মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যৌন হয়রানির অভিযোগকারীকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যেন সব দোষ তার: জবি উপাচার্য

রাবি প্রতিনিধি: যৌন হয়রানির অভিযোগকারীকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যেন সব দোষ তার। তারা সুযোগ দেয় বলেই হয়রানির শিকার হয়। কিন্তু আমরা একবারও প্রশ্ন করি না, একজন শিক্ষক তাঁর শিক্ষার্থীকে কেন চেম্বারে ডাকবেন? যখন কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয় তখন তারা একটা ক্ষমতার বলে এড়িয়ে যান। কারণ যারা যৌন হয়রানি করে তারা সবসময় প্রভাবশালী হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি: বাস্তবতা ও করণীয়’ বিষয়ক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সাদেকা হালিম এসব কথা বলেন। শনিবার ( ২৫ মে) শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ভবনে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি আরো বলেন, আমরা এখন ছেলেদেরও যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের শিকার হতে দেখি। বিশেষ করে মাদ্রাসায় ছোট ছোট বাচ্চাদের বাবা-মা বিশ্বাস করে রেখে আসে, সেখানে প্রায়ই এমনটা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেসব শিক্ষক যৌন হয়রানি করে তাদের সাথে কিছু মেয়ে শিক্ষকও জড়িত। তাদেরও শাস্তির আওতায় আনা উচিত। অনেকে বলে শিক্ষকরা তোমার বাবার মতো, আমি বলি না। কোনো শিক্ষক তোমার বাবার মতো নয়, তোমার বাবা একটায়। এই পৃথিবী খুব খারাপ বিশেষ করে মেয়েদের জন্য। প্রতিটা ক্ষেত্রে একজন মেয়ে হ্যারেজমেন্টের শিকার হয়। চাচাতো ভাই, মামাতো ভাই, বাবা, চাচা, শিক্ষক সবার দ্বারা হতে পারে। মেয়েদের যদি সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীনতা না দেওয়া হয় তাহলে কোনো উন্নতি হবে না। মেয়েদের রাজনীতিতে ঢুকতে হবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি আনাচে-কানাচে যৌন হয়রানির অভিযোগের জন্য আমি বক্স বসিয়েছি‌। যার চাবি থাকে আমার কাছে। আমি নিজে সেগুলো সংগ্রহ করি। এসময় রাবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, একটি সমাজ যখন গড়ে ওঠে তখন ভালো-মন্দ সবকিছু নিয়ে বিচার করা হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ও সমাজের বাইরে নয়। বর্তমান সমাজে যৌন হয়রানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাবিতে যৌন হয়রানি ও নিপীড়নমূলক নীতি প্রণয়নের পর ২-১ জনার শাস্তি হয়েছে। আমি ৫০ -এর অধিক যৌন হয়রানি ভুক্তভোগীর কাছে গেছি, তবে তারা সত্য কথা বলে না। আমি চাই এর কারণ খুঁজে বের করা হোক।

যৌন হয়রানি প্রতিনিয়ত ঘটছে কিন্তু কোনো প্রতিকার হচ্ছে না। সামাজিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি ক্ষেত্রে আমাদের এগিয়ে আসতে হবে। কোনো অপরাধ করার পর আমরা এমন ভাব করি যেন সে কিছু করেনি। এই জায়গায় আমাদের সচেতন হতে হবে। যেন অপরাধীরা সুযোগ না পায়। আজ এই নৈতিক দায়িত্বগুলো পালন না করলে কাল আমার পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সবাইকে সচেতন করার মাধ্যমে আমরা এর প্রতিকার করতে পারি।

রাবির যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ-বিষয়ক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. তানজিমা জোহরা হাবিব বলেন, আজকের সম্পূর্ণ আয়োজনটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য। শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির শিকার হলে যাতে অভিযোগ করতে পারে সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় নির্দিষ্ট স্থানে অভিযোগ বক্স রাখা হয়েছে, প্রতিদিন সেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এখানে নিজেদের পরিচয় গোপন করে তারা অভিযোগ করতে পারবেন। আমরা চেষ্টা করছি সবার অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতে। যদি প্রমাণ পাওয়া যায় অবশ্যই শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া যদি অভিযোগ মিথ্যা হয় তার বিরুদ্ধেও আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আমরা প্রত্যেকে বিভাগের সভাপতির কাছে পত্র দিয়েছি যাতে তারা নতুন শিক্ষার্থীদের এসব সম্পর্কে প্রথম থেকেই ধারণা দেওয়া হয়।

আমি সবসময় খেয়াল করেছি এর প্রতিকার কখনো চাওয়া হয় না, আবার চাইলেও পাওয়া যায় না। তিনি আরো বলেন, আমরা যদি প্রতিটা হলে এরকম সেমিনারের আয়োজন করতে পারি তাহলে আশা করি আবাসিক শিক্ষার্থীরা আরো সচেতন হতে পারবে। বিলবোর্ড বা পোস্টার আরেকটা ভালো মাধ্যম হতে পারে। এর মাধ্যমিক যৌন হয়রানির ধরন ও শাস্তি সম্পর্কে ধারণা পৌঁছে দিতে পারি। এছাড়া একটি ওয়েবসাইট ডেভেলপ করার চেষ্টা করছি যাতে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে অভিযোগ করতে পারে। এটা এখনো করা সম্ভব হয়নি তবে খুব শীঘ্রই এটা বাস্তবায়ন হবে আশা করছি।

