বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জে ৩ ভাবিকে ছুরিকাঘাত, ১ জনের মৃত্যু

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জের ধরে তিন ভাবিকে ছুরিকাঘাত করেছেন দেবর। তিন জনের মধ্যে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়ে স্বপ্না বেগম (৩৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য দুইজনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আজ শনিবার (১ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাদাঘাট দক্ষিণ ইউনিয়নের আমড়িয়া গ্রামের জামাল মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ১৮ বছর বয়সী দেবর আইনুল হক পলাতক। নিহত স্বপ্না বেগম (৩৫) নবাব মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমড়িয়া গ্রামের জামাল মিয়ার চার ছেলে। এর মধ্যে তিন জন বিবাহিত। সবাই একই পরিবারে বসবাস করেন। তাঁদের মধ্যে পারিবারিক নানা ঝামেলা ছিল। এর জের ধরে শনিবার সকাল ১০টার দিকে ভাইদের সবার ছোট জন ঘরে থাকা তাঁর তিন ভাবি স্বপ্না বেগম (৩৫), মর্জিনা বেগম (৩০) ও ইয়াসমিনকে (২৬) ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। আহত নারীরা চিৎকার শুরু করলে আইনুল হক পালিয়ে যান। পরে আহত নারীদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক স্বপ্না বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে দুই জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বণিক বলেন, নিহত নারীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত দেবরকে গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চলছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সুনামগঞ্জে ৩ ভাবিকে ছুরিকাঘাত, ১ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত সময় : ১১:২১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জের ধরে তিন ভাবিকে ছুরিকাঘাত করেছেন দেবর। তিন জনের মধ্যে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়ে স্বপ্না বেগম (৩৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য দুইজনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আজ শনিবার (১ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাদাঘাট দক্ষিণ ইউনিয়নের আমড়িয়া গ্রামের জামাল মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ১৮ বছর বয়সী দেবর আইনুল হক পলাতক। নিহত স্বপ্না বেগম (৩৫) নবাব মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমড়িয়া গ্রামের জামাল মিয়ার চার ছেলে। এর মধ্যে তিন জন বিবাহিত। সবাই একই পরিবারে বসবাস করেন। তাঁদের মধ্যে পারিবারিক নানা ঝামেলা ছিল। এর জের ধরে শনিবার সকাল ১০টার দিকে ভাইদের সবার ছোট জন ঘরে থাকা তাঁর তিন ভাবি স্বপ্না বেগম (৩৫), মর্জিনা বেগম (৩০) ও ইয়াসমিনকে (২৬) ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। আহত নারীরা চিৎকার শুরু করলে আইনুল হক পালিয়ে যান। পরে আহত নারীদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক স্বপ্না বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে দুই জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বণিক বলেন, নিহত নারীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত দেবরকে গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চলছে।