শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিচ্ছেদের পথেই হাঁটছেন সানিয়া-শোয়েব জুটি?

পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের সঙ্গে সানিয়া মির্জার বিচ্ছেদ নিয়ে গুঞ্জন ২০২২ সালে ধরেই উপমহাদেশের আকাশে হাওয়া বইছে। সে সময় সানিয়া মির্জা ও শোয়েবের বিবাহিত জীবনে অশান্তি চলছে এবং শিগগিরই তারা বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন- প্রতিনিয়ত এমন নানা শিরোনাম উঠে এসেছে গণমাধ্যমে। বেশ কিছু দিন সব চুপচাপ থাকার পর ফের আলোচনায় সানিয়া ও মালিক। এবার তাদের বিচ্ছেদের জল্পনা হচ্ছে আরো তীব্র।

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে,  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শোয়েবের সব ছবি মুছে দিয়েছেন ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া। তবে তার প্রফাইলে একটি ছবি রয়েছে তাদের। সেখানে সানিয়া এবং শোয়েবের সঙ্গে তাদের ছেলে ইজহান রয়েছেন। প্রতিবেদনটিতে এমনটি জানায়। এছাড়া জানা যায়, সেই ছবির ক্যাপশনে শোয়েবের বিশেষ নামোল্লেখ নেই। ইজহানের জন্মদিন উপলক্ষে সেই ছবিটি পোস্ট করেছিলেন ভারতীয় টেনিস তারকা।

 

এদিকে শোয়েব মালিকের সাথে বিবাহবিচ্ছেদের খবরের মধ্যে, সানিয়া সম্প্রতি একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলেন যাতে লেখা ছিল, ‘যখন কিছু আপনার হৃদয়ের শান্তি নষ্ট করে, তখন সেটাকে ছেড়ে দিতে হয়।’ এতে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ নিয়ে আরও হাওয়া বইছে নেটিজেনদের মধ্যে।২০২২ সাল থেকেই এই দুই তারকাকে নিয়ে চলছে জল্পনা। দুই জনই বিভিন্ন কাজে, আকারে-ইঙ্গিতে একে অপরের সঙ্গে দূরত্ব তারা বুঝিয়ে দিয়েছেন। এ বারের কাজ আবার তাদের শিরোনামে এনে ফেলেছে। ইদানিং শোয়েবের সম্পর্কে কোথাও কোনও কথা বলেননি সানিয়া। অন্যদিকে শোয়েবও সানিয়াকে নিয়ে মুখ খোলেননি। ধীরে ধীরে বিচ্ছেদের জল্পনা আরও জোরদার হচ্ছে।

এদিকে শোয়েবের ইনস্টাগ্রাম বায়োতে লেখা থাকত সানিয়ার স্বামী হিসাবে কিছু দিন আগ পর্যন্ত। এর পর নিজেকে একজন ‘সুপারউওম্যান’-এর স্বামী হিসেবেও উল্লেখ করেছিলেন শোয়েব। সেই বাক্য সরিয়ে নিয়েছেন। এমনকি তার ইনস্টাগ্রামেও সানিয়ার ছবি খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে ছেলে ই‌জহানের সঙ্গে অনেক ছবি রয়েছে শোয়েবের।

 

এক সাক্ষাতকারে কিছু দিন আগে সানিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে শোয়েবকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। সেখানে তিনি মজা করে বলেছিলেন, ‌‘অনেকেই তো বলছে আমাদের সম্পর্ক নাকি ভাল নেই। আপনাদের কী মনে হয়?’ তারপরেও চর্চা থামেনি। বরং এ বার তা আরও প্রকট হল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বিচ্ছেদের পথেই হাঁটছেন সানিয়া-শোয়েব জুটি?

প্রকাশিত সময় : ১০:৫৬:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৪

পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের সঙ্গে সানিয়া মির্জার বিচ্ছেদ নিয়ে গুঞ্জন ২০২২ সালে ধরেই উপমহাদেশের আকাশে হাওয়া বইছে। সে সময় সানিয়া মির্জা ও শোয়েবের বিবাহিত জীবনে অশান্তি চলছে এবং শিগগিরই তারা বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন- প্রতিনিয়ত এমন নানা শিরোনাম উঠে এসেছে গণমাধ্যমে। বেশ কিছু দিন সব চুপচাপ থাকার পর ফের আলোচনায় সানিয়া ও মালিক। এবার তাদের বিচ্ছেদের জল্পনা হচ্ছে আরো তীব্র।

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে,  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শোয়েবের সব ছবি মুছে দিয়েছেন ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া। তবে তার প্রফাইলে একটি ছবি রয়েছে তাদের। সেখানে সানিয়া এবং শোয়েবের সঙ্গে তাদের ছেলে ইজহান রয়েছেন। প্রতিবেদনটিতে এমনটি জানায়। এছাড়া জানা যায়, সেই ছবির ক্যাপশনে শোয়েবের বিশেষ নামোল্লেখ নেই। ইজহানের জন্মদিন উপলক্ষে সেই ছবিটি পোস্ট করেছিলেন ভারতীয় টেনিস তারকা।

 

এদিকে শোয়েব মালিকের সাথে বিবাহবিচ্ছেদের খবরের মধ্যে, সানিয়া সম্প্রতি একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলেন যাতে লেখা ছিল, ‘যখন কিছু আপনার হৃদয়ের শান্তি নষ্ট করে, তখন সেটাকে ছেড়ে দিতে হয়।’ এতে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ নিয়ে আরও হাওয়া বইছে নেটিজেনদের মধ্যে।২০২২ সাল থেকেই এই দুই তারকাকে নিয়ে চলছে জল্পনা। দুই জনই বিভিন্ন কাজে, আকারে-ইঙ্গিতে একে অপরের সঙ্গে দূরত্ব তারা বুঝিয়ে দিয়েছেন। এ বারের কাজ আবার তাদের শিরোনামে এনে ফেলেছে। ইদানিং শোয়েবের সম্পর্কে কোথাও কোনও কথা বলেননি সানিয়া। অন্যদিকে শোয়েবও সানিয়াকে নিয়ে মুখ খোলেননি। ধীরে ধীরে বিচ্ছেদের জল্পনা আরও জোরদার হচ্ছে।

এদিকে শোয়েবের ইনস্টাগ্রাম বায়োতে লেখা থাকত সানিয়ার স্বামী হিসাবে কিছু দিন আগ পর্যন্ত। এর পর নিজেকে একজন ‘সুপারউওম্যান’-এর স্বামী হিসেবেও উল্লেখ করেছিলেন শোয়েব। সেই বাক্য সরিয়ে নিয়েছেন। এমনকি তার ইনস্টাগ্রামেও সানিয়ার ছবি খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে ছেলে ই‌জহানের সঙ্গে অনেক ছবি রয়েছে শোয়েবের।

 

এক সাক্ষাতকারে কিছু দিন আগে সানিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে শোয়েবকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। সেখানে তিনি মজা করে বলেছিলেন, ‌‘অনেকেই তো বলছে আমাদের সম্পর্ক নাকি ভাল নেই। আপনাদের কী মনে হয়?’ তারপরেও চর্চা থামেনি। বরং এ বার তা আরও প্রকট হল।