শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদে শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন 

ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে হামলার প্রতিবাদ এবং ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় শ্রীমঙ্গল চৌমুহনা চত্বরে সাধারণ ছাত্র জনতার ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা “গোলামি না আজাদি”, “দিল্লি না ঢাকা”, এবং “দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেবো রক্ত”সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। শিক্ষার্থী নাহিম আহমদের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন মোঃ আজহারুল ইসলাম অনিক, মোঃ জাহেদ, মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম, নাজমুল হোসেন, শেখ রিপন আলী ওয়ারিস, এবং মহসিন সামি কামাল ইসলাম।
বক্তারা অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা এবং জাতীয় পতাকা অবমাননার মাধ্যমে ভারত সীমা লঙ্ঘন করেছে। তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং দায়ীদের শাস্তির দাবি করেন।
বক্তারা আরও বলেন, “ভারতে আশ্রয় নিয়ে শেখ হাসিনার মাধ্যমে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার ষড়যন্ত্র চলছে। আমরা এসব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবো।”
তারা হুঁশিয়ারি দেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর যদি আরও কোনো ষড়যন্ত্র করা হয়, তাহলে ছাত্র-জনতা কঠোর জবাব দেবে। বক্তারা বলেন, “এদেশের মানুষ স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছে, প্রয়োজনে আরও দেবে। কিন্তু কোনও ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বাংলাদেশে জায়গা দেবে না।”
এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। তারা আগরতলায় ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদে শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন 

প্রকাশিত সময় : ১০:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৪
ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে হামলার প্রতিবাদ এবং ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় শ্রীমঙ্গল চৌমুহনা চত্বরে সাধারণ ছাত্র জনতার ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা “গোলামি না আজাদি”, “দিল্লি না ঢাকা”, এবং “দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেবো রক্ত”সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। শিক্ষার্থী নাহিম আহমদের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন মোঃ আজহারুল ইসলাম অনিক, মোঃ জাহেদ, মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম, নাজমুল হোসেন, শেখ রিপন আলী ওয়ারিস, এবং মহসিন সামি কামাল ইসলাম।
বক্তারা অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা এবং জাতীয় পতাকা অবমাননার মাধ্যমে ভারত সীমা লঙ্ঘন করেছে। তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং দায়ীদের শাস্তির দাবি করেন।
বক্তারা আরও বলেন, “ভারতে আশ্রয় নিয়ে শেখ হাসিনার মাধ্যমে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার ষড়যন্ত্র চলছে। আমরা এসব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবো।”
তারা হুঁশিয়ারি দেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর যদি আরও কোনো ষড়যন্ত্র করা হয়, তাহলে ছাত্র-জনতা কঠোর জবাব দেবে। বক্তারা বলেন, “এদেশের মানুষ স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছে, প্রয়োজনে আরও দেবে। কিন্তু কোনও ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বাংলাদেশে জায়গা দেবে না।”
এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। তারা আগরতলায় ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।