রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদ্যঘোষিত কমিটি গঠনের একদিনের মাথায় পদত্যাগ করেছেন তিন সদস্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া স্ট্যাটাসে তাঁরা নিজেদের পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
পদত্যাগকারী নেতারা হলেন- হাদিউজ্জামান রাফি, ফুয়াদ হাসান গানিম ও রাফিউল ইসলাম রাহুল। তাঁরা এনসিপির বাগমারা উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন।
গত ১৭ জুন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে আলি মর্তুজাকে প্রধান সমন্বয়কারী এবং রফিকুল ইসলাম ও আল-আমিনকে যুগ্ম সমন্বয়কারী করা হয়। পাশাপাশি আরও ১৭ জনকে সদস্য হিসেবে রাখা হয়। কমিটির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয় তিন মাস অথবা পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত।
নিজেদের নাম তালিকাভুক্ত হওয়া নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন পদত্যাগকারী নেতারা। হাদিউজ্জামান রাফি বলেন,
আমি রাজনীতি করতে চাই না- এ কথা আগেই জানিয়েছিলাম। তবু আমার নাম রাখা হয়েছে। তাই পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে নিজেকে সব সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির অনুরোধ জানিয়েছি।”
ফুয়াদ হাসান গানিম বলেন, “আমি একটি বিএনপি পরিবারের সন্তান। একাধিকবার অনিচ্ছার কথা জানানোর পরও আমার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করেছি।”
রাফিউল ইসলাম রাহুল বলেন, “আমি ব্যবসার মানুষ, কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়াতে চাই না। তাই নাম প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করেছি।”
এ বিষয়ে কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী আলি মর্তুজা বলেন, “তারা পারিবারিক বা সামাজিক চাপের মুখে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তবে কেউ যদি নিজ ইচ্ছায় পদত্যাগ করেন, সেটি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।”
এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক ও রাজশাহী অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক ইমরান ইমন বলেন, “আমাদের সঙ্গে অনেক তরুণ যুক্ত হচ্ছে। তবে পরিবারের চাপ বা নানা বাস্তবতায় কেউ কেউ সরে যেতে পারেন। এসব বিষয় আমাদের নজরে রয়েছে।”

দৈনিক দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 






















