শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ডহরগাঁও এলাকার একটি বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নারী শিশুসহ একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তাদের উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১২টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

দগ্ধরা হলেন- মো. বাবুল (৪৭), সেলি (৩৬), মো. সোহেল (২২), মুন্নি (২০), মো. ইসমাইল (১৬) ও তাসলিমা (১৩)। তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম জানান, নারায়ণগঞ্জ  বিস্ফোরণের ঘটনায় ছয় জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। এরমধ্যে বাবুলের শরীরের ৬৬ শতাংশ, সেলির ৩০ শতাংশ, সোহেলের ৭০ শতাংশ, মুন্নির ২০ শতাংশ, ইসমাইলের ৫৫ শতাংশ ও তাসলিমার ৬৩ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।  সবাইকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। প্রত্যেকের অবস্থায় আশঙ্কাজনক।

বাবুলের চাচা মোগল মিয়া জানান, দগ্ধ সবাই রূপগঞ্জে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। রাতে কাজ শেষে বাসায় ফেরেন। ঘুমানোর আগে মশার কয়েল ধরানোর সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে বাসার সবাই দগ্ধ হন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে এ বিস্ফোরণ হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ

প্রকাশিত সময় : ০১:৪৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ডহরগাঁও এলাকার একটি বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নারী শিশুসহ একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তাদের উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১২টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

দগ্ধরা হলেন- মো. বাবুল (৪৭), সেলি (৩৬), মো. সোহেল (২২), মুন্নি (২০), মো. ইসমাইল (১৬) ও তাসলিমা (১৩)। তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম জানান, নারায়ণগঞ্জ  বিস্ফোরণের ঘটনায় ছয় জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। এরমধ্যে বাবুলের শরীরের ৬৬ শতাংশ, সেলির ৩০ শতাংশ, সোহেলের ৭০ শতাংশ, মুন্নির ২০ শতাংশ, ইসমাইলের ৫৫ শতাংশ ও তাসলিমার ৬৩ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।  সবাইকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। প্রত্যেকের অবস্থায় আশঙ্কাজনক।

বাবুলের চাচা মোগল মিয়া জানান, দগ্ধ সবাই রূপগঞ্জে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। রাতে কাজ শেষে বাসায় ফেরেন। ঘুমানোর আগে মশার কয়েল ধরানোর সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে বাসার সবাই দগ্ধ হন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে এ বিস্ফোরণ হয়েছে।