শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাল আমদানিতে শুল্ক হ্রাস, কর অব্যাহতি

চাল আমদানিতে শুল্ক কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে আগাম কর দেওয়া থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এনবিআর।

রোববার (২০ অক্টোবর) অভ্যান্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে চাল আমদানিতে শুল্ক কমানো ও কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, চাল আমদানির ক্ষেত্রে আরোপিত কাস্টমস শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ এবং রেগুলেটরি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে চাল আমদানিতে আগাম কর ৫ শতাংশ থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

চাল আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক-করাদি কমানো ও অব্যাহতির ফলে আমদানি পর্যায়ে প্রতি কেজি চালের আমদানি ব্যয় ১৪ টাকা ৪০ পয়সা কমবে। আমদানি শুল্ক ও রেগুলেটরি শুল্ক হ্রাস এবং আগাম কর প্রত্যাহারের ফলে বাজারে চালের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে। দেশের আপামর জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে চালের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে বলে আশা করছে জাতীয় রাজস্ব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

চাল আমদানিতে শুল্ক হ্রাস, কর অব্যাহতি

প্রকাশিত সময় : ০৫:৪৩:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪

চাল আমদানিতে শুল্ক কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে আগাম কর দেওয়া থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এনবিআর।

রোববার (২০ অক্টোবর) অভ্যান্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে চাল আমদানিতে শুল্ক কমানো ও কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, চাল আমদানির ক্ষেত্রে আরোপিত কাস্টমস শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ এবং রেগুলেটরি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে চাল আমদানিতে আগাম কর ৫ শতাংশ থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

চাল আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক-করাদি কমানো ও অব্যাহতির ফলে আমদানি পর্যায়ে প্রতি কেজি চালের আমদানি ব্যয় ১৪ টাকা ৪০ পয়সা কমবে। আমদানি শুল্ক ও রেগুলেটরি শুল্ক হ্রাস এবং আগাম কর প্রত্যাহারের ফলে বাজারে চালের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে। দেশের আপামর জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে চালের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে বলে আশা করছে জাতীয় রাজস্ব।