এসব আমাদের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে। সেমিনারের দ্বিতীয় পর্বে আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলিম কী কী কাজ যৌন হয়রানির মধ্যে পড়বে তা সবার সামনে তুলে ধরেন। এসময় তিনি বলেন, বর্তমানে যেসব আইন আছে তাতে এককথায় যৌন হয়রানির কোনো সংজ্ঞা নেই। তবে আদালতের নির্দেশনা অনুসারে যেসব বিষয় যৌন হয়রানি বলে বিবেচিত হতে পারে সেগুলোর একটি লম্বা তালিকা রয়েছে। ‘যৌন হয়রানি’ শব্দটির অর্থ জীবনের অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে। ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির কাছে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। যারা অপরাধ করে আমরা শুধু তাদের কথা বলি কিন্তু যারা অপরাধীকে নানাভাবে সাহায্য করে তাদের আমরা কিছু বলি না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপদ পরিবেশ চায়। তিনি কয়েকটি পরামর্শ দেন।

সেগুলো হলো যৌন হয়রানী প্রতিরোধ কমিটির তদন্ত রিপোর্ট ৩০ দিনের মধ্যে সিন্ডিকেটে উপস্থাপন করতে হবে, শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মচারীদের জন্য এবং প্রয়োজনে পরিচিতিমূলক প্রশিক্ষণসমূহে যৌন হয়রানি ও আইন এবং সংবিধান ও জেন্ডার সমতা বিষয়সমূহ অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত থাকতে হব, শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময় বাধ্যতামূলকভাবে জেন্ডার সমতা-বিষয়ক ২০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। রাজশাহী কোর্টের জজ জিয়াউর রহমান যৌন হয়রানির শাস্তি সম্পর্কে আলোচনা করেন। মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাদেকা বানু ব্যক্তিগত ও ‌পারিবারিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন। যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ-বিষয়ক কমিটির সভাপতি তানজিমা জোহরা হাবিবের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ড. রকন জাহানের সঞ্চালনায় প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। মারুফ হোসেন মিশন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

যৌন হয়রানির অভিযোগকারীকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যেন সব দোষ তার: জবি উপাচার্য

প্রকাশিত সময় : ০৬:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪

রাবি প্রতিনিধি: যৌন হয়রানির অভিযোগকারীকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যেন সব দোষ তার। তারা সুযোগ দেয় বলেই হয়রানির শিকার হয়। কিন্তু আমরা একবারও প্রশ্ন করি না, একজন শিক্ষক তাঁর শিক্ষার্থীকে কেন চেম্বারে ডাকবেন? যখন কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয় তখন তারা একটা ক্ষমতার বলে এড়িয়ে যান। কারণ যারা যৌন হয়রানি করে তারা সবসময় প্রভাবশালী হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি: বাস্তবতা ও করণীয়’ বিষয়ক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সাদেকা হালিম এসব কথা বলেন। শনিবার ( ২৫ মে) শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ভবনে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি আরো বলেন, আমরা এখন ছেলেদেরও যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের শিকার হতে দেখি। বিশেষ করে মাদ্রাসায় ছোট ছোট বাচ্চাদের বাবা-মা বিশ্বাস করে রেখে আসে, সেখানে প্রায়ই এমনটা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেসব শিক্ষক যৌন হয়রানি করে তাদের সাথে কিছু মেয়ে শিক্ষকও জড়িত। তাদেরও শাস্তির আওতায় আনা উচিত। অনেকে বলে শিক্ষকরা তোমার বাবার মতো, আমি বলি না। কোনো শিক্ষক তোমার বাবার মতো নয়, তোমার বাবা একটায়। এই পৃথিবী খুব খারাপ বিশেষ করে মেয়েদের জন্য। প্রতিটা ক্ষেত্রে একজন মেয়ে হ্যারেজমেন্টের শিকার হয়। চাচাতো ভাই, মামাতো ভাই, বাবা, চাচা, শিক্ষক সবার দ্বারা হতে পারে। মেয়েদের যদি সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীনতা না দেওয়া হয় তাহলে কোনো উন্নতি হবে না। মেয়েদের রাজনীতিতে ঢুকতে হবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি আনাচে-কানাচে যৌন হয়রানির অভিযোগের জন্য আমি বক্স বসিয়েছি‌। যার চাবি থাকে আমার কাছে। আমি নিজে সেগুলো সংগ্রহ করি। এসময় রাবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, একটি সমাজ যখন গড়ে ওঠে তখন ভালো-মন্দ সবকিছু নিয়ে বিচার করা হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ও সমাজের বাইরে নয়। বর্তমান সমাজে যৌন হয়রানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাবিতে যৌন হয়রানি ও নিপীড়নমূলক নীতি প্রণয়নের পর ২-১ জনার শাস্তি হয়েছে। আমি ৫০ -এর অধিক যৌন হয়রানি ভুক্তভোগীর কাছে গেছি, তবে তারা সত্য কথা বলে না। আমি চাই এর কারণ খুঁজে বের করা হোক।

