সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষককে ভিসি নিয়োগের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
২০শে সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে দুপুর ২ টায় এই বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় শিক্ষার্থীরা “দাবি মোদের একটাই, ক্যাম্পাস  থেকে ভিসি চাই।
ক্যাম্পাস থেকে ভিসি দিতে হবে দিতে হবে। বাইরের ভিসি আসলে, তালা ঝুলবে গেটে” এই জাতীয় স্লোগান দেন।বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, বিগতে দিনে হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয় বাইরের ভিসি ছিলো তার কাছাকাছি সাধারন শিক্ষার্থী এমনকি শিক্ষকরাও কেউ পৌঁছাতে পারে নি ৷ আমরা চাই একজন শিক্ষার্থী বান্ধব ভিসি ৷ এ ব্যাপারে আমরা অনড় ৷ আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ই থেকেই ভিসি চাই। বিগত সময়ে যারা বাইরে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবে এসেছিলেন তারা ঠিক মতো দায়িত্ব পালন করতে পারেনি। কারণ বাইরে থেকে যারা আসেন তারা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে তেমনটা অবগত থাকেন না।আর বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামো ও পরিবেশ বুঝে উঠতেই তাদের পুরোটা সময় চলে যায়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য নিয়োগ হলে তিনি পূর্ব থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ, সংস্কৃতি এবং শিক্ষার্থীদের চাহিদা সম্পর্কে  গভীরভাবে অবগত থাকবেন। যার ফলে উপাচার্য সহজেই দ্রুততার সহিত যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন।
এছাড়াও নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও ইতিহাস সম্পর্কে জানেন, যার ফলে তিনি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা  করতে পারবেন। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সহজ হবে।
শিক্ষার্থী ছাড়াও মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষকরা বলেন, আমরা দেখেছি দীর্ঘদিনের চলার পথে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের যে শিক্ষক জ্ঞানে গরিমায় সেরা তাকে ভিসি হিসাবে নিয়োগ দেয়া হোক৷ যার কাছে আমরা আমাদের দাবিগুলো তুলে ধরতে পারবো। বিগত সময় বাইরে থেকে নিয়োগ পাওয়া ভিসি কারুজ্জামানের কাছে আমরা শিক্ষকরা আমাদের দাবিগুলো  তুলে ধরতে পারিনি, তিনি আমাদের দাবিগুলো
তুলে ধরার সুযোগও দেননি।
মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী অংশ নেন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

শিক্ষককে ভিসি নিয়োগের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

প্রকাশিত সময় : ১০:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪
দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
২০শে সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে দুপুর ২ টায় এই বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় শিক্ষার্থীরা “দাবি মোদের একটাই, ক্যাম্পাস  থেকে ভিসি চাই।
ক্যাম্পাস থেকে ভিসি দিতে হবে দিতে হবে। বাইরের ভিসি আসলে, তালা ঝুলবে গেটে” এই জাতীয় স্লোগান দেন।বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, বিগতে দিনে হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয় বাইরের ভিসি ছিলো তার কাছাকাছি সাধারন শিক্ষার্থী এমনকি শিক্ষকরাও কেউ পৌঁছাতে পারে নি ৷ আমরা চাই একজন শিক্ষার্থী বান্ধব ভিসি ৷ এ ব্যাপারে আমরা অনড় ৷ আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ই থেকেই ভিসি চাই। বিগত সময়ে যারা বাইরে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবে এসেছিলেন তারা ঠিক মতো দায়িত্ব পালন করতে পারেনি। কারণ বাইরে থেকে যারা আসেন তারা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে তেমনটা অবগত থাকেন না।আর বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামো ও পরিবেশ বুঝে উঠতেই তাদের পুরোটা সময় চলে যায়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য নিয়োগ হলে তিনি পূর্ব থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ, সংস্কৃতি এবং শিক্ষার্থীদের চাহিদা সম্পর্কে  গভীরভাবে অবগত থাকবেন। যার ফলে উপাচার্য সহজেই দ্রুততার সহিত যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন।
এছাড়াও নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও ইতিহাস সম্পর্কে জানেন, যার ফলে তিনি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা  করতে পারবেন। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সহজ হবে।
শিক্ষার্থী ছাড়াও মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষকরা বলেন, আমরা দেখেছি দীর্ঘদিনের চলার পথে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের যে শিক্ষক জ্ঞানে গরিমায় সেরা তাকে ভিসি হিসাবে নিয়োগ দেয়া হোক৷ যার কাছে আমরা আমাদের দাবিগুলো তুলে ধরতে পারবো। বিগত সময় বাইরে থেকে নিয়োগ পাওয়া ভিসি কারুজ্জামানের কাছে আমরা শিক্ষকরা আমাদের দাবিগুলো  তুলে ধরতে পারিনি, তিনি আমাদের দাবিগুলো
তুলে ধরার সুযোগও দেননি।
মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী অংশ নেন।