শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত কুয়েটে রাজনীতি বন্ধ থাকবে, সম্পৃক্ততা পেলে বহিষ্কার

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকবে। যদি রাজনীতির সঙ্গে কারো সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় আজীবন বহিষ্কার ও ছাত্রত্ব বাতিল করা হবে।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৯৩তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম।

এ ছাড়া শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কোনো ধরনের রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা তদন্তে কমিটি করা হয়েছে। কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এম এম এ হাসেমকে প্রধান করে চার সদস্যের কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম জানান, গতকালের ঘটনায় জড়িত বহিরাগতদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মামলাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। আর জড়িত শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করবে।

এদিকে কুয়েটে সংঘর্ষের ঘটনায় গতকালের মতো আজও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ক্যাম্পাসের মেডিক্যাল সেন্টারে দ্বিতীয় দিনেও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাছুদকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। শিক্ষার্থীরা গতকালের হামলার ঘটনায় ভিসির পদত্যাগসহ ছয় দফা দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত কুয়েটে রাজনীতি বন্ধ থাকবে, সম্পৃক্ততা পেলে বহিষ্কার

প্রকাশিত সময় : ০৯:৩০:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকবে। যদি রাজনীতির সঙ্গে কারো সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় আজীবন বহিষ্কার ও ছাত্রত্ব বাতিল করা হবে।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৯৩তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম।

এ ছাড়া শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কোনো ধরনের রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা তদন্তে কমিটি করা হয়েছে। কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এম এম এ হাসেমকে প্রধান করে চার সদস্যের কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম জানান, গতকালের ঘটনায় জড়িত বহিরাগতদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মামলাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। আর জড়িত শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করবে।

এদিকে কুয়েটে সংঘর্ষের ঘটনায় গতকালের মতো আজও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ক্যাম্পাসের মেডিক্যাল সেন্টারে দ্বিতীয় দিনেও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাছুদকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। শিক্ষার্থীরা গতকালের হামলার ঘটনায় ভিসির পদত্যাগসহ ছয় দফা দাবি জানিয়েছেন।