সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে জগিং ট্র্যাক, ৫০০ টাকায় হাঁটা যাবে সারামাস

রাজশাহীর শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানায় জগিং ট্র্যাকের উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা প্রাঙ্গণে জগিং ট্র্যাকের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর।

রাজশাহী সিটি করপোরেশন পরিচালিত এই উদ্যান ও চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশ ফি ২৫ টাকা। তবে সারামাস জগিং ট্র্যাকে হাঁটার জন্য মাসে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৫০০ টাকার টিকেট নিয়ে যে কেউ সারামাস দিনে দুইবার পার্কে হাঁটতে পারবেন।

জগিং ট্র্যাকের উদ্বোধনকালে রাসিক প্রশাসক বলেন, “স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হাঁটা ও সাঁতার কাটা হলো অন্যতম ব্যায়াম। তাই উদ্যানে হাঁটার ব্যবস্থা করা হলো। এখানে দুইবেলা হাঁটা যাবে। নগরবাসীর জন্য এখানে ব্লাডপ্রেসার মাপা, ওজন মাপা, ব্লাড সুগার মাপারও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।”

এ সময় রাসিকের সচিব মোবারক হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মহিনুল হাসান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম, ভ্যাটেরিনারি সার্জন ডা. ফরহাদ উদ্দিন, ডা. সাদিয়া রেজভী, পার্কের সুপারভাইজার রেজাউল করিম উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রাজশাহীতে জগিং ট্র্যাক, ৫০০ টাকায় হাঁটা যাবে সারামাস

প্রকাশিত সময় : ০৪:২৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৪

রাজশাহীর শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানায় জগিং ট্র্যাকের উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা প্রাঙ্গণে জগিং ট্র্যাকের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর।

রাজশাহী সিটি করপোরেশন পরিচালিত এই উদ্যান ও চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশ ফি ২৫ টাকা। তবে সারামাস জগিং ট্র্যাকে হাঁটার জন্য মাসে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৫০০ টাকার টিকেট নিয়ে যে কেউ সারামাস দিনে দুইবার পার্কে হাঁটতে পারবেন।

জগিং ট্র্যাকের উদ্বোধনকালে রাসিক প্রশাসক বলেন, “স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হাঁটা ও সাঁতার কাটা হলো অন্যতম ব্যায়াম। তাই উদ্যানে হাঁটার ব্যবস্থা করা হলো। এখানে দুইবেলা হাঁটা যাবে। নগরবাসীর জন্য এখানে ব্লাডপ্রেসার মাপা, ওজন মাপা, ব্লাড সুগার মাপারও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।”

এ সময় রাসিকের সচিব মোবারক হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মহিনুল হাসান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম, ভ্যাটেরিনারি সার্জন ডা. ফরহাদ উদ্দিন, ডা. সাদিয়া রেজভী, পার্কের সুপারভাইজার রেজাউল করিম উপস্থিত ছিলেন।