বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতে পালিয়েও রক্ষা পেলেন না রাবি নেতা রুনুর

বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে গিয়েও শেষ রক্ষা হলো না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনুর। তিনি ২০১৬ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ফয়সাল গত ২ নভেম্বর ভারতের মালদহের হাবিবপুর ব্লকের টিকাপাড়া ও কেদারিপাড়ার মাঝে বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ তাকে গ্রেপ্তার করে। তার বাড়ি রাজশাহী জেলার পবা থানার নওহাটায়।

মালদহের পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, আটক ওই যুবলীগ নেতাকে জেরা করা হচ্ছে। তদন্ত চলছে।

পুলিশ ও বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, ২ নভেম্বর দুপুরে হাবিবপুর ব্লকের বাংলাদেশ সীমান্তে টিকাপাড়া ও কেদারিপাড়া বর্ডার আউটপোস্টের মাঝখান দিয়ে উন্মুক্ত সীমান্তপথে ফয়সাল ভারতে অনুপ্রবেশ করেন। তখন সেখানে টহলরত বিএসএফের ৮৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা তাকে ধরেন। সে দিন বিকেলে তাকে হাবিবপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ। পরের দিন পুলিশ তাকে কোর্টে হাজির করিয়ে বিচারকের নির্দেশে প্রথমে তিন দিন ও পরে, বুধবার পাঁচ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে পেয়েছে।

ফয়সাল দাবি করেছেন, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরে তিনি প্রায় দুই মাস দেশের বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করেছিলেন। পরে প্রাণ বাঁচাতে ভারতে পালিয়ে যান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ভারতে পালিয়েও রক্ষা পেলেন না রাবি নেতা রুনুর

প্রকাশিত সময় : ১১:১৫:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে গিয়েও শেষ রক্ষা হলো না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনুর। তিনি ২০১৬ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ফয়সাল গত ২ নভেম্বর ভারতের মালদহের হাবিবপুর ব্লকের টিকাপাড়া ও কেদারিপাড়ার মাঝে বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ তাকে গ্রেপ্তার করে। তার বাড়ি রাজশাহী জেলার পবা থানার নওহাটায়।

মালদহের পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, আটক ওই যুবলীগ নেতাকে জেরা করা হচ্ছে। তদন্ত চলছে।

পুলিশ ও বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, ২ নভেম্বর দুপুরে হাবিবপুর ব্লকের বাংলাদেশ সীমান্তে টিকাপাড়া ও কেদারিপাড়া বর্ডার আউটপোস্টের মাঝখান দিয়ে উন্মুক্ত সীমান্তপথে ফয়সাল ভারতে অনুপ্রবেশ করেন। তখন সেখানে টহলরত বিএসএফের ৮৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা তাকে ধরেন। সে দিন বিকেলে তাকে হাবিবপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ। পরের দিন পুলিশ তাকে কোর্টে হাজির করিয়ে বিচারকের নির্দেশে প্রথমে তিন দিন ও পরে, বুধবার পাঁচ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে পেয়েছে।

ফয়সাল দাবি করেছেন, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরে তিনি প্রায় দুই মাস দেশের বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করেছিলেন। পরে প্রাণ বাঁচাতে ভারতে পালিয়ে যান।