বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রামেক হাসপাতাল থেকে পালানোর পর মরদেহ মিলল পুকুরে

পরে স্থানীয়রা পাশে থাকা রাজশাহী সদর ফায়ার সার্ভিস ও রাজপাড়া থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে রাজপাড়া থানা পুলিশ ও সদর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন।নিহত কিশোরের নাম নাভিদ ইসলাম (১৫)। সে মহানগরীর তেরোখাদিয়া এলাকার খাদেমুল ইসলাম-রিতা বেগম দম্পতির ছেলে।

রিতা বেগম জানান, তার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। কিছুদিন আগে সে নিজের শরীরে নিজেই আগুন দেয়। এভাবে আত্মহত্যার চেষ্টা চালানের পর তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল। সোমবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে তিনি ওয়াশরুমে গেলে এ সুযোগে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায় নাভিদ। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে হাজী মুহাম্মদ মহসিন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুর থেকে তার ছেলের মরদেহ উদ্ধারের খবর পান। তার ছেলের মাথায় সব সময় আত্মহত্যার চিন্তা কাজ করতো। নাভিদ কেন জানি বাঁচতে চাইতো না।

এদিকে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর রাজশাহীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হক সাংবাদিকদের জানান, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছেন। সুরতহালের সময় দেখা গেছে এ কিশোরের মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থান আগেই থেকে পোড়া ও ব্যান্ডেজ মোড়ানো।

তিনি আরও জানান, সে কীভাবে এখানে এলো আর কীভাবে পুকুরে পড়ে মারা গেল তা বোঝা যাচ্ছে না। তাই আপাতত তার মৃত্যুর কারণটি অস্পষ্ট। তারা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছেন। তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রামেক হাসপাতাল থেকে পালানোর পর মরদেহ মিলল পুকুরে

প্রকাশিত সময় : ১১:০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পরে স্থানীয়রা পাশে থাকা রাজশাহী সদর ফায়ার সার্ভিস ও রাজপাড়া থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে রাজপাড়া থানা পুলিশ ও সদর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন।নিহত কিশোরের নাম নাভিদ ইসলাম (১৫)। সে মহানগরীর তেরোখাদিয়া এলাকার খাদেমুল ইসলাম-রিতা বেগম দম্পতির ছেলে।

রিতা বেগম জানান, তার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। কিছুদিন আগে সে নিজের শরীরে নিজেই আগুন দেয়। এভাবে আত্মহত্যার চেষ্টা চালানের পর তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল। সোমবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে তিনি ওয়াশরুমে গেলে এ সুযোগে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায় নাভিদ। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে হাজী মুহাম্মদ মহসিন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুর থেকে তার ছেলের মরদেহ উদ্ধারের খবর পান। তার ছেলের মাথায় সব সময় আত্মহত্যার চিন্তা কাজ করতো। নাভিদ কেন জানি বাঁচতে চাইতো না।

এদিকে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর রাজশাহীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হক সাংবাদিকদের জানান, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছেন। সুরতহালের সময় দেখা গেছে এ কিশোরের মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থান আগেই থেকে পোড়া ও ব্যান্ডেজ মোড়ানো।

তিনি আরও জানান, সে কীভাবে এখানে এলো আর কীভাবে পুকুরে পড়ে মারা গেল তা বোঝা যাচ্ছে না। তাই আপাতত তার মৃত্যুর কারণটি অস্পষ্ট। তারা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছেন। তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।