বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির প্রমাণ মিলেছে

বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। এর ভিত্তিতে বিষয়টিকে তদন্তের জন্য হাইকোর্ট নির্দেশিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় যৌন নিপীড়নবিরোধী সেলে পাঠানো হয়েছে।

যৌন নিপীড়নবিরোধী সেলকে আগামী তিন মাসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। অধ্যাপক নুরুল ইসলামকে এই সময় (তিন মাস) সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

গত ১১ নভেম্বর এক নারী শিক্ষার্থীকে রুমে ডেকে নিয়ে যৌন নিপীড়ন ও আপত্তিকর স্থানে স্পর্শ করার অভিযোগ ওঠে সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। বিষয়টি উল্লেখ করে ২৮ নভেম্বর উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন ওই নারী শিক্ষার্থী।

এ অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে গত বছরের ৩০ নভেম্বর সিন্ডিকেটের এক সভায় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়। আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন ড. সীমা জামানকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয়। কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন- গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান এবং সিন্ডিকেট সদস্য ড. আবুল মনসুর আহাম্মদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সঞ্চিতা গুহ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ঢাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির প্রমাণ মিলেছে

প্রকাশিত সময় : ১২:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৪

বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। এর ভিত্তিতে বিষয়টিকে তদন্তের জন্য হাইকোর্ট নির্দেশিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় যৌন নিপীড়নবিরোধী সেলে পাঠানো হয়েছে।

যৌন নিপীড়নবিরোধী সেলকে আগামী তিন মাসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। অধ্যাপক নুরুল ইসলামকে এই সময় (তিন মাস) সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

গত ১১ নভেম্বর এক নারী শিক্ষার্থীকে রুমে ডেকে নিয়ে যৌন নিপীড়ন ও আপত্তিকর স্থানে স্পর্শ করার অভিযোগ ওঠে সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। বিষয়টি উল্লেখ করে ২৮ নভেম্বর উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন ওই নারী শিক্ষার্থী।

এ অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে গত বছরের ৩০ নভেম্বর সিন্ডিকেটের এক সভায় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়। আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন ড. সীমা জামানকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয়। কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন- গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান এবং সিন্ডিকেট সদস্য ড. আবুল মনসুর আহাম্মদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সঞ্চিতা গুহ।