রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজারে হাইল হাওরে অভিযান: ৭৫ হাজার টাকার নিষিদ্ধ জাল ধ্বংস

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে হাইল হাওরে অবৈধ মৎস্য আহরণ রোধে যৌথভাবে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল জব্দ করে তা আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
বুধবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউসুফ এবং উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায়ের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে অংশ নেন শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের সদস্যরা এবং স্থানীয় জনসাধারণ।
অভিযান চলাকালে হাওরের বিভিন্ন অংশ থেকে ২০টি চায়না দুয়ারী রিং জাল এবং ২০০০ মিটার অবৈধ নেট জাল জব্দ করা হয়। পরে হাওরের পাশেই জব্দ করা এসব জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭৫ হাজার টাকা।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, “পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে।”
তিনি আরও জানান, হাইল হাওরের জলজ সম্পদ টিকিয়ে রাখতে অবৈধ ও বিধিনিষিদ্ধ উপায়ে মাছ শিকারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মৌলভীবাজারে হাইল হাওরে অভিযান: ৭৫ হাজার টাকার নিষিদ্ধ জাল ধ্বংস

প্রকাশিত সময় : ০৫:০২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে হাইল হাওরে অবৈধ মৎস্য আহরণ রোধে যৌথভাবে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল জব্দ করে তা আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
বুধবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউসুফ এবং উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায়ের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে অংশ নেন শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের সদস্যরা এবং স্থানীয় জনসাধারণ।
অভিযান চলাকালে হাওরের বিভিন্ন অংশ থেকে ২০টি চায়না দুয়ারী রিং জাল এবং ২০০০ মিটার অবৈধ নেট জাল জব্দ করা হয়। পরে হাওরের পাশেই জব্দ করা এসব জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭৫ হাজার টাকা।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, “পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে।”
তিনি আরও জানান, হাইল হাওরের জলজ সম্পদ টিকিয়ে রাখতে অবৈধ ও বিধিনিষিদ্ধ উপায়ে মাছ শিকারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।