মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পরিবারের শূন্যতা পূরণে রাবি শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত ইফতার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের প্রায় ৫৯টি বিভাগের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অ্যাকাডেমিক ভবনের ছাদে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
পরিবারের শূন্যতা পূরণে নিজেদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ়করণ ও মুসলিম সংস্কৃতিকে তুলে ধরার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের (৭০তম ব্যাচ) উদ্যোগে এমন ইফতারের আয়োজন করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করে প্রতিবছরই এমন আয়োজন চান বলে জানান তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী শাহ পরান বলেন, নিজেদের মধ্যে ভাতৃত্ববোধ সুদৃঢ়করণ ও মুসলিম সংস্কৃতিকে হাইলাইট করাই ছিলো আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য। অনেক বিভাগের ক্লাস শেষ হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বাড়ি চলে গিয়েছে এবং অধিকাংশ বিভাগের পরীক্ষা চলছে বিধায় অনেকে আগ্রহী থাকা সত্বেও অংশগ্রহণ করতে পারেনি। তবুও প্রায় সব বিভাগের উপস্থিতিই সন্তোষজনক ছিলো। আমরা প্রতিবছরই এভাবে ভাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হতে চাই।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর হোসেন তাহসিন বলেন, পরিবারের বাইরে এমন সম্মিলিত ইফতার আমাদের সকলের সাথে পরিচয় হবার সুযোগ করে দেয়। এই ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ভবিষ্যতে আমরা আরো বড় পরিসরে আয়োজন করার চেষ্টা করবো।
আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী নুরুল্লাহ আলম নুর বলেন, আজকের ইফতারে ৭০তম ব্যাচের পক্ষ থেকে ৫৯টি ডিপার্টমেন্টের অনেকেই ছিলো। বিষয়টি অনেক আনন্দের। সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আয়োজনটাকে আরো ফুটিয়ে তুলেছে, এমন আয়োজন বারবার চাই। নিরঙ্কুশ ৭০ এগিয়ে চলুক।
ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থী বদরুল ইসলাম জামিল বলেন, এমন একটি ইফতারের আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। সবাই একত্রিত হতে পেরেছি এমনকি আয়োজনে সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছি। আমরা চাই পরবর্তী দিনগুলোতে নিজেদের ভিতরে ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রেখে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে চলতে।
উল্লেখ্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০তম ব্যাচের নাম ‘নিরঙ্কুশ-৭০’ রাখা হয়েছে। প্রথমবারের মতো তাদের এই আয়োজনে সবাই মুগ্ধ। প্রতিবছরই এমন আয়োজন হবে বলে আশাবাদী তারা।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পরিবারের শূন্যতা পূরণে রাবি শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত ইফতার

প্রকাশিত সময় : ০৮:২১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০২৪
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের প্রায় ৫৯টি বিভাগের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অ্যাকাডেমিক ভবনের ছাদে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
পরিবারের শূন্যতা পূরণে নিজেদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ়করণ ও মুসলিম সংস্কৃতিকে তুলে ধরার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের (৭০তম ব্যাচ) উদ্যোগে এমন ইফতারের আয়োজন করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করে প্রতিবছরই এমন আয়োজন চান বলে জানান তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী শাহ পরান বলেন, নিজেদের মধ্যে ভাতৃত্ববোধ সুদৃঢ়করণ ও মুসলিম সংস্কৃতিকে হাইলাইট করাই ছিলো আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য। অনেক বিভাগের ক্লাস শেষ হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বাড়ি চলে গিয়েছে এবং অধিকাংশ বিভাগের পরীক্ষা চলছে বিধায় অনেকে আগ্রহী থাকা সত্বেও অংশগ্রহণ করতে পারেনি। তবুও প্রায় সব বিভাগের উপস্থিতিই সন্তোষজনক ছিলো। আমরা প্রতিবছরই এভাবে ভাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হতে চাই।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর হোসেন তাহসিন বলেন, পরিবারের বাইরে এমন সম্মিলিত ইফতার আমাদের সকলের সাথে পরিচয় হবার সুযোগ করে দেয়। এই ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ভবিষ্যতে আমরা আরো বড় পরিসরে আয়োজন করার চেষ্টা করবো।
আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী নুরুল্লাহ আলম নুর বলেন, আজকের ইফতারে ৭০তম ব্যাচের পক্ষ থেকে ৫৯টি ডিপার্টমেন্টের অনেকেই ছিলো। বিষয়টি অনেক আনন্দের। সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আয়োজনটাকে আরো ফুটিয়ে তুলেছে, এমন আয়োজন বারবার চাই। নিরঙ্কুশ ৭০ এগিয়ে চলুক।
ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থী বদরুল ইসলাম জামিল বলেন, এমন একটি ইফতারের আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। সবাই একত্রিত হতে পেরেছি এমনকি আয়োজনে সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছি। আমরা চাই পরবর্তী দিনগুলোতে নিজেদের ভিতরে ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রেখে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে চলতে।
উল্লেখ্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০তম ব্যাচের নাম ‘নিরঙ্কুশ-৭০’ রাখা হয়েছে। প্রথমবারের মতো তাদের এই আয়োজনে সবাই মুগ্ধ। প্রতিবছরই এমন আয়োজন হবে বলে আশাবাদী তারা।