শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো পলক-জ্যোতিকে

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ছেলে শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতিকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিব দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

শুনানিকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে পলকের পক্ষে তার আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জামিন চেয়ে শুনানি করেন। দুদক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জামিনের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ১ জানুয়ারি পৃথক দুই আবেদনে তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে দুদক। ওইদিন আদালত তাদের উপস্থিতিতে শুনানির তারিখ ৬ জানুয়ারি ধার্য করেন।

পলককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আল আমিন।

জ্যোতিকে গ্রেপ্তার দেখাতে আবেদন করেন কমিশনের সহকারী পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ।

আবেদনে বলা হয়, আসামি শাফি মোদ্দাছির খান (জ্যোতি), তার বাবা সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল পরস্পর যোগসাজশে ১৯ কোটি ৮৯ লাখ ৭৮ হাজার ৫০২ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনপূর্বক নিজ ভোগ দখলে রাখা এবং তার নামে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান খুলে মোট ৮৪ কোটি ৭৭ লাখ ৫৭ হাজার ৫৭২ টাকা হস্তান্তর, রুপান্তর, স্থানান্তরের মাধ্যমে সন্দেহজনক অসংখ্য লেনদেন করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো পলক-জ্যোতিকে

প্রকাশিত সময় : ০৩:৩৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ছেলে শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতিকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিব দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

শুনানিকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে পলকের পক্ষে তার আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জামিন চেয়ে শুনানি করেন। দুদক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জামিনের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ১ জানুয়ারি পৃথক দুই আবেদনে তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে দুদক। ওইদিন আদালত তাদের উপস্থিতিতে শুনানির তারিখ ৬ জানুয়ারি ধার্য করেন।

পলককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আল আমিন।

জ্যোতিকে গ্রেপ্তার দেখাতে আবেদন করেন কমিশনের সহকারী পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ।

আবেদনে বলা হয়, আসামি শাফি মোদ্দাছির খান (জ্যোতি), তার বাবা সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল পরস্পর যোগসাজশে ১৯ কোটি ৮৯ লাখ ৭৮ হাজার ৫০২ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনপূর্বক নিজ ভোগ দখলে রাখা এবং তার নামে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান খুলে মোট ৮৪ কোটি ৭৭ লাখ ৫৭ হাজার ৫৭২ টাকা হস্তান্তর, রুপান্তর, স্থানান্তরের মাধ্যমে সন্দেহজনক অসংখ্য লেনদেন করেন।