বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাবির শহীদ শামসুজ্জোহা হলের কক্ষে শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ফুয়াদ আল খতিব নামের এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। অচেতন অবস্থায় হল কক্ষ থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। রবিবার (১০ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রাধ্যক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ফুয়াদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী এবং শহীদ শামসুজ্জোহা হলের ১৮৪ নম্বর কক্ষের আবাসিক ছাত্র।

এ বিষয়ে প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক একরামুল ইসলাম জানান, গত শনিবার রাতে বাড়ি থেকে ফিরে হল কক্ষে অবস্থান করছিলেন ফুয়াদ। কিন্তু দুপুর পর্যন্ত কক্ষ থেকে বের না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাকে ডাকেন এবং কক্ষে প্রবেশ করেন। তার দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল না। ভিতরে প্রবেশ করে অচেতন অবস্থায় পেয়ে আমাকে জানায়। তখন আমি ঘটনাস্থলে যাই এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মৃত শিক্ষার্থী ফুয়াদের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়। তার পিতার নাম আমিনুল ইসলাম। ৯ ডিসেম্বর রাতে প্রাইমারী নিবন্ধন পরীক্ষা শেষ করে বাড়ি থেকে ফিরেছেন তিনি। তারপর থেকে কক্ষেই ঘুমাচ্ছিলেন। দুপুর ৩টার দিকে তাকে ডাকাডাকি করে কোন সাঁড়া শব্দ না পেলে কিছু শিক্ষার্থী কক্ষে প্রবেশ করেন এবং অচেতন অবস্থায় পান। তখন তার মুখ দিয়ে রক্ত সদৃশ লালা পড়ছিল। তিনি হলে সিঙ্গেল কক্ষে থাকতেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রাবির শহীদ শামসুজ্জোহা হলের কক্ষে শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু

প্রকাশিত সময় : ১১:১০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ফুয়াদ আল খতিব নামের এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। অচেতন অবস্থায় হল কক্ষ থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। রবিবার (১০ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রাধ্যক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ফুয়াদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী এবং শহীদ শামসুজ্জোহা হলের ১৮৪ নম্বর কক্ষের আবাসিক ছাত্র।

এ বিষয়ে প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক একরামুল ইসলাম জানান, গত শনিবার রাতে বাড়ি থেকে ফিরে হল কক্ষে অবস্থান করছিলেন ফুয়াদ। কিন্তু দুপুর পর্যন্ত কক্ষ থেকে বের না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাকে ডাকেন এবং কক্ষে প্রবেশ করেন। তার দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল না। ভিতরে প্রবেশ করে অচেতন অবস্থায় পেয়ে আমাকে জানায়। তখন আমি ঘটনাস্থলে যাই এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মৃত শিক্ষার্থী ফুয়াদের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়। তার পিতার নাম আমিনুল ইসলাম। ৯ ডিসেম্বর রাতে প্রাইমারী নিবন্ধন পরীক্ষা শেষ করে বাড়ি থেকে ফিরেছেন তিনি। তারপর থেকে কক্ষেই ঘুমাচ্ছিলেন। দুপুর ৩টার দিকে তাকে ডাকাডাকি করে কোন সাঁড়া শব্দ না পেলে কিছু শিক্ষার্থী কক্ষে প্রবেশ করেন এবং অচেতন অবস্থায় পান। তখন তার মুখ দিয়ে রক্ত সদৃশ লালা পড়ছিল। তিনি হলে সিঙ্গেল কক্ষে থাকতেন।