মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোদাগাড়ীতে ছাগলে গাছের পাতা খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মসজিদের আমগাছের ছাগলে পাতা খাওয়া নিয়ে একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটি সোমবার রাতে উপজেলার দিগরাম ঘুন্টিঘর এলাকায়। এঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

নিহত ব্যক্তির নাম রুহুল আমিন (৪২)। তিনি ওই গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে। এসময় আহত হয়েছেন আরও একজন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মতিন। তিনি জানান, স্থানীয় ব্যক্তি সাদেকুল ইসলামের একটি ছাগল মসজিদের আম গাছের পাতা খাই। তা নিয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য নিজাম উদ্দিন সাদেকুলকে ডেকে বারণ করেন ছাগল ছাড়তে। এনিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

এর কিছুক্ষণ পর সন্ধ্যা সাতটার দিকে সাদেকুলসহ আরও কয়েকজন এসে তর্কাতর্কিতে লিপ্ত হয়। তারা এ সময় মারমুখি আচরণও করে। সভাপতির পক্ষে কথা বলার জন্য রুহুল আমিনকে মারধর করা হয়। তাকে রড ও বাঁশ দিয়ে পেটানো হয়। রুহুল আমিনকে বাঁচাতে আসলে নাজিরুল ইসলামও আহত হন।

তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে রুহুল আমিনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এঘটনায় রাতেই তিনজনকে আটক করা হয়। রাতেই পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, সাদেকুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম ও জামাল উদ্দিন। তাদের এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

গোদাগাড়ীতে ছাগলে গাছের পাতা খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১

প্রকাশিত সময় : ০৭:৪৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মসজিদের আমগাছের ছাগলে পাতা খাওয়া নিয়ে একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটি সোমবার রাতে উপজেলার দিগরাম ঘুন্টিঘর এলাকায়। এঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

নিহত ব্যক্তির নাম রুহুল আমিন (৪২)। তিনি ওই গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে। এসময় আহত হয়েছেন আরও একজন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মতিন। তিনি জানান, স্থানীয় ব্যক্তি সাদেকুল ইসলামের একটি ছাগল মসজিদের আম গাছের পাতা খাই। তা নিয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য নিজাম উদ্দিন সাদেকুলকে ডেকে বারণ করেন ছাগল ছাড়তে। এনিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

এর কিছুক্ষণ পর সন্ধ্যা সাতটার দিকে সাদেকুলসহ আরও কয়েকজন এসে তর্কাতর্কিতে লিপ্ত হয়। তারা এ সময় মারমুখি আচরণও করে। সভাপতির পক্ষে কথা বলার জন্য রুহুল আমিনকে মারধর করা হয়। তাকে রড ও বাঁশ দিয়ে পেটানো হয়। রুহুল আমিনকে বাঁচাতে আসলে নাজিরুল ইসলামও আহত হন।

তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে রুহুল আমিনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এঘটনায় রাতেই তিনজনকে আটক করা হয়। রাতেই পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, সাদেকুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম ও জামাল উদ্দিন। তাদের এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি।