রাজশাহী দুর্গাপুরে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টায় আব্দুস সাত্তার নামের (৭০) বছরের এক বৃদ্ধাকে আটক করেছে গ্রামবাসী।
এসময় আটক ওই বৃদ্ধকে গলায় জুতার মালা ও মুখে চুনকালি মেখে আটকিয়ে রাখে স্থানীয়রা। এরপর পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয় ওই বৃদ্ধকে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (১৯ মে) সকাল ১১টায় উপজেলার সায়বাড় পশ্চিমপাড়া গ্রামে। ওই বৃদ্ধ আব্দুস সাত্তার একই গ্রামের মৃত আব্দুল গনির ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার সকালে শিশুটি স্কুলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর লম্পট আব্দুস সাত্তার শিশুটিকে ফুষলিয়ে বাড়ির পাশে বাঁশ ঝাড়ের দিকে নিয়ে যায়।
এরপর শিশুটির পোশাক টেনে হ্যাচরে খোলার চেষ্টা করে লম্পট আব্দুস সাত্তার। একপর্যায়ে শিশুটি কান্নাকাটি করতে লাগলে লম্পট আব্দুস সাত্তার সেখান থেকে শটকে পড়ে। শিশুটি কান্না করতে করতে বাসায় এসে পৌঁছায়। এরপর তার দাদিকে ঘটনাটি খুলে বলতে বলতে শিশুটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরের শিশুটিকে উদ্ধার করে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এদিকে পালিয়ে যাওয়া ধর্ষণ চেষ্টা অভিযুক্ত লম্পট আব্দুর সাত্তার কে একটি পুকুরপাড় থেকে আটক করে স্থানীয়রা।
সায়বাড় গ্রামের গ্রাম পুলিশ রমজান আলী জানান,আব্দুস সাত্তার একজন লম্পট। এ ধরনের অনেক খারাপ রিপোর্ট আছে তার বিরুদ্ধে। এর আগে নওদা সায়বাড় গ্রামে এক প্রতিবন্ধীর সাথে এ ধরনের কাজ করতে গিয়ে ধরা খেয়েছিল এবং জরিমানা দিতে হয়েছিল তাকে।
শিশুটির দাদি সুফিয়া বেগম জানান, সকালে টিপ টিপ বৃষ্টির সময় তার নাতি স্কুলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। বের হওয়ার ঘন্টা খানিক পরে তার নাতির কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে আসে। ঘটনার বিবরণ দেয়ার সময় সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। শিশুটির গলা ও বুকে আঙ্গুলের হাচুরের দাগ রয়েছে। তারা এমন ঘটনায় ওই লম্পট আব্দুস সাত্তারের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দুরুল হোদা জানান, শিশু ধর্ষণের চেষ্টার এমন অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

দুর্গাপুর প্রতিনিধি: 
























