সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফের গুলি-মর্টারশেলের শব্দে কেঁপে উঠল টেকনাফ সীমান্ত

মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। সোমবার (১৫ জুলাই) ভোরে গোলাগুলি, মর্টারশেল নিক্ষেপ ও বোমা হামলার বিস্ফোরণের শব্দে আবারও কেঁপে উঠছে সীমান্তের এপারের কক্সবাজারের টেকনাফের কয়েকটি গ্রাম। ভারী অস্ত্রের বিকট শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর হোসেন। তিনি জানান, ভোর থেকে গোলাগুলি, মর্টারশেল নিক্ষেপ ও বোমা হামলার বিস্ফোরণের শব্দে সীমান্তের বাসিন্দাদের ঘুম হয়নি। সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক বাড়ছে। সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, মায়ানমারের অভ্যন্তরে তাদের গৃহযুদ্ধ তীব্র আকারে চলছে। কয়েকদিন ধরে মিয়ানমারে বিমান থেকে বোমা হামলা চলছে। টেকনাফ হ্নীলা এলাকার বাসিন্দা তারেক বলেন, দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। জান্তা সরকারের অনেক সদস্য ঠিকতে না পেরে এদিকে পালিয়ে আসছে। কিন্তু বিজিবি ও কোস্টগার্ড সতর্ক অবস্থানে আছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ফের গুলি-মর্টারশেলের শব্দে কেঁপে উঠল টেকনাফ সীমান্ত

প্রকাশিত সময় : ০৬:৩৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪

মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। সোমবার (১৫ জুলাই) ভোরে গোলাগুলি, মর্টারশেল নিক্ষেপ ও বোমা হামলার বিস্ফোরণের শব্দে আবারও কেঁপে উঠছে সীমান্তের এপারের কক্সবাজারের টেকনাফের কয়েকটি গ্রাম। ভারী অস্ত্রের বিকট শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর হোসেন। তিনি জানান, ভোর থেকে গোলাগুলি, মর্টারশেল নিক্ষেপ ও বোমা হামলার বিস্ফোরণের শব্দে সীমান্তের বাসিন্দাদের ঘুম হয়নি। সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক বাড়ছে। সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, মায়ানমারের অভ্যন্তরে তাদের গৃহযুদ্ধ তীব্র আকারে চলছে। কয়েকদিন ধরে মিয়ানমারে বিমান থেকে বোমা হামলা চলছে। টেকনাফ হ্নীলা এলাকার বাসিন্দা তারেক বলেন, দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। জান্তা সরকারের অনেক সদস্য ঠিকতে না পেরে এদিকে পালিয়ে আসছে। কিন্তু বিজিবি ও কোস্টগার্ড সতর্ক অবস্থানে আছে।