শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ক্যাচ মিসের মহড়ায় দিপু-জাদরানের কাছে হারলো মাশরাফির সিলেট

২২ বলে যখন শাহাদাত হোসেন দিপুর ২৫ রান, বোলার বেনি হাওয়েলের কাছে ফিরতি শটে বল গেলে ধরতে পারেননি। নাজিবুল্লাহ জাদরানতো আরও এক কাঠি সরেস! গুণে গুণে তিনবার জীবন পেয়েছেন সিলেটের ফিল্ডারদের হাতে। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের এই দুই ব্যাটারের কাছেই হারলো সিলেট স্ট্রাইকার্স।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয় সিলেট। টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ২ উইকেটে ১৭৮ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর ছুঁড়ে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। তাড়া করতে নেমে শুরুতে ধুঁকলেও দিপু-জাদরানের ব্যাটে ৭ উইকেটের ব্যবধানে ৯ বল আগেই হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে সিলেট। দিপু ৩৯ বলে ৬১ ও জাদরান ৩০ বলে ৬১ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। দিপু ৩৪ বলে ফিফটির দেখা পান আর জাদরানের ফিফটি আসে মাত্র ২৮ বলে। দুজনের জুটি থেকে আসে মাত্র ৬৮ বলে ১২১ রান। অথচ রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে চট্টগ্রাম। ৭.১ ওভারে ৫৯ রান তুলতে হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। ওপেনার আভিস্কা ফার্নান্দো ২৩ বলে ৩৯ রান করে রানের চাকা সচল রাখেন। পরের দুই ব্যাটার তানজীদ হাসান তামিম ২ ও ইমরানুজ্জামান ১১ রানের বেশি করতে পারেননি। এর পরের গল্প শুধু দিপু-জাদরানের। অবশ্য ক্যাচ মিস না করলে গল্পটা ভিন্ন হতে পারতো। প্রথম ওভারে প্রথম বলে উইকেট পেলেও মাশরাফি ছিলেন খরুচে। ১৯তম ওভারে প্রথম তিন বলে ১৬ রান নিয়েছেন জাদরান। ২.৩ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন তিনি। এ ছাড়া ১টি করে উইকেট নেন রিচার্ড এনগ্রাভা ও নাজমুল ইসলাম অপু। এর আগে সিলেটের হয়ে দারুণ ব্যাটিং করেন জাকির হাসান। তিনি ওয়ান ডাউনে ব্যাট করতে নেমে অপরাজিত থাকেন ৭০ রানে। ৪৩ বলে ৭টি চার ও ১ ছক্কায় এই রান করেন তিনি। তৃতীয় উইকেটে হ্যারি টেক্টরের সঙ্গে ৮২ রানের জুটি গড়েন। তাতে দলীয় সংগ্রহ ১৭৭ পর্যন্ত যায়। টেক্টর ২ চারে অপরাজিত থাকেন ২০ রানে। তার আগে দারুণ সূচনা এনে দেন মোহাম্মদ মিথুন ও নাজমুল হোসেন শান্ত। উদ্বোধনী জুটিতে তারা দুজন ৬৭ রান তোলেন। এরপর নাজমুল ফেরেন ৩০ বলে ৭ চারে ৩৬ রান করে। দলীয় ৯৫ রানের মাথায় আউট হন মিথুন। তিনি ২৪ বলে ৪টি চার ও ২ ছক্কায় করেন ৪০ রান। এরপর জাকির ও টেক্টর ইনিংস শেষ করে আসেন। বল হাতে চট্টগ্রামের নিহাদুজ্জামান ও কুর্টিস ক্যাম্ফার ১টি করে উইকেট নেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ক্যাচ মিসের মহড়ায় দিপু-জাদরানের কাছে হারলো মাশরাফির সিলেট

প্রকাশিত সময় : ১১:০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৪

২২ বলে যখন শাহাদাত হোসেন দিপুর ২৫ রান, বোলার বেনি হাওয়েলের কাছে ফিরতি শটে বল গেলে ধরতে পারেননি। নাজিবুল্লাহ জাদরানতো আরও এক কাঠি সরেস! গুণে গুণে তিনবার জীবন পেয়েছেন সিলেটের ফিল্ডারদের হাতে। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের এই দুই ব্যাটারের কাছেই হারলো সিলেট স্ট্রাইকার্স।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয় সিলেট। টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ২ উইকেটে ১৭৮ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর ছুঁড়ে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। তাড়া করতে নেমে শুরুতে ধুঁকলেও দিপু-জাদরানের ব্যাটে ৭ উইকেটের ব্যবধানে ৯ বল আগেই হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে সিলেট। দিপু ৩৯ বলে ৬১ ও জাদরান ৩০ বলে ৬১ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। দিপু ৩৪ বলে ফিফটির দেখা পান আর জাদরানের ফিফটি আসে মাত্র ২৮ বলে। দুজনের জুটি থেকে আসে মাত্র ৬৮ বলে ১২১ রান। অথচ রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে চট্টগ্রাম। ৭.১ ওভারে ৫৯ রান তুলতে হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। ওপেনার আভিস্কা ফার্নান্দো ২৩ বলে ৩৯ রান করে রানের চাকা সচল রাখেন। পরের দুই ব্যাটার তানজীদ হাসান তামিম ২ ও ইমরানুজ্জামান ১১ রানের বেশি করতে পারেননি। এর পরের গল্প শুধু দিপু-জাদরানের। অবশ্য ক্যাচ মিস না করলে গল্পটা ভিন্ন হতে পারতো। প্রথম ওভারে প্রথম বলে উইকেট পেলেও মাশরাফি ছিলেন খরুচে। ১৯তম ওভারে প্রথম তিন বলে ১৬ রান নিয়েছেন জাদরান। ২.৩ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন তিনি। এ ছাড়া ১টি করে উইকেট নেন রিচার্ড এনগ্রাভা ও নাজমুল ইসলাম অপু। এর আগে সিলেটের হয়ে দারুণ ব্যাটিং করেন জাকির হাসান। তিনি ওয়ান ডাউনে ব্যাট করতে নেমে অপরাজিত থাকেন ৭০ রানে। ৪৩ বলে ৭টি চার ও ১ ছক্কায় এই রান করেন তিনি। তৃতীয় উইকেটে হ্যারি টেক্টরের সঙ্গে ৮২ রানের জুটি গড়েন। তাতে দলীয় সংগ্রহ ১৭৭ পর্যন্ত যায়। টেক্টর ২ চারে অপরাজিত থাকেন ২০ রানে। তার আগে দারুণ সূচনা এনে দেন মোহাম্মদ মিথুন ও নাজমুল হোসেন শান্ত। উদ্বোধনী জুটিতে তারা দুজন ৬৭ রান তোলেন। এরপর নাজমুল ফেরেন ৩০ বলে ৭ চারে ৩৬ রান করে। দলীয় ৯৫ রানের মাথায় আউট হন মিথুন। তিনি ২৪ বলে ৪টি চার ও ২ ছক্কায় করেন ৪০ রান। এরপর জাকির ও টেক্টর ইনিংস শেষ করে আসেন। বল হাতে চট্টগ্রামের নিহাদুজ্জামান ও কুর্টিস ক্যাম্ফার ১টি করে উইকেট নেন।