সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জানা গেল শবেমেরাজের তারিখ

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামী রোববার (১৪ জানুয়ারি) থেকে ১৪৪৫ হিজরি বর্ষের পবিত্র রজব মাস গণনা করা হবে। এ প্রেক্ষিতে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দিনগত রাতে পবিত্র শবেমেরাজ পালিত হবে। শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো. নায়েব আলী মন্ডল। সভায় ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়গুলো, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূরঅনুধাবন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। বিশ্বনবি (সা.) নবুওয়াত লাভের একাদশ বর্ষের রজব মাসের ২৬ তারিখ রাতে আল্লাহর বিশেষ মেহমান হিসেবে আরশে আজিমে আরোহণ করেন। তিনি আল্লাহ তায়ালার দিদার লাভ করেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের হুকুম নিয়ে দুনিয়ায় প্রত্যাবর্তন করেন। মুহাম্মদ (সা.) ছাড়া অন্য কোনো নবি এ পরম সৌভাগ্য লাভ করতে পারেননি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ বারের মতো হাল্ট প্রাইজ’র গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত

জানা গেল শবেমেরাজের তারিখ

প্রকাশিত সময় : ০৮:১৮:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৪

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামী রোববার (১৪ জানুয়ারি) থেকে ১৪৪৫ হিজরি বর্ষের পবিত্র রজব মাস গণনা করা হবে। এ প্রেক্ষিতে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দিনগত রাতে পবিত্র শবেমেরাজ পালিত হবে। শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো. নায়েব আলী মন্ডল। সভায় ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়গুলো, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূরঅনুধাবন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। বিশ্বনবি (সা.) নবুওয়াত লাভের একাদশ বর্ষের রজব মাসের ২৬ তারিখ রাতে আল্লাহর বিশেষ মেহমান হিসেবে আরশে আজিমে আরোহণ করেন। তিনি আল্লাহ তায়ালার দিদার লাভ করেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের হুকুম নিয়ে দুনিয়ায় প্রত্যাবর্তন করেন। মুহাম্মদ (সা.) ছাড়া অন্য কোনো নবি এ পরম সৌভাগ্য লাভ করতে পারেননি।