যৌন হয়রানি প্রতিনিয়ত ঘটছে কিন্তু কোনো প্রতিকার হচ্ছে না। সামাজিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি ক্ষেত্রে আমাদের এগিয়ে আসতে হবে। কোনো অপরাধ করার পর আমরা এমন ভাব করি যেন সে কিছু করেনি। এই জায়গায় আমাদের সচেতন হতে হবে। যেন অপরাধীরা সুযোগ না পায়। আজ এই নৈতিক দায়িত্বগুলো পালন না করলে কাল আমার পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সবাইকে সচেতন করার মাধ্যমে আমরা এর প্রতিকার করতে পারি।

রাবির যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ-বিষয়ক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. তানজিমা জোহরা হাবিব বলেন, আজকের সম্পূর্ণ আয়োজনটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য। শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির শিকার হলে যাতে অভিযোগ করতে পারে সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় নির্দিষ্ট স্থানে অভিযোগ বক্স রাখা হয়েছে, প্রতিদিন সেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এখানে নিজেদের পরিচয় গোপন করে তারা অভিযোগ করতে পারবেন। আমরা চেষ্টা করছি সবার অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতে। যদি প্রমাণ পাওয়া যায় অবশ্যই শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া যদি অভিযোগ মিথ্যা হয় তার বিরুদ্ধেও আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আমরা প্রত্যেকে বিভাগের সভাপতির কাছে পত্র দিয়েছি যাতে তারা নতুন শিক্ষার্থীদের এসব সম্পর্কে প্রথম থেকেই ধারণা দেওয়া হয়।

আমি সবসময় খেয়াল করেছি এর প্রতিকার কখনো চাওয়া হয় না, আবার চাইলেও পাওয়া যায় না। তিনি আরো বলেন, আমরা যদি প্রতিটা হলে এরকম সেমিনারের আয়োজন করতে পারি তাহলে আশা করি আবাসিক শিক্ষার্থীরা আরো সচেতন হতে পারবে। বিলবোর্ড বা পোস্টার আরেকটা ভালো মাধ্যম হতে পারে। এর মাধ্যমিক যৌন হয়রানির ধরন ও শাস্তি সম্পর্কে ধারণা পৌঁছে দিতে পারি। এছাড়া একটি ওয়েবসাইট ডেভেলপ করার চেষ্টা করছি যাতে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে অভিযোগ করতে পারে। এটা এখনো করা সম্ভব হয়নি তবে খুব শীঘ্রই এটা বাস্তবায়ন হবে আশা করছি।

এসব আমাদের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে। সেমিনারের দ্বিতীয় পর্বে আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলিম কী কী কাজ যৌন হয়রানির মধ্যে পড়বে তা সবার সামনে তুলে ধরেন। এসময় তিনি বলেন, বর্তমানে যেসব আইন আছে তাতে এককথায় যৌন হয়রানির কোনো সংজ্ঞা নেই। তবে আদালতের নির্দেশনা অনুসারে যেসব বিষয় যৌন হয়রানি বলে বিবেচিত হতে পারে সেগুলোর একটি লম্বা তালিকা রয়েছে। ‘যৌন হয়রানি’ শব্দটির অর্থ জীবনের অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে। ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির কাছে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। যারা অপরাধ করে আমরা শুধু তাদের কথা বলি কিন্তু যারা অপরাধীকে নানাভাবে সাহায্য করে তাদের আমরা কিছু বলি না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপদ পরিবেশ চায়। তিনি কয়েকটি পরামর্শ দেন।

সেগুলো হলো যৌন হয়রানী প্রতিরোধ কমিটির তদন্ত রিপোর্ট ৩০ দিনের মধ্যে সিন্ডিকেটে উপস্থাপন করতে হবে, শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মচারীদের জন্য এবং প্রয়োজনে পরিচিতিমূলক প্রশিক্ষণসমূহে যৌন হয়রানি ও আইন এবং সংবিধান ও জেন্ডার সমতা বিষয়সমূহ অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত থাকতে হব, শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময় বাধ্যতামূলকভাবে জেন্ডার সমতা-বিষয়ক ২০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। রাজশাহী কোর্টের জজ জিয়াউর রহমান যৌন হয়রানির শাস্তি সম্পর্কে আলোচনা করেন। মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাদেকা বানু ব্যক্তিগত ও ‌পারিবারিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন। যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ-বিষয়ক কমিটির সভাপতি তানজিমা জোহরা হাবিবের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ড. রকন জাহানের সঞ্চালনায় প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। মারুফ হোসেন মিশন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়