বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রপতি ‘ফ্যাসিবাদের প্রোডাক্ট’ হলেও সরানোর বিপক্ষে রিজভী

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ‘ফ্যাসিবাদের প্রোডাক্ট (পণ্য)’ হলেও তাকে পদত্যাগের কথা বলে বড় ধরনের সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শনিবার বিকেলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় লিফলেট বিতরণে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিজভী এ মন্তব্য করেন

তিনি বলেন, ‘কোনো সাংবিধানিক শূন্যতা যাতে সৃষ্টি না হয়, এ জন্য অনেক চিন্তা করে আমাদের কাজ করতে হবে। অল্প শূন্যতা হলে সেই শূন্যতা ভরাট করা যায়। কিন্তু বড় শূন্যতা হলে সেটা ভরাট করা মুশকিল হয়ে যায়। এখানে শেখ হাসিনার পতনে যারা অসন্তুষ্ট হয়েছেন, বাংলাদেশের ভেতরের কিছু মানুষ ও বাইরের লোকজন নানা ষড়যন্ত্র চক্রান্তে মেতে উঠবে।’

রিজভী বলেন, ‘এই সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তা দেওয়া। সেই নির্বাচনের ব্যবস্থা করা দরকার। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে এর মধ্যে যতটুকু সংস্কার করা দরকার, তা করবে।’

তিনি বলেন, ‘জনগণ তো সংস্কার চায়, শেখ হাসিনার বিচার বিভাগ জনগণ চায় না, শেখ হাসিনার প্রশাসন, শেখ হাসিনার পুলিশ জনগণ চায় না। যে পুলিশ মানবদরদি হবে, যে জনপ্রশাসন জনগণের কল্যাণে আসবে জনগণ সেই প্রশাসন চায়। এগুলো সংস্কার করতে কত দিন সময় লাগবে? বিচার বিভাগ হচ্ছে মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল। এটা সংস্কার করতে কত দিন সময় লাগবে? বেশি দিন তো সময় লাগার কথা নয়।’

এ সময় বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, স্বেচ্ছাসেবক ফখরুল ইসলাম রবিন, ডা. জাহিদুল কবির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রাষ্ট্রপতি ‘ফ্যাসিবাদের প্রোডাক্ট’ হলেও সরানোর বিপক্ষে রিজভী

প্রকাশিত সময় : ১১:৪০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ‘ফ্যাসিবাদের প্রোডাক্ট (পণ্য)’ হলেও তাকে পদত্যাগের কথা বলে বড় ধরনের সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শনিবার বিকেলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় লিফলেট বিতরণে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিজভী এ মন্তব্য করেন

তিনি বলেন, ‘কোনো সাংবিধানিক শূন্যতা যাতে সৃষ্টি না হয়, এ জন্য অনেক চিন্তা করে আমাদের কাজ করতে হবে। অল্প শূন্যতা হলে সেই শূন্যতা ভরাট করা যায়। কিন্তু বড় শূন্যতা হলে সেটা ভরাট করা মুশকিল হয়ে যায়। এখানে শেখ হাসিনার পতনে যারা অসন্তুষ্ট হয়েছেন, বাংলাদেশের ভেতরের কিছু মানুষ ও বাইরের লোকজন নানা ষড়যন্ত্র চক্রান্তে মেতে উঠবে।’

রিজভী বলেন, ‘এই সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তা দেওয়া। সেই নির্বাচনের ব্যবস্থা করা দরকার। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে এর মধ্যে যতটুকু সংস্কার করা দরকার, তা করবে।’

তিনি বলেন, ‘জনগণ তো সংস্কার চায়, শেখ হাসিনার বিচার বিভাগ জনগণ চায় না, শেখ হাসিনার প্রশাসন, শেখ হাসিনার পুলিশ জনগণ চায় না। যে পুলিশ মানবদরদি হবে, যে জনপ্রশাসন জনগণের কল্যাণে আসবে জনগণ সেই প্রশাসন চায়। এগুলো সংস্কার করতে কত দিন সময় লাগবে? বিচার বিভাগ হচ্ছে মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল। এটা সংস্কার করতে কত দিন সময় লাগবে? বেশি দিন তো সময় লাগার কথা নয়।’

এ সময় বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, স্বেচ্ছাসেবক ফখরুল ইসলাম রবিন, ডা. জাহিদুল কবির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।