বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বছরখানেক সময় পেলে সংস্কার করে যাব: আসিফ নজরুল

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। বছরখানেক সময় পেলে সংস্কার কাজগুলো করে যাব। সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ আয়োজিত এক সংলাপে তিনি এসব বলেন।

আইন উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় ঐকমত্যের প্রশ্নে সংস্কার বাস্তবায়নে অন্তর্র্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও সংস্কার কমিশন মৌখিক সম্মতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ঐকমত্য থাকলে পরবর্তী রাজনৈতিক সরকার সহজে এই সংস্কারগুলো বদলাতে বা বাতিল করতে পারবে না। আসিফ নজরুল বলেন, উচ্চতর বিচার বিভাগকে এমন সব ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা কাজে লাগিয়ে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী সরকারকে ক্ষমতায় রাখা হয়েছিল। তখন দোষী প্রমাণিত না হয়েও অনেকে দীর্ঘ সময়ের জন্য আটক ছিলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে পাঁচ বছর পর পর সুষ্ঠু নির্বাচন হয়ে যদি সরকার গঠন হতো তাহলে ক্ষমতাসীন দল বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে এতটা স্বৈরাচারী আচরণ করতে পারত না। আইন উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতে উচ্চ আদালতে বিচার বিভাগীয় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনটি সংস্কার প্রস্তাবের ভিত্তিতে উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে। সূত্র: যুগান্তর

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বছরখানেক সময় পেলে সংস্কার করে যাব: আসিফ নজরুল

প্রকাশিত সময় : ০২:২২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। বছরখানেক সময় পেলে সংস্কার কাজগুলো করে যাব। সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ আয়োজিত এক সংলাপে তিনি এসব বলেন।

আইন উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় ঐকমত্যের প্রশ্নে সংস্কার বাস্তবায়নে অন্তর্র্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও সংস্কার কমিশন মৌখিক সম্মতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ঐকমত্য থাকলে পরবর্তী রাজনৈতিক সরকার সহজে এই সংস্কারগুলো বদলাতে বা বাতিল করতে পারবে না। আসিফ নজরুল বলেন, উচ্চতর বিচার বিভাগকে এমন সব ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা কাজে লাগিয়ে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী সরকারকে ক্ষমতায় রাখা হয়েছিল। তখন দোষী প্রমাণিত না হয়েও অনেকে দীর্ঘ সময়ের জন্য আটক ছিলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে পাঁচ বছর পর পর সুষ্ঠু নির্বাচন হয়ে যদি সরকার গঠন হতো তাহলে ক্ষমতাসীন দল বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে এতটা স্বৈরাচারী আচরণ করতে পারত না। আইন উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতে উচ্চ আদালতে বিচার বিভাগীয় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনটি সংস্কার প্রস্তাবের ভিত্তিতে উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে। সূত্র: যুগান্তর