রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দিনভর সংঘর্ষে হাসপাতালে আহতদের ভিড়

অসহযোগের প্রথম দিনে নজীরবিহীন সংঘর্ষে সারাদেশে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে। এতোদিন মাঠের আন্দোলনে শুধু শিক্ষার্থী থাকলেও অসহযোগের প্রথম দিনে রাজধানীতে ছিলো আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অবস্থান। দুই পক্ষ মুখোমুখি হলে বাধে সংঘর্ষ।

কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে আহত হন অনেকেই। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নেয়া হয়। আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধের সংখ্যা ছিলো চোখে পড়ার মতো। শুধু ঢাকায় নয়, ঢাকার বাইরের জেলাগুলোতেও হতাহত হয়েছে অনেকে।

ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে আসা অনেকেই ছিলো গুলিবিদ্ধ। এরমধ্যে শুধুমাত্র ঢাকা মেডিকেলেই গুলিবিদ্ধসহ আহত অবস্থায় ২৬৭ জকে আনা হয়েছে। যাদের মধ্যে ৬৭ জন ভর্তি রয়েছেন।

বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায়ও চলে যান কেউ কেউ। দিনভর হাসপাতালে ছিলো ছুটোছুটি। আহতদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলা করেছে বিরোধীরা। হাসপাতালে গিয়ে জানা যায়, আহতদের বেশিরভাগই গুলিবিদ্ধ।

ঢাকার বাইরে প্রায় সব জেলার হাসপাতালগুলোতে তিল যেনো তিল ধারণের ঠাঁই নেই। দিনভর একের পর এক হাসপাতালে আসতে থাকে আহতরা। যাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা ছিলো আশঙ্কাজনক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

দিনভর সংঘর্ষে হাসপাতালে আহতদের ভিড়

প্রকাশিত সময় : ১০:০৬:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০২৪

অসহযোগের প্রথম দিনে নজীরবিহীন সংঘর্ষে সারাদেশে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে। এতোদিন মাঠের আন্দোলনে শুধু শিক্ষার্থী থাকলেও অসহযোগের প্রথম দিনে রাজধানীতে ছিলো আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অবস্থান। দুই পক্ষ মুখোমুখি হলে বাধে সংঘর্ষ।

কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে আহত হন অনেকেই। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নেয়া হয়। আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধের সংখ্যা ছিলো চোখে পড়ার মতো। শুধু ঢাকায় নয়, ঢাকার বাইরের জেলাগুলোতেও হতাহত হয়েছে অনেকে।

ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে আসা অনেকেই ছিলো গুলিবিদ্ধ। এরমধ্যে শুধুমাত্র ঢাকা মেডিকেলেই গুলিবিদ্ধসহ আহত অবস্থায় ২৬৭ জকে আনা হয়েছে। যাদের মধ্যে ৬৭ জন ভর্তি রয়েছেন।

বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায়ও চলে যান কেউ কেউ। দিনভর হাসপাতালে ছিলো ছুটোছুটি। আহতদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলা করেছে বিরোধীরা। হাসপাতালে গিয়ে জানা যায়, আহতদের বেশিরভাগই গুলিবিদ্ধ।

ঢাকার বাইরে প্রায় সব জেলার হাসপাতালগুলোতে তিল যেনো তিল ধারণের ঠাঁই নেই। দিনভর একের পর এক হাসপাতালে আসতে থাকে আহতরা। যাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা ছিলো আশঙ্কাজনক।