শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢামেক থেকে স্বজনদের কাছে ৯৭ লাশ হস্তান্তর

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ৯৮ জন মারা গেছেন। এরমধ্যে ৯৭ জনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি একজনের লাশ এখনও হাসপাতালেই রয়েছে।

শনিবার (২৭ জুলাই) দুপুরে ঢামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক আশরাফুল আলম রাইজিংবিডিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন ১ হাজার ৫৬০ জন। এরমধ্যে ৩৭১ জন ভর্তি হন। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। এখন হাসপাতালে ১৫৯ জন ভর্তি আছেন। ঢামেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় আহত হয়ে ১৫ জুলাই ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে টিকিট কাটেন ৩০৬ জন, এর মধ্যে ভর্তি করা হয় ১৩ জন; ১৬ জুলাই টিকিট কাটেন ১২৯ জন, এর মধ্যে ভর্তি করা হয় ৯ জন; ১৭ জুলাই টিকিট কাটেন ৬৫ জন, এর মধ্যে ভর্তি করা হয় ৮ জন; ১৮ জুলাই টিকিট কাটেন ২৭৬ জন, এর মধ্যে ভর্তি করা হয় ৮৭ জন; ১৯ জুলাই টিকিট কাটেন ৪৮২ জন, এর মধ্যে ভর্তি করা হয় ১৫৫ জন; ২০ জুলাই টিকিট কাটেন ১৮৯ জন, এর মধ্যে ভর্তি করা হয় ৭৬ জন; ২১ জুলাই টিকিট কাটেন ৯৩ জন, এর মধ্যে ভর্তি করা হয় ২০ জন এবং ২২ জুলাই টিকিট কাটেন ২০ জন, এর মধ্যে ভর্তি করা হয় তিন জনকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ঢামেক থেকে স্বজনদের কাছে ৯৭ লাশ হস্তান্তর

প্রকাশিত সময় : ০৬:১৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুলাই ২০২৪

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ৯৮ জন মারা গেছেন। এরমধ্যে ৯৭ জনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি একজনের লাশ এখনও হাসপাতালেই রয়েছে।

শনিবার (২৭ জুলাই) দুপুরে ঢামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক আশরাফুল আলম রাইজিংবিডিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন ১ হাজার ৫৬০ জন। এরমধ্যে ৩৭১ জন ভর্তি হন। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। এখন হাসপাতালে ১৫৯ জন ভর্তি আছেন। ঢামেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় আহত হয়ে ১৫ জুলাই ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে টিকিট কাটেন ৩০৬ জন, এর মধ্যে ভর্তি করা হয় ১৩ জন; ১৬ জুলাই টিকিট কাটেন ১২৯ জন, এর মধ্যে ভর্তি করা হয় ৯ জন; ১৭ জুলাই টিকিট কাটেন ৬৫ জন, এর মধ্যে ভর্তি করা হয় ৮ জন; ১৮ জুলাই টিকিট কাটেন ২৭৬ জন, এর মধ্যে ভর্তি করা হয় ৮৭ জন; ১৯ জুলাই টিকিট কাটেন ৪৮২ জন, এর মধ্যে ভর্তি করা হয় ১৫৫ জন; ২০ জুলাই টিকিট কাটেন ১৮৯ জন, এর মধ্যে ভর্তি করা হয় ৭৬ জন; ২১ জুলাই টিকিট কাটেন ৯৩ জন, এর মধ্যে ভর্তি করা হয় ২০ জন এবং ২২ জুলাই টিকিট কাটেন ২০ জন, এর মধ্যে ভর্তি করা হয় তিন জনকে।