শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাবিতে কলেজশিক্ষার্থীর নিহত: নানা প্রশ্ন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে মোহাম্মদ শিমুল নামের কলেজ পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। কেউ বলছে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আবার কেউ বলছেন, তিনি ধাওয়া খেয়ে পালানোর সময় মোটরসাইকেলের দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সায়েন্স ভবনের সামনে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিহত হোন শিমুল। জানা গেছে, নিহত শিক্ষার্থী মো. শিমুল রাজশাহী কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র। তিনি নগরীর মেহেড়চন্ডী মধ্য বুধপাড়া এলাকার জামাল হোসেনের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতরে বান্ধবীকে নিয়ে বেড়াতে যান শিমুল। পরে ক্যাম্পাসের ভেতরে কয়েকজন ছেলে তাঁদের ধাওয়া করে। এতে শিমুল মোটরসাইকেলে নিয়ে দ্রুত গতিতে পালিয়ে আসার চেষ্টা করেন।

এ সময় ব্যাডমিন্টন খেলছিলেন এমন কয়েকজন তাঁর পথরোধ করে এলোপাথাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে জরুরি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসক মাহমুদুল হাসান ফিরোজ বলেন, ‘উদ্ধারকারীরা প্রথমে এটি সড়ক দুর্ঘটনার কথা বললেও পরে জেরার মুখে স্বীকার করে তাকে পিটিয়ে মারা হয়েছে।’

আবার কেউ বলছেন পালাতে গিয়ে তিনি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হোন। এদিকে, সাইদুর রহমান নামের এক ব্যক্তি তার ফেসবুকে লিখেন, গত রাত থেকে এখন পর্যন্ত সবাই শুধু পোস্ট আর নিউজ করেই যাচ্ছে পাল্টাপাল্টি কিন্তু প্রেমিকার বক্তব্য এবং প্রেমিকা কই??? রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩য় বিজ্ঞান ভবনের সামনে বাইক এক্সিডেন্ট এ রাজশাহী কলেজের অনার্স এর শিক্ষার্থী শিমুল মারা গেছে।

আবার কেউ বলছে তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে।আরো অনেক মন্তব্য। তার বাড়ি ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের নগরীর বুধপাড়ায় । যাই হোক ঘটনার সময় তার প্রেমিকা তার সাথেই ছিল বা তার বাইকে ছিল অথবা তার পাশে বসা ছিল তাহলে সে তো সব সন্দেহের উদঘাটন করতে পারে তবে তার বক্তব্য শুনলেই তো হয় ? আর প্রেমিকা এখন কোথায়? অপরদিকে, মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মালেক বলেন, হত্যার কারণ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। মরদেহ উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ছাড়া নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রাবিতে কলেজশিক্ষার্থীর নিহত: নানা প্রশ্ন

প্রকাশিত সময় : ০৯:৪৪:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে মোহাম্মদ শিমুল নামের কলেজ পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। কেউ বলছে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আবার কেউ বলছেন, তিনি ধাওয়া খেয়ে পালানোর সময় মোটরসাইকেলের দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সায়েন্স ভবনের সামনে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিহত হোন শিমুল। জানা গেছে, নিহত শিক্ষার্থী মো. শিমুল রাজশাহী কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র। তিনি নগরীর মেহেড়চন্ডী মধ্য বুধপাড়া এলাকার জামাল হোসেনের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতরে বান্ধবীকে নিয়ে বেড়াতে যান শিমুল। পরে ক্যাম্পাসের ভেতরে কয়েকজন ছেলে তাঁদের ধাওয়া করে। এতে শিমুল মোটরসাইকেলে নিয়ে দ্রুত গতিতে পালিয়ে আসার চেষ্টা করেন।

এ সময় ব্যাডমিন্টন খেলছিলেন এমন কয়েকজন তাঁর পথরোধ করে এলোপাথাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে জরুরি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসক মাহমুদুল হাসান ফিরোজ বলেন, ‘উদ্ধারকারীরা প্রথমে এটি সড়ক দুর্ঘটনার কথা বললেও পরে জেরার মুখে স্বীকার করে তাকে পিটিয়ে মারা হয়েছে।’

আবার কেউ বলছেন পালাতে গিয়ে তিনি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হোন। এদিকে, সাইদুর রহমান নামের এক ব্যক্তি তার ফেসবুকে লিখেন, গত রাত থেকে এখন পর্যন্ত সবাই শুধু পোস্ট আর নিউজ করেই যাচ্ছে পাল্টাপাল্টি কিন্তু প্রেমিকার বক্তব্য এবং প্রেমিকা কই??? রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩য় বিজ্ঞান ভবনের সামনে বাইক এক্সিডেন্ট এ রাজশাহী কলেজের অনার্স এর শিক্ষার্থী শিমুল মারা গেছে।

আবার কেউ বলছে তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে।আরো অনেক মন্তব্য। তার বাড়ি ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের নগরীর বুধপাড়ায় । যাই হোক ঘটনার সময় তার প্রেমিকা তার সাথেই ছিল বা তার বাইকে ছিল অথবা তার পাশে বসা ছিল তাহলে সে তো সব সন্দেহের উদঘাটন করতে পারে তবে তার বক্তব্য শুনলেই তো হয় ? আর প্রেমিকা এখন কোথায়? অপরদিকে, মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মালেক বলেন, হত্যার কারণ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। মরদেহ উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ছাড়া নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।