শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রতিমা বিসর্জনে সারাদেশে বিশেষ নিরাপত্তা দেবে র‍্যাব

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেছেন, শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জনে বিশেষ নিরাপত্তা দিতে যা যা প্রয়োজন সবকিছু করা হবে। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে র‍্যাব সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেবে। সোমবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজামণ্ডপে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিয়মিত পরিদর্শনের অংশ হিসেবে র‍্যাব ফোর্সেসের অতিরিক্ত মহাপরিচালকসহ (অপারেশন্স) অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজামণ্ডপ গৃহীত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন। কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, প্রতিমা বিসর্জনসহ এখনও যতটুকু সময় আছে এ সময়ে সারাদেশে যারাই বিশেষ নিরাপত্তা চাইবে তা র‍্যাব দেবে। তিনি বলেন, গত ১৬ অক্টোবর থেকে র‍্যাব বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সারাদেশে ৩২ হাজারের বেশি পূজা মণ্ডপে ৪ হাজারের বেশি সাদা পোশাক ও ইউনিফর্মে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। র‍্যাবের স্পেশাল বাহিনী, ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করছি। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাবের স্পেশাল ফোর্স ও হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানান মঈন। তিনি বলেন, দুর্গাপূজায় এখন পর্যন্ত সফলভাবে র‍্যাব দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হয়েছে র‍্যাব। দেশের প্রতিটি এলাকায় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। ব্যাটালিয়নের ইউনিট প্রধানরা পূজার নিরাপত্তা পরিদর্শনে যাচ্ছেন। র‍্যাব সদর দপ্তর থেকে এলাকাভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এক শ্রেণির স্বার্থান্বেষী মহল গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করে। তাদের আইনের আওতায় আনতে র‍্যাবের সাইবার ইউনিট কাজ করছে। এখন পর্যন্ত জঙ্গি বা নাশকতার হামলার আশঙ্কা নেই জানিয়ে কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা রোধে কাজ চলছে। নারী দর্শনার্থীরা ইভটিজিং কিংবা হেনস্তার শিকার না হয় সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারি চলমান। আগামী ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। বিগত সময়ে দেখেছি বিভিন্ন দল তাদের কর্মসূচি পালন করে আসছে। ‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’ এ মূলমন্ত্রকে লালন করে দেশের জনগণ ও রাষ্ট্রের সম্পদের নিরাপত্তার জন্য কাজ করে যাবে র‍্যাব। এ বিষয়ে গোয়েন্দা তৎপরতা চলমান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রতিমা বিসর্জনে সারাদেশে বিশেষ নিরাপত্তা দেবে র‍্যাব

প্রকাশিত সময় : ০৪:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৩

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেছেন, শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জনে বিশেষ নিরাপত্তা দিতে যা যা প্রয়োজন সবকিছু করা হবে। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে র‍্যাব সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেবে। সোমবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজামণ্ডপে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিয়মিত পরিদর্শনের অংশ হিসেবে র‍্যাব ফোর্সেসের অতিরিক্ত মহাপরিচালকসহ (অপারেশন্স) অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজামণ্ডপ গৃহীত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন। কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, প্রতিমা বিসর্জনসহ এখনও যতটুকু সময় আছে এ সময়ে সারাদেশে যারাই বিশেষ নিরাপত্তা চাইবে তা র‍্যাব দেবে। তিনি বলেন, গত ১৬ অক্টোবর থেকে র‍্যাব বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সারাদেশে ৩২ হাজারের বেশি পূজা মণ্ডপে ৪ হাজারের বেশি সাদা পোশাক ও ইউনিফর্মে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। র‍্যাবের স্পেশাল বাহিনী, ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করছি। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাবের স্পেশাল ফোর্স ও হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানান মঈন। তিনি বলেন, দুর্গাপূজায় এখন পর্যন্ত সফলভাবে র‍্যাব দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হয়েছে র‍্যাব। দেশের প্রতিটি এলাকায় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। ব্যাটালিয়নের ইউনিট প্রধানরা পূজার নিরাপত্তা পরিদর্শনে যাচ্ছেন। র‍্যাব সদর দপ্তর থেকে এলাকাভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এক শ্রেণির স্বার্থান্বেষী মহল গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করে। তাদের আইনের আওতায় আনতে র‍্যাবের সাইবার ইউনিট কাজ করছে। এখন পর্যন্ত জঙ্গি বা নাশকতার হামলার আশঙ্কা নেই জানিয়ে কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা রোধে কাজ চলছে। নারী দর্শনার্থীরা ইভটিজিং কিংবা হেনস্তার শিকার না হয় সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারি চলমান। আগামী ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। বিগত সময়ে দেখেছি বিভিন্ন দল তাদের কর্মসূচি পালন করে আসছে। ‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’ এ মূলমন্ত্রকে লালন করে দেশের জনগণ ও রাষ্ট্রের সম্পদের নিরাপত্তার জন্য কাজ করে যাবে র‍্যাব। এ বিষয়ে গোয়েন্দা তৎপরতা চলমান।