শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজারে সবগুলো নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের সবগুলো নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকাল ৯টায় মনু নদীর পানি চাঁদনীঘাট পয়েন্টে ১১৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। ফলে পানি হু হু করে বাড়ছে। ইতিমধ্যে মনু নদীর ৫টি ও ধলাই নদীর ৮টি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙা স্থান দিয়ে লোকালয়ে পানি ঢুকে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহম্মদ ছাদু মিয়া বলেন, বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি সব ডুবে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ৭০ হাজার বাসিন্দা। এখন পর্যন্ত আশ্রয়কেন্দ্রে গেছেন ৪৩২৫ জন। বন্যার্তদের সহায়তায় ১০৫০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ সিরাজী বলেন, বন্যার পানিতে ১৬৫০টি পুকুর ও দিঘী থেকে ২১০ মেট্রিক টন মাছ ভেসে গেছে। এতে প্রায় ৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

পুলিশ সুপার মো. মনজুর রহমান বলেন, শহর রক্ষায় ও মানুষের জানমাল রক্ষা করতে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষে তদারকি করছেন সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম ও মৌলভীবাজারের তত্ত্বাবধায়ক আব্দুল মোমিন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাবেদ ইকবাল বলেন, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের সবগুলো নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মৌলভীবাজারে সবগুলো নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

প্রকাশিত সময় : ১১:২১:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪

ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের সবগুলো নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকাল ৯টায় মনু নদীর পানি চাঁদনীঘাট পয়েন্টে ১১৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। ফলে পানি হু হু করে বাড়ছে। ইতিমধ্যে মনু নদীর ৫টি ও ধলাই নদীর ৮টি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙা স্থান দিয়ে লোকালয়ে পানি ঢুকে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহম্মদ ছাদু মিয়া বলেন, বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি সব ডুবে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ৭০ হাজার বাসিন্দা। এখন পর্যন্ত আশ্রয়কেন্দ্রে গেছেন ৪৩২৫ জন। বন্যার্তদের সহায়তায় ১০৫০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ সিরাজী বলেন, বন্যার পানিতে ১৬৫০টি পুকুর ও দিঘী থেকে ২১০ মেট্রিক টন মাছ ভেসে গেছে। এতে প্রায় ৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

পুলিশ সুপার মো. মনজুর রহমান বলেন, শহর রক্ষায় ও মানুষের জানমাল রক্ষা করতে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষে তদারকি করছেন সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম ও মৌলভীবাজারের তত্ত্বাবধায়ক আব্দুল মোমিন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাবেদ ইকবাল বলেন, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের সবগুলো নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।