মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বাজেট বিষয়ক সেমিনার

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ বাজেট বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করে। আজ মঙ্গলবার এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। অর্থমন্ত্রী গত ৬ জুন মহান জাতীয় সংসদে যে বাজেট উপস্থাপন করেন তার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে ‘বাজেট সেমিনার-২০২৪’ অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য প্রফেসর ড. আনন্দ কুমার সাহা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ফয়জার রহমান।

সেমিনারে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. আইনুল ইসলাম। সেমিনারটি সভাপতিত্ব করেন অর্থনীতি বিভাগের সম্মানিত কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াছ হোসেন।

আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মো: আব্দুল ওয়াদুদ এবং প্রফেসর ড. কামারুল্লাহ বিন তারিক ইসলাম।

শুরুতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. রাকিবুল ইসলাম। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটের বিভিন্ন খাতের তুলনামূলক আলোচনা করেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আতাউল গণি ওসমানী।

মুখ্য আলোচক ড. মো. আইনুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী এর চেয়ে ভালো বাজেট করা হয়তো যেত না। তবে, সুশাসন নিশ্চিত করে ও দুর্নীতিদমনের মাধ্যমে এই বাজেটের সুফল পাওয়া যেতে পারে। দুর্নীতিই প্রধান অন্তরায়।’ প্রশ্নোত্তর পর্বে আলোচক অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. আনন্দ কুমার সাহা বলেন, ‘১৯৭২ সালে বাংলাদেশের প্রথম বাজেটে শিক্ষার জন্য সর্বোচ্চ বরাদ্দ ছিলো। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষা খাত সে বাস্তবতায় যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না।’ তিনি শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করার জন্য সরকারের নিকট আহবান জানান।

সমাপনী বক্তব্যে প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াছ হোসেন সামাজিক কল্যান নিশ্চিত করণের উপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করেন। এছাড়া বাজেট প্রণয়ন ও কার্যকরের ক্ষেত্রে সমাজের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আরেকটি অংশ অধিক লাভবান হওয়ার ব্যাপারটিকে নিরুৎসাহিত করেন এবং সমাজের মোট কল্যান যাতে অর্জিত হয় সে ব্যাপারে সরকারের প্রতি আহবান জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বাজেট বিষয়ক সেমিনার

প্রকাশিত সময় : ০৯:৪০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ বাজেট বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করে। আজ মঙ্গলবার এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। অর্থমন্ত্রী গত ৬ জুন মহান জাতীয় সংসদে যে বাজেট উপস্থাপন করেন তার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে ‘বাজেট সেমিনার-২০২৪’ অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য প্রফেসর ড. আনন্দ কুমার সাহা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ফয়জার রহমান।

সেমিনারে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. আইনুল ইসলাম। সেমিনারটি সভাপতিত্ব করেন অর্থনীতি বিভাগের সম্মানিত কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াছ হোসেন।

আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মো: আব্দুল ওয়াদুদ এবং প্রফেসর ড. কামারুল্লাহ বিন তারিক ইসলাম।

শুরুতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. রাকিবুল ইসলাম। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটের বিভিন্ন খাতের তুলনামূলক আলোচনা করেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আতাউল গণি ওসমানী।

মুখ্য আলোচক ড. মো. আইনুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী এর চেয়ে ভালো বাজেট করা হয়তো যেত না। তবে, সুশাসন নিশ্চিত করে ও দুর্নীতিদমনের মাধ্যমে এই বাজেটের সুফল পাওয়া যেতে পারে। দুর্নীতিই প্রধান অন্তরায়।’ প্রশ্নোত্তর পর্বে আলোচক অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. আনন্দ কুমার সাহা বলেন, ‘১৯৭২ সালে বাংলাদেশের প্রথম বাজেটে শিক্ষার জন্য সর্বোচ্চ বরাদ্দ ছিলো। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষা খাত সে বাস্তবতায় যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না।’ তিনি শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করার জন্য সরকারের নিকট আহবান জানান।

সমাপনী বক্তব্যে প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াছ হোসেন সামাজিক কল্যান নিশ্চিত করণের উপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করেন। এছাড়া বাজেট প্রণয়ন ও কার্যকরের ক্ষেত্রে সমাজের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আরেকটি অংশ অধিক লাভবান হওয়ার ব্যাপারটিকে নিরুৎসাহিত করেন এবং সমাজের মোট কল্যান যাতে অর্জিত হয় সে ব্যাপারে সরকারের প্রতি আহবান জানান।