মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবার রাসূল (সা.) কে নিয়ে কটুক্তি কারী সেই শিক্ষার্থীর স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন 

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি (বিএমবি) বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী উৎস কুমার গায়নের বিরুদ্ধে ইসলামের মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ এনে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল এবং মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বুধবার(২৯ মে) দুপুর ২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রিয় মসজিদ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর সেখানে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা।
মানববন্ধনে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রায়হান হোসেন বলেন, “মুসলমানরা রাসুল (সা.) কটুক্তি মানতে পারে না। এ বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে রাসুল (সা.) নিয়ে কটুক্তির ঘটনা ঘটতেছে আমরা মুসলিম রাষ্ট্রে এটা কখনও মেনে নেব না। আমরা সাবধান করে দিচ্ছি যারা পরবর্তীতে এ রকম পদক্ষেপ নিবে মুসলিমজাতি তাদের বিরুদ্ধে জেগে উঠবে এবং এ বিশ্বিবদ্যালয় থেকে উৎসকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে হবে।”
এছাড়া, সিইসি চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মুসাব্বির হোসেন বলেন, “সবাই অবগত আছেন যে একজন  শিক্ষার্থী আমাদের প্রিয় নবী (সা.) কে নিয়ে  কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেছেন। এটাকে  বিচ্ছিন্ন ঘটনা ভাবলে ভুল করবেন নাস্তিক ব্লগার যার নাম মুখে নিতে আমার ঘৃণা হয় আসাদ নুর ৪ টার দিকে আমাদের গ্রুপে পোস্ট করে বলে উৎসের যদি কিছু হয় কেউ ছাড় পাবে না। বশেমুরবিপ্রবির ঘটনায় দেশের বাইরে থেকে সে এ কথা বলার সাহস পায় কেমনে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশে, দেশের বাইরে থেকে উস্কানি দেয়ার মাধ্যমে দেশে একটি উশৃংখল পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছে। আমরা প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানায় এই ধরনের বাইরের কোন এজেন্ডা বা সংস্থা আমাদের সম্প্রীতি এবং শৃঙ্খলা নষ্ট না করতে পারে এ ব্যাপারে সজাগ থাকবেন।”
উল্লেখ্য, গত ২৬ই মে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মেসেঞ্জারের একটি গ্রুপে উৎস গায়ন মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে কটূক্তি সংযুক্ত একটি  ম্যাসেজ প্রেরণ করেন। যা সে পরক্ষণেই গ্রুপ থেকে সরিয়ে ফেলেন। এই ঘটনায় শিক্ষার্থীরা তাকে প্রক্টরের নিকট শোপার্দ করে এবং পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুলিশি হেফাজতে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

এবার রাসূল (সা.) কে নিয়ে কটুক্তি কারী সেই শিক্ষার্থীর স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন 

প্রকাশিত সময় : ০৬:৫৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪
গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি (বিএমবি) বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী উৎস কুমার গায়নের বিরুদ্ধে ইসলামের মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ এনে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল এবং মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বুধবার(২৯ মে) দুপুর ২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রিয় মসজিদ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর সেখানে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা।
মানববন্ধনে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রায়হান হোসেন বলেন, “মুসলমানরা রাসুল (সা.) কটুক্তি মানতে পারে না। এ বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে রাসুল (সা.) নিয়ে কটুক্তির ঘটনা ঘটতেছে আমরা মুসলিম রাষ্ট্রে এটা কখনও মেনে নেব না। আমরা সাবধান করে দিচ্ছি যারা পরবর্তীতে এ রকম পদক্ষেপ নিবে মুসলিমজাতি তাদের বিরুদ্ধে জেগে উঠবে এবং এ বিশ্বিবদ্যালয় থেকে উৎসকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে হবে।”
এছাড়া, সিইসি চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মুসাব্বির হোসেন বলেন, “সবাই অবগত আছেন যে একজন  শিক্ষার্থী আমাদের প্রিয় নবী (সা.) কে নিয়ে  কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেছেন। এটাকে  বিচ্ছিন্ন ঘটনা ভাবলে ভুল করবেন নাস্তিক ব্লগার যার নাম মুখে নিতে আমার ঘৃণা হয় আসাদ নুর ৪ টার দিকে আমাদের গ্রুপে পোস্ট করে বলে উৎসের যদি কিছু হয় কেউ ছাড় পাবে না। বশেমুরবিপ্রবির ঘটনায় দেশের বাইরে থেকে সে এ কথা বলার সাহস পায় কেমনে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশে, দেশের বাইরে থেকে উস্কানি দেয়ার মাধ্যমে দেশে একটি উশৃংখল পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছে। আমরা প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানায় এই ধরনের বাইরের কোন এজেন্ডা বা সংস্থা আমাদের সম্প্রীতি এবং শৃঙ্খলা নষ্ট না করতে পারে এ ব্যাপারে সজাগ থাকবেন।”
উল্লেখ্য, গত ২৬ই মে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মেসেঞ্জারের একটি গ্রুপে উৎস গায়ন মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে কটূক্তি সংযুক্ত একটি  ম্যাসেজ প্রেরণ করেন। যা সে পরক্ষণেই গ্রুপ থেকে সরিয়ে ফেলেন। এই ঘটনায় শিক্ষার্থীরা তাকে প্রক্টরের নিকট শোপার্দ করে এবং পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুলিশি হেফাজতে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।