মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে রাবি শিক্ষক বরখাস্ত

মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসার মাধ্যমে প্রতারণা করে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক জুলফিকার আহম্মদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ১৪ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫২৬তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে আজ সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আবদুস সালাম জানান, এ বিষয়ে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসায় প্রতারণার অভিযোগে ২০১৩ সালের মে মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪৮তম সিন্ডিকেট সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। কিন্তু ওই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়নি।

কয়েকবছর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য আনন্দ কুমার সাহা ওই একই অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আইন বিভাগের অধ্যাপক জুলফিকার আহম্মদ এমএলএম ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তিনি প্রতারণা করে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। নিয়ম বহির্ভূতভাবে দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে একই সময়ে পূর্ণকালীন চাকরি করেছেন। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত সিন্ডিকেট সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলামকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবদুস সালাম বলেন, ‘আগের একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ৫২৬তম সিন্ডিকেট সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেবে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে রাবি শিক্ষক বরখাস্ত

প্রকাশিত সময় : ১১:১৪:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৩

মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসার মাধ্যমে প্রতারণা করে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক জুলফিকার আহম্মদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ১৪ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫২৬তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে আজ সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আবদুস সালাম জানান, এ বিষয়ে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসায় প্রতারণার অভিযোগে ২০১৩ সালের মে মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪৮তম সিন্ডিকেট সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। কিন্তু ওই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়নি।

কয়েকবছর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য আনন্দ কুমার সাহা ওই একই অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আইন বিভাগের অধ্যাপক জুলফিকার আহম্মদ এমএলএম ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তিনি প্রতারণা করে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। নিয়ম বহির্ভূতভাবে দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে একই সময়ে পূর্ণকালীন চাকরি করেছেন। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত সিন্ডিকেট সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলামকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবদুস সালাম বলেন, ‘আগের একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ৫২৬তম সিন্ডিকেট সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেবে।’