৭ জানুয়ারী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীবাসী ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জনিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা, সাবেক মেয়র ও এমপি মিজানুর রহমান মিনু। কেন্দ্রেীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী মহানগর ও জেলা বিএনপির উদ্যোগে শুভেচ্ছা লিফলেট বিতরণকালে তিনি এ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
সাধারণ জনগণ ভোট বর্জন করায় বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও ধন্যবাদ জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করে মিনু বলেন, ৭ জানুয়ারীর নির্বাচন পৃথিবীর কাছে হাস্যকর নির্বাচন হিসাবে গন্য হয়েছে। এ অবৈধ সরকারের ডামি নির্বাচনে জনগণ অংশ নেন নি। জনগণ সর্বাত্মকভাবে ভোট বর্জন করে কেন্দ্রে যায়নি। কারণ এটি ছিল সরকারের ভাগটোয়ারার নির্বাচন। তিনি বলেন, বিএনপির আহ্বানে সাড়া দিয়ে রাজশাহীবাসিও ভোট কেন্দ্রে যায়নি। এতে সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীতেও সর্বনিম্ন ভোট পড়েছে। এটা জনতার বিজয়, এটা বিএনপির বিজয়। আমরা মাতৃভুমি রক্ষা ও জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য সর্বদায় প্রস্তত আছি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে মিনু বলেন, সরকার বলছে চীন ও রাশিয়া তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছে, এটি আদৌ সত্য নয়। কারণ চীন ও রাশিয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নয়। রাশিয়া ও চীন রাজতন্ত্র বা একনায়কতন্ত্রের দেশ। এমনকি ভারতও এ অবৈধ নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারকে শুভেচ্ছা জানায় নি। সারাবিশ^ গত ৭ জানুয়ারীর নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা জাতি এ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে। অবৈধ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এ সরকার এক দলীয় বাকশালের রুপ সৃষ্টি করেছে। অবৈধ এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যারা এসেছে তারা দেশে বাকশাল কায়েম করতে চায়। জনগণের জন্য আমরা আন্দোলনের নবযাত্রা শুরু করছি। আমরা বেঁচে থাকতে বাংলাদেশে বাকশাল কায়েম করতে দেয়া হবে না। আমরা নতুনভাবে আন্দোলন করবো। এই আন্দোলনের মধ্যদিয়ে এ অবৈধ সরকারকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করবো।
তিনি বলেন, আমেরিকা, ইউরোপিন ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্য বাংলাদেশে কোন পর্যবেক্ষক পাঠাননি। যারা বাংলাদেশে এসেছেন তারা নিজ দায়িত্বে এসেছেন। আর ঐ সকল পর্যটকের বিবৃতি তাদের নিজের, সে দেশের নয়। তিনি আরো বলেন, এই নির্বাচনে ১০-১২ভাগ ভোটও পড়েনি, সেখানে সাজানো গোছানো নির্বাচন কমিশন ৪১.৮ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে বিবৃতি দিয়েছে। যা মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়। এই নির্বাচন দেশবাসী মানে না। বক্তব্য শেষে তিনি উপস্থিত সকল নেতাকর্মী ও মমর্থকদের নিয়ে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা লিফলেঠ বিতরণ করেন। মহানগর বিএনপির কার্যালয় থেকে লিফলেট বিতরণ শুরু হয়ে সোনাদিঘী মোড় দিয়ে জিরোপয়েন্ট থেকে গনকপাড়া মোড়ে শেষ হয়
রাজশাহী মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা’র সভাপতিত্বে বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও রাসিক সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি এডভোকেট তোফাজ্জাল হোসেন তপু, রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল হুদা, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক বিশ্বনাথ সরকার, মহানগর বিএনপি’র সদস্য সচিব মামুন অর রশিদ মামুন, যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন, শফিকুল হক শাফিক, বজলুল হক মন্টু, জেলা বিএনপি’র সদস্য রায়হানুল আলম রায়হান ও গোলাম মোস্তফা মামুন, মহানগর বিএনপি’র সদস্য আলাউদ্দিন ও গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম।
আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম কুসুম, রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন রিমন, বর্তমান আহ্বায়ক মীর খালেদ, সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান লিটন ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরফিন কনক, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনন্দ কুমার মন্ডল, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটি রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাজশাহী জেলা কৃষক দলের সাবেক আহ্বায়ক আল-আমিন সরকার টিটু, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক শফিকুল আলম সমাপ্ত।
এছাড়াও জিয়া পরিষদ রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক প্রফেসর আকতার, রাজশাহী মহানগর মহিলা দলের সভাপতি এডভোকেট রওশন আরা পপি, সাধারণ সম্পাদক অ্যধ্যাপিকা সকিনা খাতুন, নারী নেত্রী এডভোকেপ সিফাত আরা তুলি, জরিনা, ডেইজ ও লাবনী, মহানগর তাঁতী দলের আহ্বায়ক আরিফুল শেখ বনি ও রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি আকবর আলী জ্যাকিসহ রাজশাহী জেলা ও মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

রিপোর্টারের নাম 
























