বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পিঠা উৎসবে মেতেছে বশেমুরবিপ্রবি’র বাংলা বিভাগ

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) বাংলা বিভাগের উদ্যোগে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় র‍্যালির মধ্যে দিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদর্শন করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। র‍্যালি শেষে উৎসবের উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. একিউএম মাহবুব।

‘বাংলার পিঠা জমবে শীতে, পিঠাপুলির মহোৎসবে’ এই স্লোগানকে ধারণ করে প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও শীতকালীন পিঠাপুলির আয়োজন করা হয়েছে। মেলা উপলক্ষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ১৬টি স্টল দেয়া হয়েছে। আয়োজনে থাকছে দেশি-বিদেশি হরেক রকম পিঠা। উৎসবে উল্লেখযোগ্য পিঠার মধ্যে রয়েছে পাকসোস,বিস্কুট পিঠা,ভাজাপুলি, পাকসোস,ঝিনুকপিঠা,বরফি,পুডিং,জামাইপিঠা, রসপান পিঠা,ভাপা পুলি, পুডিং, ক্ষীর পাটিসাপটা, গোলাপ পিঠা, ক্ষীর সন্দেশ, ক্ষীর মালাই, পায়েস, ফিতামুং, বরাপিদে, হলা পিদে, বিনি পিদে ইত্যাদি। পিঠা উৎসব কমিটির সদস্য সচিব দীপংকর কর্মকার বলেন,প্রতিবছরের ন্যায় ১৪৩০ উপলক্ষে বাংলা বিভাগ তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পিঠা উৎসবের আয়োজন করে। উৎসবকে কেন্দ্র করে তন্বী সাহাকে আহবায়ক ও দীপংকর কর্মকারকে সদস্য সচিব করে ১৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং কমিটি সকল কার্যক্রম তদারকি করছে। এবারের আয়োজনে ছয়টি ব্যাচের প্রত্যেকটিকে দুটি করে স্টল দেয়া হয়েছে। নিজস্ব স্টলও দিয়েছে দুই শিক্ষার্থী।

এছাড়া আদিবাসী শিক্ষার্থীরাও তাদের ঐতিহ্যবাহী পিঠা ও খাবার প্রদর্শন করছে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা না দিলে আমাদের পিঠা উৎসবটি রাত নয়টা পর্যন্ত চলমান থাকবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পিঠা উৎসবে মেতেছে বশেমুরবিপ্রবি’র বাংলা বিভাগ

প্রকাশিত সময় : ০৯:৪৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) বাংলা বিভাগের উদ্যোগে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় র‍্যালির মধ্যে দিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদর্শন করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। র‍্যালি শেষে উৎসবের উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. একিউএম মাহবুব।

‘বাংলার পিঠা জমবে শীতে, পিঠাপুলির মহোৎসবে’ এই স্লোগানকে ধারণ করে প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও শীতকালীন পিঠাপুলির আয়োজন করা হয়েছে। মেলা উপলক্ষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ১৬টি স্টল দেয়া হয়েছে। আয়োজনে থাকছে দেশি-বিদেশি হরেক রকম পিঠা। উৎসবে উল্লেখযোগ্য পিঠার মধ্যে রয়েছে পাকসোস,বিস্কুট পিঠা,ভাজাপুলি, পাকসোস,ঝিনুকপিঠা,বরফি,পুডিং,জামাইপিঠা, রসপান পিঠা,ভাপা পুলি, পুডিং, ক্ষীর পাটিসাপটা, গোলাপ পিঠা, ক্ষীর সন্দেশ, ক্ষীর মালাই, পায়েস, ফিতামুং, বরাপিদে, হলা পিদে, বিনি পিদে ইত্যাদি। পিঠা উৎসব কমিটির সদস্য সচিব দীপংকর কর্মকার বলেন,প্রতিবছরের ন্যায় ১৪৩০ উপলক্ষে বাংলা বিভাগ তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পিঠা উৎসবের আয়োজন করে। উৎসবকে কেন্দ্র করে তন্বী সাহাকে আহবায়ক ও দীপংকর কর্মকারকে সদস্য সচিব করে ১৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং কমিটি সকল কার্যক্রম তদারকি করছে। এবারের আয়োজনে ছয়টি ব্যাচের প্রত্যেকটিকে দুটি করে স্টল দেয়া হয়েছে। নিজস্ব স্টলও দিয়েছে দুই শিক্ষার্থী।

এছাড়া আদিবাসী শিক্ষার্থীরাও তাদের ঐতিহ্যবাহী পিঠা ও খাবার প্রদর্শন করছে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা না দিলে আমাদের পিঠা উৎসবটি রাত নয়টা পর্যন্ত চলমান থাকবে।