বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মিশন শুরু হচ্ছে আজ। বৃহস্পতিবার ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হবে টাইগাররা। এই ম্যাচে শক্তির তারতম্যে নিঃসন্দেহে ভারতের থেকে বহু পিছিয়ে বাংলাদেশ। তবুও জয়ের স্বপ্ন দেখছেন দলপতি নাজমুল হোসেন শান্ত।
বর্তমানে ওয়ানডে ক্রিকেট র্যাঙ্কিংয়ে ভারতের অবস্থান শীর্ষে, অপরদিকে বাংলাদেশ রয়েছে নবম স্থানে। এখানেই দুই দলের পার্থক্যটা অনুমেয়। সবশেষ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে খেলেছিল বাংলাদেশ। যেটি তাদের মধুর স্মৃতি। সেই ম্যাচে টাইগারদের প্রতিপক্ষ ছিল এই ভারতই। ব্যাটিং, বোলিং আর ফিল্ডিং- এই তিন বিভাগেই ভারত বিশ্বসেরা। বিশেষ করে অধিনায়ক রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, শুবমান গিল, রিসাভ পন্তদের নিয়ে গড়া ব্যাটিং লাইনআপ ভারতের বিশ্বসেরা। অলরাউন্ডার হিসেবে রবীন্দ্র জাদেজা আর হার্দিক পান্ডিয়া তো রয়েছেনই। আর বোলিং ডিপার্টমেন্টে আর্শদীপ সিং, মোহাম্মদ শামি আর কুলদীপ যাদবদের নিয়ে গড়া দলটি অবশ্যই সেরা। তবে দলটির জন্য দুঃখের বিষয় ইনজুরির কারণে ছিটকে গেছেন বিশ্বসেরা পেসার জসপ্রিত বুমরাহ।
য়দিও বাংলাদেশ আত্মবিশ্বাসের বলীয়ান হয়েই খেলবে। উদ্বোধনী ব্যাটার তামিম ইকবাল সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। দেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও নেই দলে। রাজনৈতিক পটভূমি পরিবর্তন হওয়াতে সাকিব দেশে ফিরতে পারছেন না। তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলে অবসর নেবেন ক্রিকেটের ওয়ানডের ফরম্যাট থেকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য সাকিব অন্য দুই ফরম্যাট টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট থেকে অবসর নিলেও অজানাভাবেই নিয়েছেন।
তবে দলে রয়েছেন অভিজ্ঞ দুই ব্যাটার মাহামুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিম। দারুণ ফর্মে রয়েছেন মাহামুদউল্লাহ। সর্বশেষ ৪ ওয়ানডেতে টানা চারটি ফিফটির দেখা পেয়েছেন তিনি।
মুশফিকও খেলছেন এবারের টুর্নামেন্টে। বলতে গেলে এই দুই ব্যাটারের ওয়ানডে ক্রিকেটের শেষ টুর্নামেন্টও হতে পারে। এ ছাড়া দলে আরও রয়েছেন সৌম্য সরকার, শান্ত, তাওহীদ হৃদয়রা। বোলিংয়ে পেস অ্যাটাকে দুই অভিজ্ঞ তাসকিন আহমেদ আর মুস্তাফিজুর রহমান তো রয়েছেনই। স্পিনে রিয়াশাদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ থাকবেন। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারতের বিপক্ষে মাত্র একবারই মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেটি ২০১৭ সালে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে। সেই ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ২৬৪ রান করেও ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ।

রিপোর্টারের নাম 
























