাশ উদ্ধার করেছে বিজিবি। রোববার বিকেলে সীমান্তের নাস্তিপুর গ্রামে মাথাভাঙ্গা নদী থেকে স্বর্ণের বারসহ লাশটি উদ্ধার করে বিজিবি-৬ সদস্যরা। চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি)পরিচালক অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল সাঈদ মোহাম্মদ জাহিদুর স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নিহত মিরাজ হোসেন নাস্তিপুর গ্রামের ইয়াসিন আলীর ছেলে। রোববার বিকাল চারটার দিকে বিজিবি খবর পায় যে দুইজন স্বর্ণ চোরাকারবারী স্বর্ণসহ সীমান্ত খুঁটি ৮০/১ –আর কাছ দিয়ে মাথাভাঙ্গা নদী পার হয়ে ভারতে যাওয়ার প্রাক্কালে একজন চোরাকারকারী ডুবে যায় এবং অপরজন নদী থেকে উঠে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পালিয়ে গেছে। পরবর্তীতে ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল সাঈদ মোহাম্মদ জাহিদুর রহমানের সার্বিক নির্দেশনায় বারাদী সীমান্ত চৌকির কমান্ডার নায়েব সুবেদার মো. জাকির হোসেন টহলদল নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে চোরাকারবারী মিরাজ হোসেনের লাশ উদ্ধার করে। নিহতের শরীরে অভিনব কায়দায় লুকানো অবস্থায় ৬৮টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বারগুলোর ওজন ১০ কেজি ২৬৩ গ্রাম বলে জানান বিজিবি কর্মকর্তা।