শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফাঁকা স্টেডিয়ামে মোদির হাত থেকেই ট্রফি নিল অস্ট্রেলিয়া!

নিজের নামের স্টেডিয়ামে তখন দাঁড়িয়ে তিনি। পরনে নীল রঙের জ্যাকেট। সঙ্গে গেরুয়া বর্ডার দেয়া নীল উত্তরীয়। সেই পোশাক পরেই বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নদের হাতে ট্রফি তুলে দিয়েছেন তিনি। শুধু কাপটা দেয়া হল না নীল জার্সিদের। ভারতের বদলে অস্ট্রেলিয়ার হাতে ট্রফি তুলে দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

ততক্ষণে অবশ্য ১ লাখ ৩২ হাজারের স্টেডিয়াম প্রায় ফাঁকা হয়ে গেছে। ভারতের হার প্রায় নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই ফাঁকা হতে শুরু করেছিল স্টেডিয়াম। বেরিয়ে যাচ্ছিলেন ভারতীয় সমর্থকেরা। খেলা যখন শেষ হল তখন স্টেডিয়াম অনেকটাই ফাঁকা। যাঁরা ছিলেন তাঁদের মধ্যে অনেকে পুরস্কার অনুষ্ঠান পর্যন্ত অপেক্ষা করেননি। খবর: আনন্দবাজার পত্রিকার।

এদিকে খেলা শেষ হওয়ার আগেই স্টেডিয়ামে এসে উপস্থিত হন মোদী। গ্যালারিতে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। খেলা শেষে যখন প্যাট কামিন্সকে ট্রফি তুলে দেয়া হবে তখনই সঞ্চালক রবি শাস্ত্রী মোদিকে সেখানে আমন্ত্রণ জানান। সঙ্গে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস। মোদী মঞ্চে ওঠার পরে একটু চিৎকার হয়। কিন্তু তা মোদীর যে কোনও জনসভার থেকে অনেকটাই কম। মোদিও হাত নাড়েন। তারপরে ট্রফি তুলে দেন কামিন্সের হাতে। সাধারণত আইসিসির সভাপতি ট্রফি তুলে দেন জয়ী অধিনায়কের হাতে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে মোদী, রিচার্ডের হাত থেকে ট্রফি নিলেন কামিন্স।

চলতি বিশ্বকাপে ভারত যেভাবে খেলছিল তাতে বিশ্বকাপ জেতার প্রধান দাবিদার ছিল তারা। সেই কারণে ১ লাখ ৩২ হাজারের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম খেলা শুরুর আগেই ভরে গিয়েছিল। কিন্তু ফাইনালে হতাশ করেছেন ভারতীয় ক্রিকেটারেরা। ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে ব্যর্থ হয়েছে তারা। দলের হার মেনে নিতে পারেননি সমর্থকরা। তাই খেলা শেষ হওয়ার আগে ফাঁকা হয়েছে মাঠ। মোদিকেও তার সাক্ষী থাকতে হল।

ম্যাচ শেষে অবশ্য ভারতীয় ক্রিকেটারদের প্রশংসা করেছেন মোদি। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘‘গোটা প্রতিযোগিতা ধরে তোমাদের প্রতিভা ও অধ্যবসায়ের প্রশংসা করতে হয়। তোমরা খুব ভাল ক্রিকেট খেলেছে। দেশকে গর্বিত করেছ। আমরা তোমাদের পাশে আছি আর থাকব।’’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ফাঁকা স্টেডিয়ামে মোদির হাত থেকেই ট্রফি নিল অস্ট্রেলিয়া!

প্রকাশিত সময় : ১০:৫৯:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩

নিজের নামের স্টেডিয়ামে তখন দাঁড়িয়ে তিনি। পরনে নীল রঙের জ্যাকেট। সঙ্গে গেরুয়া বর্ডার দেয়া নীল উত্তরীয়। সেই পোশাক পরেই বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নদের হাতে ট্রফি তুলে দিয়েছেন তিনি। শুধু কাপটা দেয়া হল না নীল জার্সিদের। ভারতের বদলে অস্ট্রেলিয়ার হাতে ট্রফি তুলে দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

ততক্ষণে অবশ্য ১ লাখ ৩২ হাজারের স্টেডিয়াম প্রায় ফাঁকা হয়ে গেছে। ভারতের হার প্রায় নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই ফাঁকা হতে শুরু করেছিল স্টেডিয়াম। বেরিয়ে যাচ্ছিলেন ভারতীয় সমর্থকেরা। খেলা যখন শেষ হল তখন স্টেডিয়াম অনেকটাই ফাঁকা। যাঁরা ছিলেন তাঁদের মধ্যে অনেকে পুরস্কার অনুষ্ঠান পর্যন্ত অপেক্ষা করেননি। খবর: আনন্দবাজার পত্রিকার।

এদিকে খেলা শেষ হওয়ার আগেই স্টেডিয়ামে এসে উপস্থিত হন মোদী। গ্যালারিতে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। খেলা শেষে যখন প্যাট কামিন্সকে ট্রফি তুলে দেয়া হবে তখনই সঞ্চালক রবি শাস্ত্রী মোদিকে সেখানে আমন্ত্রণ জানান। সঙ্গে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস। মোদী মঞ্চে ওঠার পরে একটু চিৎকার হয়। কিন্তু তা মোদীর যে কোনও জনসভার থেকে অনেকটাই কম। মোদিও হাত নাড়েন। তারপরে ট্রফি তুলে দেন কামিন্সের হাতে। সাধারণত আইসিসির সভাপতি ট্রফি তুলে দেন জয়ী অধিনায়কের হাতে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে মোদী, রিচার্ডের হাত থেকে ট্রফি নিলেন কামিন্স।

চলতি বিশ্বকাপে ভারত যেভাবে খেলছিল তাতে বিশ্বকাপ জেতার প্রধান দাবিদার ছিল তারা। সেই কারণে ১ লাখ ৩২ হাজারের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম খেলা শুরুর আগেই ভরে গিয়েছিল। কিন্তু ফাইনালে হতাশ করেছেন ভারতীয় ক্রিকেটারেরা। ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে ব্যর্থ হয়েছে তারা। দলের হার মেনে নিতে পারেননি সমর্থকরা। তাই খেলা শেষ হওয়ার আগে ফাঁকা হয়েছে মাঠ। মোদিকেও তার সাক্ষী থাকতে হল।

ম্যাচ শেষে অবশ্য ভারতীয় ক্রিকেটারদের প্রশংসা করেছেন মোদি। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘‘গোটা প্রতিযোগিতা ধরে তোমাদের প্রতিভা ও অধ্যবসায়ের প্রশংসা করতে হয়। তোমরা খুব ভাল ক্রিকেট খেলেছে। দেশকে গর্বিত করেছ। আমরা তোমাদের পাশে আছি আর থাকব।’’