শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে সরকার: ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জোর করে ক্ষমতা দখলকারী সরকার আজ মানুষের বুকে চেপে বসেছে। অথচ তাদের ক্ষমতায় বসার কোনো বৈধতা নেই। এরা ১৯৭৫ সালেও বাকশালের মাধ্যমে প্রতারণা করেছিল, আর এখন ছদ্মবেশী গণতন্ত্রের নামে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে।

সোমবার (২৫ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মির্জা ফখরুল বলেন, যে ভোটাধিকারের মাধ্যম দেশে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়, সে অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এখন সত্য কথা বললেই গ্রেপ্তার করা হয়। আমরা এই অবস্থার পরিবর্তন করতে চেয়েছি বলেই তা নিয়ে সংগ্রাম করছি। খালেদা জিয়া সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনের একটি পরামর্শ দিয়েছিলেন।

তিনি বলেছেন, নির্বাচন হবে একটি নির্দলীয় সরকারের অধীনে। কিন্তু এসব কিছুই বাস্তবায়ন না করে বাকশালের মতো একদলীয় নির্বাচন করে শাসনব্যবস্থা কায়েম করেছে তারা। আর এজন্য দেশের যাবতীয় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি স্থানে দলীয় লোক বসানো হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১৯৭১ সালে একটি স্বপ্ন নিয়ে এ দেশ স্বাধীন করা হয়েছিল, সেটা ছিলো রাষ্ট্রের মালিক হবে জনগণ।এরপর যখন সংবিধান তৈরি করা হলো, সেখানেও স্পষ্ট ভাবে লেখা ছিল- দেশের মালিক জনগণ।

অথচ দুর্ভাগ্য যে, স্বাধীনতার ৫২ বছর পর এসে আজ এদেশের মানুষ তার দেশের মালিকানা হারিয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্মার্টফোনের মাধ্যমে সরকার দেশের প্রতিটি লোকের ওপর নজরদারি করছে। ফলে মানুষ যখনই কথা বলতে চায়, বিদ্রোহ করতে চায়, তখনই তাকে তুলে নেওয়া হচ্ছে। এই ভয়াবহ ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করা এতো সহজ নয়। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে তাদের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি, এখনো চালাচ্ছি। জনগণকেও আমাদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, তাহলেই বিজয় আসবে, গণতন্ত্র ফিরে আসবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে সরকার: ফখরুল

প্রকাশিত সময় : ০৮:০৬:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জোর করে ক্ষমতা দখলকারী সরকার আজ মানুষের বুকে চেপে বসেছে। অথচ তাদের ক্ষমতায় বসার কোনো বৈধতা নেই। এরা ১৯৭৫ সালেও বাকশালের মাধ্যমে প্রতারণা করেছিল, আর এখন ছদ্মবেশী গণতন্ত্রের নামে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে।

সোমবার (২৫ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মির্জা ফখরুল বলেন, যে ভোটাধিকারের মাধ্যম দেশে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়, সে অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এখন সত্য কথা বললেই গ্রেপ্তার করা হয়। আমরা এই অবস্থার পরিবর্তন করতে চেয়েছি বলেই তা নিয়ে সংগ্রাম করছি। খালেদা জিয়া সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনের একটি পরামর্শ দিয়েছিলেন।

তিনি বলেছেন, নির্বাচন হবে একটি নির্দলীয় সরকারের অধীনে। কিন্তু এসব কিছুই বাস্তবায়ন না করে বাকশালের মতো একদলীয় নির্বাচন করে শাসনব্যবস্থা কায়েম করেছে তারা। আর এজন্য দেশের যাবতীয় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি স্থানে দলীয় লোক বসানো হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১৯৭১ সালে একটি স্বপ্ন নিয়ে এ দেশ স্বাধীন করা হয়েছিল, সেটা ছিলো রাষ্ট্রের মালিক হবে জনগণ।এরপর যখন সংবিধান তৈরি করা হলো, সেখানেও স্পষ্ট ভাবে লেখা ছিল- দেশের মালিক জনগণ।

অথচ দুর্ভাগ্য যে, স্বাধীনতার ৫২ বছর পর এসে আজ এদেশের মানুষ তার দেশের মালিকানা হারিয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্মার্টফোনের মাধ্যমে সরকার দেশের প্রতিটি লোকের ওপর নজরদারি করছে। ফলে মানুষ যখনই কথা বলতে চায়, বিদ্রোহ করতে চায়, তখনই তাকে তুলে নেওয়া হচ্ছে। এই ভয়াবহ ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করা এতো সহজ নয়। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে তাদের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি, এখনো চালাচ্ছি। জনগণকেও আমাদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, তাহলেই বিজয় আসবে, গণতন্ত্র ফিরে আসবে।