শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টেডি ডে যেভাবে এলো

বাচ্চা ভাল্লুকটাকে গুলি করতে চাননি প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট। সেই সময়ে শিকার নিয়ে বিশ্বে এতো কড়া আইন ছিল না। সামাজিকভাবেও শিকার ছিল বীরত্ব প্রদর্শনের খেলা। কিন্তু প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টের এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি পুরো সমাজকে নাড়া দেয়। পরের দিন গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশ পায় রুজভেল্টের মানবিকতার কাহিনী। প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টের এই কাহিনী কার্টুন হিসেবে গোটা আমেরিকায় ছড়িয়ে পরে।

ওই কার্টুন দেখে আমেরিকার খেলনা কোম্পানি ‘আইডিয়াল নভেলটি অ্যান্ড টয় কোম্পানি’-এর মালিক মরিস মিকটম ও তার স্ত্রী  প্রথম তৈরি করেন খেলনা টেডি বিয়ার।

এরপরে আদুরে এই পুতুলটি শুধু উপহার হিসেবে ব্যবহার হয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ‘টেডি বিয়ার মিউজিয়াম গড়ে উঠেছে। টেডি বিয়ার নিয়ে তৈরি হয়েছে অনেক বই এবং চলচ্চিত্র।

পুতুল টেডি বিয়ারের চেহারায় প্রাথমিক সময়ের থেকে অনেক বদল হয়েছে। ভিন্নতা এসেছে এর আকারে এবং রঙে। তবুও একশ বছরের অধিক সময় ধরে ভালোবাসার অনন্য প্রতীক হয়ে উঠেছে টেডি বিয়ার।

শিশুদের কাছে টেডি বিয়ার খেলনার উপকরণ আর প্রেমিকাদের কাছে ভালোবাসার প্রতীক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

টেডি ডে যেভাবে এলো

প্রকাশিত সময় : ০৩:১২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বাচ্চা ভাল্লুকটাকে গুলি করতে চাননি প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট। সেই সময়ে শিকার নিয়ে বিশ্বে এতো কড়া আইন ছিল না। সামাজিকভাবেও শিকার ছিল বীরত্ব প্রদর্শনের খেলা। কিন্তু প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টের এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি পুরো সমাজকে নাড়া দেয়। পরের দিন গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশ পায় রুজভেল্টের মানবিকতার কাহিনী। প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টের এই কাহিনী কার্টুন হিসেবে গোটা আমেরিকায় ছড়িয়ে পরে।

ওই কার্টুন দেখে আমেরিকার খেলনা কোম্পানি ‘আইডিয়াল নভেলটি অ্যান্ড টয় কোম্পানি’-এর মালিক মরিস মিকটম ও তার স্ত্রী  প্রথম তৈরি করেন খেলনা টেডি বিয়ার।

এরপরে আদুরে এই পুতুলটি শুধু উপহার হিসেবে ব্যবহার হয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ‘টেডি বিয়ার মিউজিয়াম গড়ে উঠেছে। টেডি বিয়ার নিয়ে তৈরি হয়েছে অনেক বই এবং চলচ্চিত্র।

পুতুল টেডি বিয়ারের চেহারায় প্রাথমিক সময়ের থেকে অনেক বদল হয়েছে। ভিন্নতা এসেছে এর আকারে এবং রঙে। তবুও একশ বছরের অধিক সময় ধরে ভালোবাসার অনন্য প্রতীক হয়ে উঠেছে টেডি বিয়ার।

শিশুদের কাছে টেডি বিয়ার খেলনার উপকরণ আর প্রেমিকাদের কাছে ভালোবাসার প্রতীক।