শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মারাকানায় পুলিশের লাঠিচার্জ, যা বললেন মেসি

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সালের আসরের দক্ষিণ আমেরিকান অঞ্চলের বাছাইয়ে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচটি নির্দিষ্ট সময়ে মাঠে গড়ায়নি দুই দলের সমর্থকদের হাতাহাতির কারণে। গ্যালারিতে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জও করে। এই ঘটনার প্রতিবাদে দল নিয়ে মাঠ ত্যাগ করেন মেসি। ৩০ মিনিট পরই অবশ্য খেলা শুরু হয়।

ম্যাচশেষে এই ঘটনা নিয়ে মেসিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। জবাবে নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিলেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক, ‘আমরা দেখেছি পুলিশ কিভাবে মানুষের ওপর চড়াও হচ্ছিল। আমাদের পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যও ওখানে ছিল। কোপা লিবার্তাদোরেসের ফাইনালেও একই কাজ করেছে তারা (ব্রাজিলের পুলিশ)। মাঠে খেলার চেয়ে সেসবেই তাদের মনোযোগ বেশি থাকে।’

এরপরও কেন আর্জেন্টিনা মাঠে নেমেছিল? জবাবে মেসি জানিয়েছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গ্যালারিতে পরিস্থিতি খারাপ হতো। তাই পরিস্থিতি শান্ত করতেই তারা মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। মেসির ভাষ্য, ‘আমরা একটা পরিবার। পরিস্থিতি শান্ত করতেই আমরা ফের মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’

ম্যাচে অবশ্য শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাই জিতেছে। মাঠেও দুই দলের উত্তেজনা ছড়ানো ম্যাচের খেলার ধারার বিপরীতে ৬৩তম মিনিটে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। কর্নার থেকে লো সেলসোর উড়ে আসা বলে দারুণ এক হেডে আলিসন বেকারকে পরাস্ত করেন বক্সে অরক্ষিত থাকা নিকোলাস ওতামেন্ডি।

এই জয়ে আবারও পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষস্থান দখল করলো আর্জেন্টিনা। ৭ ম্যাচে ৬ জয় ১ হারে তাদের পয়েন্ট ১৮। এক ম্যাচ কম খেলে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে নেমে গেছে উরুগুয়ে। ৬ ম্যাচে ২ জয় ৩ হার ও ১ ড্রতে ৭ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার ছয়ে আছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মারাকানায় পুলিশের লাঠিচার্জ, যা বললেন মেসি

প্রকাশিত সময় : ১১:১১:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০২৩

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সালের আসরের দক্ষিণ আমেরিকান অঞ্চলের বাছাইয়ে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচটি নির্দিষ্ট সময়ে মাঠে গড়ায়নি দুই দলের সমর্থকদের হাতাহাতির কারণে। গ্যালারিতে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জও করে। এই ঘটনার প্রতিবাদে দল নিয়ে মাঠ ত্যাগ করেন মেসি। ৩০ মিনিট পরই অবশ্য খেলা শুরু হয়।

ম্যাচশেষে এই ঘটনা নিয়ে মেসিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। জবাবে নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিলেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক, ‘আমরা দেখেছি পুলিশ কিভাবে মানুষের ওপর চড়াও হচ্ছিল। আমাদের পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যও ওখানে ছিল। কোপা লিবার্তাদোরেসের ফাইনালেও একই কাজ করেছে তারা (ব্রাজিলের পুলিশ)। মাঠে খেলার চেয়ে সেসবেই তাদের মনোযোগ বেশি থাকে।’

এরপরও কেন আর্জেন্টিনা মাঠে নেমেছিল? জবাবে মেসি জানিয়েছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গ্যালারিতে পরিস্থিতি খারাপ হতো। তাই পরিস্থিতি শান্ত করতেই তারা মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। মেসির ভাষ্য, ‘আমরা একটা পরিবার। পরিস্থিতি শান্ত করতেই আমরা ফের মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’

ম্যাচে অবশ্য শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাই জিতেছে। মাঠেও দুই দলের উত্তেজনা ছড়ানো ম্যাচের খেলার ধারার বিপরীতে ৬৩তম মিনিটে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। কর্নার থেকে লো সেলসোর উড়ে আসা বলে দারুণ এক হেডে আলিসন বেকারকে পরাস্ত করেন বক্সে অরক্ষিত থাকা নিকোলাস ওতামেন্ডি।

এই জয়ে আবারও পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষস্থান দখল করলো আর্জেন্টিনা। ৭ ম্যাচে ৬ জয় ১ হারে তাদের পয়েন্ট ১৮। এক ম্যাচ কম খেলে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে নেমে গেছে উরুগুয়ে। ৬ ম্যাচে ২ জয় ৩ হার ও ১ ড্রতে ৭ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার ছয়ে আছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।