শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অটোরিকশার গতিরোধ করে যুবদল কর্মীকে গুলি

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলায় বাড়িতে যাওয়ার পথে অটোরিকশার গতিরোধ করে যুবদল নেতা মিজানুর রহমানকে (৪০) গুলি করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ মিজানুর রহমান উপজেলার বজরা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চাঁদপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ উল্যার ছেলে।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের নজরপুর গ্রামে তাকে গুলি করা হয়। তিনি ইউনিয়ন যুবদল রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিজানের সঙ্গে মাটি কাটা নিয়ে পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের কিছু যুবকের বিরোধ দেখা দেয়। এ নিয়ে মিজানের অনুসারী কিছু যুবক প্রতিপক্ষের জহিরকে মারধর করেন। ওই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার রাতে নজরপুর গ্রামে প্রতিপক্ষের কয়েকজন যুবক মিজানের অটোরিকশার গতিরোধ করে গুলি করে। এতে তার বুকে ও পায়ে গুলি লাগে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, জহির ও মিঠুর নেতৃত্বে গুলি করা হয়। তারাও বিএনপির রাজনীজির সঙ্গে জড়িত।

সোনাইমুড়ী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আনোয়ারুল হক কামাল জানান, মিজান গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তবে কারা করেছে এ বিষয়ে কিছু জানা নেই।

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মাটি কাটা নিয়ে বিরোধের জের ধরে গুলি করা হয়েছে। তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভুক্তভোগীর পরিবার মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

অটোরিকশার গতিরোধ করে যুবদল কর্মীকে গুলি

প্রকাশিত সময় : ১০:০২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলায় বাড়িতে যাওয়ার পথে অটোরিকশার গতিরোধ করে যুবদল নেতা মিজানুর রহমানকে (৪০) গুলি করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ মিজানুর রহমান উপজেলার বজরা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চাঁদপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ উল্যার ছেলে।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের নজরপুর গ্রামে তাকে গুলি করা হয়। তিনি ইউনিয়ন যুবদল রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিজানের সঙ্গে মাটি কাটা নিয়ে পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের কিছু যুবকের বিরোধ দেখা দেয়। এ নিয়ে মিজানের অনুসারী কিছু যুবক প্রতিপক্ষের জহিরকে মারধর করেন। ওই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার রাতে নজরপুর গ্রামে প্রতিপক্ষের কয়েকজন যুবক মিজানের অটোরিকশার গতিরোধ করে গুলি করে। এতে তার বুকে ও পায়ে গুলি লাগে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, জহির ও মিঠুর নেতৃত্বে গুলি করা হয়। তারাও বিএনপির রাজনীজির সঙ্গে জড়িত।

সোনাইমুড়ী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আনোয়ারুল হক কামাল জানান, মিজান গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তবে কারা করেছে এ বিষয়ে কিছু জানা নেই।

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মাটি কাটা নিয়ে বিরোধের জের ধরে গুলি করা হয়েছে। তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভুক্তভোগীর পরিবার মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।